বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সাহায্য করুন, বাঙালি জাতি আপনাদেরকে স্মরণ রাখবে: ড. ইউনূস

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের দীর্ঘমেয়াদি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনি কাঠামো তৈরির জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সংস্কার প্রক্রিয়া যথাযথভাবে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশে বলেন, “সংস্কার যদি আমরা সঠিকভাবে করতে পারি, তাহলে বাঙালি জাতি হিসেবে যতদিন টিকে থাকবে, ততদিন আপনাদের অবদান থেকে যাবে।” শনিবার জাতীয় […]

সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সাহায্য করুন, বাঙালি জাতি আপনাদেরকে স্মরণ রাখবে: ড. ইউনূস

ছবি : সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১১:১৬

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের দীর্ঘমেয়াদি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনি কাঠামো তৈরির জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সংস্কার প্রক্রিয়া যথাযথভাবে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশে বলেন, “সংস্কার যদি আমরা সঠিকভাবে করতে পারি, তাহলে বাঙালি জাতি হিসেবে যতদিন টিকে থাকবে, ততদিন আপনাদের অবদান থেকে যাবে।”

শনিবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এই বক্তব্য দেন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ইউনূস। সংলাপের শুরুতেই তিনি জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ড. ইউনূস উল্লেখ করেন যে, আজকের সংলাপের মধ্য দিয়ে সরকারের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হলো। তিনি বলেন, “আজ আমাদের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে। আপনারা এই পর্বের স্রষ্টা। আপনারা সংস্কার সুপারিশগুলো জাতির সামনে উপস্থাপন করবেন। আপনাদের সহযোগিতা করার জন্য কমিশনের সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিন, যাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা কাজে নেমে পড়তে পারি। এমন একটি নির্বাচন আয়োজন করতে হবে, যার মাধ্যমে গঠিত সরকার নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে না পারে।”

সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “দেশের ঐক্য এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন বিবেচনায় নিয়ে সংস্কার কমিশন সুপারিশ নিয়ে এসেছে। এটি অত্যন্ত মূল্যবান একটি সম্পদ, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সংরক্ষিত থাকবে। আমাদের এখন পরামর্শ করতে হবে, কোন সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। যখন আইন ও নীতিমালা ঠিকভাবে গড়ে উঠবে, তখন দেশ একটি স্বচ্ছ ও কার্যকর কাঠামোর মধ্যে চলতে পারবে। আমাদের লক্ষ্য, এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা যেখানে কেউ অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক কলকাঠি নাড়ে না, বরং নিয়মতান্ত্রিকভাবে দেশ পরিচালিত হয়।”

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার কোনো সংস্কার প্রস্তাব রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর চাপিয়ে দেবে না। “সংস্কারটা এমনভাবে হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকে। ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা তাদের জায়গা থেকে সাধ্যমতো সেরা কিছু দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। আমরা এখন আলোচনা করবো, কোন বিষয়গুলো গ্রহণযোগ্য, কীভাবে এগিয়ে যাওয়া উচিত। আপনারা জনগণের প্রতিনিধি, তাই আপনাদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি শক্তিশালী আইন-কাঠামো তৈরি করা, যা সবাই মেনে চলবে এবং যার মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে উঠবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা সুপারিশ নিয়ে এসেছি, তবে চাপিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই। আমরা কেবল বুঝিয়ে বলবো কেন এগুলো প্রয়োজন এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। বাকিটা আপনাদের দায়িত্ব। সামান্য রদবদল করলেই দেখবেন, দেশ কত সুন্দরভাবে চলতে পারে। আমরা শুধু সহায়ক ভূমিকা পালন করবো।”

সরকারের প্রথম পর্বে (ছয় মাস) দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সমর্থনের কথা উল্লেখ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান বলেন, ‘প্রথম পর্বের একটা অভিজ্ঞতা হলো, সরকার দেশের জনগণের ও আন্তর্জাতিক বিশ্বের সমর্থন দুটোই পেয়েছে।  সারা পৃথিবীজুড়ে আমাদের প্রতি বড় রকমের সমর্থন গড়ে উঠেছে। যে কারণে অপরপক্ষ (ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী সরকার) সুবিধা করতে পারছে না, বহু গল্প করার চেষ্টা করছে, কিন্তু কোন গল্প টিকাতে পারছে না। শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে গিয়ে গল্প চালাতে পারল না। ছোট রাষ্ট্র, বড়, মাঝারি এবং ধনী সকল রাষ্ট্র আমাদেরকে সমর্থন করছে। কারোর কোনরকম দ্বিধা নেই’।

তিনি বলেন, কোন রাষ্ট্রের প্রধানের সঙ্গে যখন আমরা কথা বলি, তখন তারা বলে আপনাদের কী লাগবে। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। একটি দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে এর চেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলা, আর কী হতে পারে। তারা এ পর্যন্ত আমাদেরকে মেনে নিয়েছে এবং ক্রমাগতভাবে তাদের সমর্থন বেড়ে চলেছে। অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক- এই দুই সমর্থন পাওয়ার পরও যদি আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে না পারি, সেটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যের হবে। আমরা এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাই না।

সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক মহল আমাদেরকে বলে যে তোমাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা করতে পারি কিন্তু সংস্কারটা তোমাদের করতে হবে। 

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সমর্থন, সহযোগিতা এবং তাদের শুভেচ্ছা আমাদের জন্য মস্ত বড় সম্পদ। আমরা তাদেরকে বহু রকমের স্বপ্নের কথা বলেছি,তারা বলেছে তোমরা করতে পারলে আমাদের সমস্যা নেই। কোন কোন শক্তিশালী দেশ আমাদেরকে বিশেষভাবে সহায়তা করতে চায়। তাই বলছি, সংস্কার সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে আমাদের ব্যর্থ হবার কোন সুযোগ নেই। ব্যর্থ হতে চাই না।

তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ্য করে আরও বলেন, যে আইনী ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকার সুযোগ পেয়েছিল, সেই কাঠামো থেকে যেন আমরা অন্যরূপে বেরিয়ে আসতে পারি। হাডুডু খেলার ক্ষেত্রে আইন মেনে চললেও দেশটাকে একটা তামাশায় পরিণত করা হয়েছিল। আইন বলে কিছু ছিল না, নিয়ম বলে কিছু ছিল না। জুলাই বিপ্লবে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন, তারা নির্দেশ দিয়ে গেছে আমরা যেন সেই আইনকানুন বাদ দিয়ে ফেলে নতুন বাংলাদেশের জন্য প্রস্তুত হই। কী আইন প্রয়োজন হবে সেগুলো মাথায় রেখে সংস্কার কমিশন করা হয় এবং কমিশনে যারা ছিলেন,তারা তাদের কাজটি করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আমরা যদি আমাদের ঐক্যকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে পারি, তাহলে সেটি বংশ পরম্পরায় চলতে থাকবে। মসৃণভাবে সংলাপ চালিয়ে নেয়ার জন্য তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আমরা এক লণ্ডভণ্ড অবস্থার মধ্যে দায়িত্ব নিয়েছিলাম। এই ছয় মাসের অভিজ্ঞতা হলো,দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক ব্যক্তি সবাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সহায়তা দিয়েছে। আমাদের মধ্যে অনেক তর্কবিতর্ক আছে,তবে আমাদের মধ্যে ঐক্য আছে এবং এটি বজায় থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।

জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী সরকার কর্তৃক দেশের মানুষের ওপর চালানো নির্মম নির্যাতনের বিষয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনের প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করেন ড. ইউনূস। 

তিনি বলেন, জাতিসংঘের এই প্রতিবেদন হলো আমাদের প্রতি বিদেশীদের আর একটা সমর্থন। এখন কারোর বানানো বয়ান আর কেউ শুনবে না, ওইটা চূড়ান্ত। আর কত সমর্থন চাই আমরা, একেবারে অক্ষরে অক্ষরে তারা বলে দিয়েছে কাকে কোথায় মারা হয়েছে। এর থেকে বের হওয়ার তো কারোর উপায় নেই। বাংলাদেশকে ঘিরে যে অপপ্রচার চলছিল,এই প্রতিবেদন তা বন্ধ করে দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সরকারের প্রথম ছয় মাসের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যারা আমাদেরকে ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে, তাদেরকে ভালভাবে মোকাবেলা করতে পেরেছি। দ্বিতীয় পর্বেও এই হাঙ্গামা হবে। যাদেরকে বাংলাদেশের মানুষ তাড়িয়ে দিয়েছে, অস্বীকার করেছে ও ত্যাগ করেছে, তারা ফিরে আসার জন্য অত্যন্ত ব্যাকুল। সেজন্য আমাদের শক্ত থাকতে হবে, মজবুত থাকতে হবে। একত্রে থাকতে হবে।  

স্বৈরাচারী সরকারের গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ড, ইউনূস আরও বলেন, মানুষ কতটা নির্মম হতে পারে, নৃশংস হতে পারে, এর চেয়ে বড় নমুনা মনে হয় আর পাওয়া যাবে না। আমাদের দেখতে কষ্ট লেগেছে, কিন্তু যারা এখানে বছরের পর বছর কাটিয়েছে, তাদের প্রতিটি বর্ণনা ও অভিজ্ঞতা গুম কমিশনের রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিজ্ঞা করি আমরা যেন গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মান না জানাই। যে কারণে তারা আত্মত্যাগ করেছিল সেটা যেন পরবর্তী সব প্রজন্ম মনে রাখে, তাদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে, তাদের আত্মত্যাগকে সার্থক করার জন্য আমরা সবাই মিলে সবরকম চেষ্টা করবো, তাদের সে স্বপ্ন যেন বাস্তবায়ন করতে পারি।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।