শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

পাচার হওয়া মেধা ফিরিয়ে এনে উন্নত দেশ বিনির্মাণে ড. ইউনূসের যুগান্তকারী কৌশল

গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের পতনের পর পাচার হওয়া লাখ লাখ কোটি টাকা ফিরিয়ে আনার কথা ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়ে আসছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলের পাচারের অর্থ ফেরাতে গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তবে এবার আলোচনায় এসেছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্যোগে বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে পাচার হওয়া মেধা শক্তিকে ফিরে আনার বিষয়টি। দেশীয় মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে […]

পাচার হওয়া মেধা ফিরিয়ে এনে উন্নত দেশ বিনির্মাণে ড. ইউনূসের যুগান্তকারী কৌশল

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ এপ্রিল ২০২৫, ১৯:২১

গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের পতনের পর পাচার হওয়া লাখ লাখ কোটি টাকা ফিরিয়ে আনার কথা ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়ে আসছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলের পাচারের অর্থ ফেরাতে গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

তবে এবার আলোচনায় এসেছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্যোগে বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে পাচার হওয়া মেধা শক্তিকে ফিরে আনার বিষয়টি। দেশীয় মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে উন্নত দেশ বিনির্মাণের এই পদক্ষেপকে একটি যুগান্তকারী কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সচেতন মহল বলছেন, যারা প্রকৃত অর্থেই মেধাবী তাদের সবাইকে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে ব্যবহার করলে দেশ সিঙ্গাপুর হতে সময় লাগবে না। বাংলাদেশের অনেক মেধাবী দেশপ্রেমিক সন্তান দেশের বাহিরে রয়েছেন।

খুনি হাসিনার দীর্ঘ ১৬ বছরের দুর্বৃত্তায়নের শাসনামলে অবমূল্যায়ন, সুযোগ-সুবিধা ও পরিবেশের অভাব এবং রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তারা বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।

কিন্তু দেশপ্রেম তাদের হৃদয়ের গহিনে লুকিয়ে আছে। তাদেরকে দেশে এনে দেশের সেবা করার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেধাকে দেশে ফেরানো অসাধারণ কাজ। আর তাদের জন্য স্থায়ী জায়গা তৈরি করে দেয়া হবে ততটাই কঠিন কাজ। কেননা বাংলাদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় যাতে এরকম মেধাবীদের প্রতিপালন করে তার জন্য নীতিমালা গড়তে হবে।

আর এ নীতিমালা যাতে কার্যকরভাবে প্রতিপালিত হয় তা নিশ্চিত করতে দেশের প্রধান নির্বাহীর (প্রধান মন্ত্রী, এখন প্রধান উপদেষ্টা) দপ্তরে একটা পর্যবেক্ষণ কোষ থাকতে হবে। এ কোষ থেকে তাদের স্বাচ্ছন্দের দিকটা দেখতে হবে। সাথে কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করবে।

এনাদের লালনপালন ও তাদের থেকে প্রাপ্তি সম্পর্কিত বিষয়াদি প্রধান নির্বাহী সরাসরি সংসদকে (এখন উপদেষ্টা পরিষদে) অবহিত করবেন।শুধু আবেগে কাজ হবেনা। থাকতে হবে টেকসই নীতিমালা থাকতে হবে। তা না হলে ভাবাবেগ কর্পূরের মতো উবে যাবে।

যেসব মেধাবীকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে তাদের একজন ব্যক্তি আশিক চৌধুরী। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই একের পর এক বাজিমাত করছেন তিনি।

ইতোমধ্যে কর্মদক্ষতা, উপস্থাপনা শৈলী, যোগ্যতা, বাচনভঙ্গি দিয়ে মানুষের মন জয় করেছেন। নেট দুনিয়া থেকে চায়ের আড্ডা, সাধারণ মানুষ থেকে উচ্চবিত্ত প্রায় সব শ্রেণির মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন।

এককথায় সর্বত্রই তার প্রশংসার জোয়ার তৈরি হয়েছে। সর্বশেষে বিনিয়োগ সম্মেলনে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সামনে তার অসাধারণ উপস্থাপনা মুগ্ধ করেছে সবাইকে।

জানা গেছে, আশিক চৌধুরী পেশায় ব্যাংকার। সিঙ্গাপুরে বহুজাতিক দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) রিয়েল অ্যাসেট ফাইন্যান্স বিভাগের সহযোগী পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

