রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অগ্রহণযোগ্য : টিআইবি

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ (খসড়া) অগ্রহণযোগ্য। বহুল বিতর্কিত সাইবার সিকিউরিটি আইনের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি। এতে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ (খসড়া) পর্যালোচনা প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:১৩

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ (খসড়া) অগ্রহণযোগ্য। বহুল বিতর্কিত সাইবার সিকিউরিটি আইনের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি। এতে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ (খসড়া) পর্যালোচনা প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে টিআইবি।

বহুল বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হয়েছে, এর পরিবর্তে ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়া প্রস্তুত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ইতোমধ্যে উপদেষ্টা পরিষদকর্তৃক খসড়াটির অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকার আমাদের আশ্বস্ত করেছিল সবার সঙ্গে কথা বলে আইনটি প্রণয়ন করবে। কিন্তু কেনো সেখান থেকে সরে এলো ‍বুঝতে পারলাম না। কেনো তড়িঘড়ি করা হচ্ছে তাও বোধগম্য নয়। খসড়া আইনটিতে মতামত দেওয়ার জন্য মাত্র ৩ দিন সময় দেওয়া হয়। আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া বিগত সরকারের কাজের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি। আইনের অনেকগুলো ধারা আগের মতোই (সাইবার সিকিউরিটি আইন) রেখে দেওয়া হয়েছে। আইনটি হয়রানির অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। আমরা চাই সবার মতামত নিয়ে আইনটি চূড়ান্ত করা হোক।

তিনি বলেন, গতকাল (৩০ ডিসেম্বর) রাতে আমাকে মেইল দিয়ে আজকে আইনটির বিষয়ে আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে। এটাও লোক দেখানো বলতে বাধ্য হচ্ছি। না হলে সন্ধ্যায় মেইল দিয়ে কেউ পরের দিন ডাকে না!

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের বিষয়ে শাস্তির কথা বলা হয়েছে। আমরা এর বিপক্ষে না. তবে একইভাবে অসাম্প্রদায়িক চেতনার সুরক্ষা নিশ্চিত করা উচিত ছিল। খসড়ায় বিষয়টি অনুপস্থিত রয়েছে।

সাইবার সুরক্ষা আইনটির খসড়া উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন হওয়ার পরও কেনো লুকোচুরি করা হচ্ছে। কেনো এখন গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে, কেনো ওয়েব সাইটে আপলোড করা হচ্ছে না, সে বিষয়ে টিআইবির পক্ষ থেকে বিস্ময় প্রকাশ করা হয়। এই লুকোচুরি বড় প্রশ্ন তৈরি করছে বলে মনে করছে টিআইবি।

প্রফেসর এরশাদুল করিম মালয়েশিয়া থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে খসড়ার ওপর বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এমন কোন সমস্যার মুখোমুখি হয়নি যা বিশ্ব থেকে আলাদা। সারাবিশ্ব যে ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করছে বাংলাদেশও তাই। তাহলে অন্যান্য উন্নত বিশ্বের থেকে কেনো আরও কর্তৃত্ববাদী আইন করতে হবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি রাষ্ট্রের মর্যাদা ও সুনামের বিষয়টি ফুটে ওঠে আইনের মাধ্যমে। সেখানে সতর্কতার সঙ্গে আইনটি প্রণয়ন করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, আইনটিতে এমন সব শব্দ যোগ করে দুর্বোধ্য করা হয়েছে, যার অনেক প্রতিশব্দ রয়েছে। আবার উপযুক্ত বাংলা থাকলেও ইংরেজি শব্দ যুক্ত করা হয়েছে। আমি আইনের শিক্ষক হয়েও আইনটির পাঠোদ্ধার করতে বেগ পেতে হয়েছে। আইনের দুর্বোধ্যতার কারণে এর অপপ্রয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

