মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিরোধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে : বাবলু

সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিরোধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে বলে জানিয়েছেন করেছেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক ও গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বাবলু। বুধবার (২২ জানুয়ারি) মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিরোধ এবং চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৫, ১৭:১৮

সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিরোধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে বলে জানিয়েছেন করেছেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক ও গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বাবলু।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিরোধ এবং চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও নতুন করে আরোপিত ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত গণসমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

এছাড়াও সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসন ও নিরীহ বাংলাদেশি মানুষ হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।

বাবলু বলেন, অতিসম্প্রতি লালমনিরহাট সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে বিজিবির সঙ্গে স্থানীয় মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে বিএসএফ পিছু হটে। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়া বার বার আগ্রাসী তৎপরতা চালায় তাই এই আগ্রাসন বন্ধে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, আপনারা বাজার নিয়ন্ত্রণে মনোযোগী হোন। ফ্যাসিস্টদের প্রেতাত্মারা এখনও বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। আপনারা সিন্ডিকেট ভাঙার দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেননি।

নিত্যপণ্যের মূল্য কমানোর কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নিয়ে উপরন্ত নতুন করে ভ্যাট ও শুল্ক আরোপ সুবিবেচনা প্রসূত হয়নি। অবিলম্বে নিত্যপণ্যের দাম কমিয়ে স্বল্প আয়ের মানুষের জীবন বাঁচান। নিত্যপণ্যের অব্যাহত মূল্য বৃদ্ধিতে গরিব অসহায় মানুষ অনাহারে অর্ধাহারে জীবন যাপন করছে।

তিনি বলেন, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন ছিল অতি সাধারণ, নিরবে নিভৃতে। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাকে উপযুক্ত মর্যাদায় বরণ করেননি। তারা মওলানা ভাসানীর সংগ্রামী ইতিহাসকে আড়াল করার চেষ্টা করলেও ইতিহাস তার স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে।

আজ তিনি সকল মহলে বরণীয়, নতুন প্রজন্ম মওলানা ভাসানীকে নিয়ে ভাবে এবং অধ্যায়ন করে। একমাত্র মওলানা ভাসানীর আদর্শ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল বিশ্বাস, জামিল আহমেদ, নুরুজ্জামান হীরা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম, নারী নেত্রী সুমিয়া আক্তার, ছাত্রনেতা মোশারফ হোসেন, এবং পরিষদের অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে বিজয়নগর হয়ে পুরানা পল্টন এসে শেষ হয়।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।