কিন্তু প্রধান উপদেষ্টার একটি ফোনকলে তিনি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নিয়েছেন।তিনি একজন স্কাইডাইভার।

যিনি ৪১ হাজার ফুট উঁচু থেকে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে লাফ দেন। যার কারণে তিনি ইতোমধ্যে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুকে নাম লিখিয়েছেন।

সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত আরো একজন গুণী ব্যক্তিত্ব হচ্ছেন ড. ইমাদুর রহমান। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছে শীর্ষ মার্কিন ব্যবাসায়ী ইলন মাস্কের স্টারলিংক। যার হাত ধরে স্টারলিংক বাংলাদেশে এসেছে ড. ইউনূসের পর তিনিই হচ্ছেন ড. ইমাদুর রহমান।

তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন।

এরিকসনের মতো বড় কোম্পানি ছেড়ে দেসে এসেছেন তিনি। ড. ইমাদুর রহমান ড. ইউনুসের নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্নে সহযাত্রী হিসেবেই দেশে ফিরেছেন। তার পেশাগত জীবন এক চমৎকার দৃষ্টান্তে ভরা।

আশিক চৌধুরীর প্রেজেন্টেশন দেওয়া একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে ব্যবহারকারী আমিনুজ্জামান মোহাম্মদ লিখেছেন, আশিক ভাইয়ের প্রেজেন্টেশন সত্যিই অবিস্মরণীয় এবং অনুপ্রেরণামূলক।

এটা শুধু একটি প্রেজেন্টেশন ছিল না, বরং বাংলাদেশের সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যত নিয়ে এক বিশাল প্রত্যাশা এবং বিশ্বাসের বার্তা।

আমাদের দেশের প্রতিটি মেধাবী সন্তান, যাদের আশিক ভাইয়ের মতো প্রতিভা রয়েছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পারলে, এটা দেশের জন্য যেমন একটি বিশাল মাইলফলক হবে, তেমনি দেশের উন্নতির পেছনে একটি শক্তিশালী চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।

প্রেজেন্টেশন দেখার পর মনে হচ্ছে, আমাদের দেশের মেধাবী সন্তানরা যেন সঠিক পথে পরিচালিত হতে না পারলে কতটা বড় ক্ষতি হয়।

আহমদ শফী লিখেছেন, অবশ্যই দেশের যে মেধা পাচারের মাধ্যমে দেশ মেধা শূন্য হয়েছে তাদের ফিরিয়ে আনতে পারলে বাংলাদেশ এক অনন্য উচ্চতায় চলে যাবে কোন সন্দেহ নেই। দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির কারণে বাংলাদেশে বিগত তেপান্ন বছর ধরে মেধা শূন্য হয়েছে।

এই মেধাবীদের দেশের মাটিতে ফিরিয়ে আনতে পারলে দেশের টাকা ফিরিয়ে আনার চাইতে বেশি বেনিফিট পাবে আশা করি কারণ মানব সম্পদের চেয়ে বড় সম্পদ আর কিছু নেই।

তাইবুর রহমান পাভেল লিখেছেন, বাংলাদেশে ওনার মতো আরও হাজারো হাই কোয়ালিটি সম্পূর্ণ সত্যবাদী, দেশপ্রেমিক, ন্যায়নীতি, স্মার্ট, স্বপ্ন বিলাসী, মানুষকে বিগত সরকারের আমলে অবমূল্যায়ন করার জন্য তাঁরা নিজের মাতৃভূমি ত্যাগ করেছে!

একমাত্র তাঁদের নিজস্ব মেধার মূল্যায়ন না পাওয়ার কারনে!না হলে দেশের চোরদের ভাগে কম পড়ে যাবে!দেশটাকে একটা দূর্নীতির মহাসাগরে রূপান্তরিত করছে ওরা!

আনিসুর রহমান লিখেছেন, ড. ইউনূস আমাদের নতুন আশার আলো। তিনি সময় পেলে দেশের অর্থ যেমন ফিরিয়ে আনবেন তেমনি দেশের মেধাবী সন্তানদেরও ফিরিয়ে আনবেন ইনশাআল্লাহ। সর্বপরি দেশটাকে সিঙ্গাপুর বা মালয়েশিয়ার মতো উন্নত একটা দেশে পরিণত করবেন ইনশাআল্লাহ।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।