বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

প্রশাসনে ক্ষমতার অপব্যবহার করা আওয়ামী দোসরদের তালিকা চূড়ান্ত

এবার বেশ শক্তভাবে মাঠে নামতে যাচ্ছে বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। চলতি সপ্তাহের মধ্যে চিহ্নিত আওয়ামী দোসরদের গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে সরানোসহ অবশিষ্ট পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি না দিলে রোববার সচিবালয়ে অবস্থান কর্মসূচি দেওয়া হবে। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফোরামের আহ্বায়ক এবিএম আব্দুস ছাত্তার। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে জোর দাবি জানিয়ে ১৫ দিন আগে […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৪:০০

এবার বেশ শক্তভাবে মাঠে নামতে যাচ্ছে বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। চলতি সপ্তাহের মধ্যে চিহ্নিত আওয়ামী দোসরদের গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে সরানোসহ অবশিষ্ট পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি না দিলে রোববার সচিবালয়ে অবস্থান কর্মসূচি দেওয়া হবে। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফোরামের আহ্বায়ক এবিএম আব্দুস ছাত্তার।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে জোর দাবি জানিয়ে ১৫ দিন আগে আমরা সচিবালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছিলাম। সে সময় সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। কিন্তু ৩ দিনের স্থলে ১৫ দিন পার হয়ে গেছে, অথচ এখনো প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়সহ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গণহত্যার উসকানিদাতা আমলারা বহালতবিয়তে আছে। ওরা তো এ সরকারকে ব্ল্যাইমেইল করছে। ভুল পথে নেওয়ার জন্য এরা যে কোনো ধরনের স্যাবোটাজ করতে পারে। তাই আওয়ামী দোসরদের আর স্বপদে দেখতে চাই না। তিনি বলেন, এছাড়া আওয়ামী দুঃশাসনের সময় পদোন্নতি বঞ্চিত অনেকে এখনো তাদের প্রাপ্য পদোন্নতি পাননি। সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

ঐক্যফোরামের সঙ্গে যুক্ত সাবেক যুগ্মসচিব আব্দুল খালেক বলেন, এখনো যদি আওয়ামী শিবিরের প্রথমসারির কর্মকর্তারা প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল থাকে তাহলে এরচেয়ে বড় ধরনের দুঃসংবাদ আর হতে পারে না। এ অবস্থা বহাল থাকলে ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত বিপ্লবকে খাটো করা হবে। আমার ধারণা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা নেতৃস্থানীয় সমন্বয়ক জানতে পারলে তারাও ব্যথিত ও সংক্ষুব্ধ হবেন।

সূত্র জানায়, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে বহাল থাকা আওয়ামী দোসরদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। এ কাজে সক্রিয়ভাবে সহায়তা দিয়েছে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আরেকটি সংগঠন। যার নাম পলিসি ম্যানেজমেন্ট রিসার্চ সোসাইটি (পিএমআরএস)। বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন। তিনি দেশে আসার পর তালিকা প্রকাশের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ এ বিষয়ে আরও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরামের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রশাসনের একঝাঁক সাবেক চৌকশ কর্মকর্তা। যাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জার গ্রুপ নেটওয়ার্কের মধ্যে কর্মকর্তার সংখ্যা কয়েক হাজার। এছাড়া কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এখন একটি বড় অংশকে তারা নেতৃত্বে দিচ্ছেন। সচিবালয় থেকে একেবারে উপজেলা প্রশাসন পর্যন্ত ঐক্য ফোরামের সুবিস্তৃত নেটওয়ার্ক।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, খুবই অবাক হওয়ার মতো বিষয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যেসব পদস্থ কর্মকর্তা আওয়ামী রেজিমকে টিকিয়ে রাখতে চূড়ান্তভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন, যাদের সার্বিক কর্মকাণ্ড ছিল দলীয় কর্মীর মতো; অথচ তারা এখনো সেখানে গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রয়েছেন। যাদের মধ্যে অন্যতম হলেন অতিরিক্ত সচিব আহসান কিবরিয়া। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন)। এই কর্মকর্তা সব সময় প্রধানমন্ত্রীর আশপাশে থাকতেন। প্রকাশ্যে দলবাজি করতেন। তিনি এখন ভোল পালটে সংস্কারপন্থি হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সঙ্গে রেখেছেন আরও কয়েকজনকে।

আহসান কিবরিয়ার কারণে তাদেরও বদলি করা যাচ্ছে না। এই কর্মকর্তা ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। সে সূত্রে তিনি এখন নতুন করে ক্ষমতাবান হওয়ার চেষ্টা করছেন। বিএনপি যে তালিকা প্রস্তুত করেছে সেখানে তার নাম রয়েছে প্রথমদিকে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) আবু হেনা মোস্তফা জামান ও যুগ্মসচিব (রাজনৈতিক) ফিরোজ উদ্দিন খলিফা।

এরা দুজন ছিলেন বিগত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের অতি ঘনিষ্ঠ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিটি বিদেশ সফরের অগ্রভাগে থাকতেন মোস্তফা জামান। ফিরোজ উদ্দিন খলিফা এর আগে ছিলেন সচিবালয় নিরাপত্তা শাখায়।

এভাবে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয়সহ প্রতিটি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও সংস্থায় আওয়ামী দোসরদের চিহ্নিত করে তালিকা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়ে। সূত্রগুলো জানায়, শুধু নামের তালিকা করেই এ প্রক্রিয়া শেষ করা হচ্ছে না। প্রত্যেকের দুর্নীতির খতিয়ানও বের করা হচ্ছে। কে কিভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থসম্পদের মালিক হয়েছেন সেটিও উল্লেখ করা হবে। এ সংক্রান্ত তালিকা প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হবে। পৃথকভাবে দেওয়া হবে দুর্নীতি দমন কমিশনে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।