এরশাদুল করিম বলেন, জনসাধরণের মতামত দেওয়ার জন্য যে খসড়া প্রকাশ করা হয়েছিল, অনুমোদন পাওয়া খসড়ায় নতুন অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা আইন প্রণয়নের সাধারণ চর্চার পরিপন্থী। বিষয়টি মানুষকে ধোকা দেওয়া ও বোকা বানানোর অপচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, অধ্যাদেশের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৪’ আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এখানে সাইবার সুরক্ষা শব্দগুলো ব্যবহার যথার্থ হবে না। এর নাম সাইবার বা কম্পিউটার অপরাধ অধ্যাদেশ হলে যথার্থ হবে। এতে ব্যবহৃত উপাত্ত-ভান্ডার শব্দটির যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তা অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিকর।

এতে সাইবার সুরক্ষা এজেন্সীর মহাপরিচালককে কোন কনটেন্ট ব্লক ও অপসারণ করার সীমাহীন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এরপর সরকারকে অবহিত করবে বলে বলা হয়েছে। শব্দগুলো অন্তর্ভুক্ত করে পূর্ববর্তী সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিধানটি হুবহু এই অধ্যাদেশে যুক্ত হওয়ায় অপব্যবহারের বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অনেক সরকারি ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। যেখানে অনিচ্ছাকৃতভাবেও নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে যেতে পারে। ধরেন আমি একটি পিডিএফ ডাউনলোড করতে গিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে গেলো তার দায় কার। আবার অযাচিত মেইল প্রেরণের জন্য শাস্তির কথা বলা হয়েছে, অনেক সময় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার তাদের পণ্যের জন্য মেইল করে থাকেন, সেটাও এখানে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

অধ্যাদেশে ৩০ ধারায় ক্ষতিপূরণের বিষয়টি যুক্ত করার উদ্যোগ সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য বলে মনে করে এরশাদুল করিম।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপদেষ্টা (এক্সিকিউটিভ ম্যানেজমেন্ট) প্রফেসর ড. সুমাইয়া খায়ের, ডিরেক্টর (আউটরিচ এন্ড কমিউনিকেশন) মো. তৌহিদুল ইসলাম।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পাঁচ ধাপে শুরু ইউপি নির্বাচন

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। যা ২০২৭ সালের ২৭ মে শেষ হতে পারে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে সোমবার (১২ অক্টোবর) বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে […]

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পাঁচ ধাপে শুরু ইউপি নির্বাচন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। যা ২০২৭ সালের ২৭ মে শেষ হতে পারে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে সোমবার (১২ অক্টোবর) বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে আগামী ২১ জানুয়ারি ৮১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ৭২৭ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হতে পারে। এ ছাড়া তৃতীয় ধাপে আগামী ২ মে ৭৯০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হতে পারে।

এদিকে আগামী ১৩ মে চতুর্থ ধাপে ৯৫১টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে। আর সবশেষ পঞ্চম ধাপে বাকি ইউনিয়ন পরিষদে আগামী ২৭ মে ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে।

তবে সোমবারের বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ নিয়ে বৈঠক শুরু হয়েছে। যেখানে অন্যদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত রয়েছেন।

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, বিরোধীদলকে আলোচনায় আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর পদে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসেনি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যক্তিতান্ত্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠেকাতেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা […]

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, বিরোধীদলকে আলোচনায় আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০৫

প্রধানমন্ত্রীর পদে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসেনি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যক্তিতান্ত্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠেকাতেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর করার প্রস্তাব নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। কেউ কেউ এটিকে অগণতান্ত্রিক ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থি মনে করেন। তবে সরকারের অবস্থান হলো, কোনো ব্যক্তি যেন ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে না পারেন।

তিনি বলেন, বিরোধী দল বা অন্য কোনো পক্ষ থেকে বিকল্প প্রস্তাব এলে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিরোধী দলকে বিশেষ কমিটির আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কমিটির কার্যক্রম প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক নেতা, মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও বিকেন্দ্রীকরণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে পরিবর্তনসহ বিভিন্ন প্রস্তাব পাওয়া গেছে।

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে এ বিষয়ে ঐকমত্য থাকায় সরকার সেই অনুযায়ী এগোতে চায়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদ নেবে।

সবার মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে সংসদে উপস্থাপনের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য সংবিধান সংশোধনী আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।