বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

টেবিলে বই, আলনায় কাপড় সবই আছে, নেই শুধু আমার ছেলেটা

বারবার হাত দিয়ে ধরে দেখছিলেন জিনিসগুলো। ছেলের স্মৃতি মনে করে বিলাপ করছিলেন অভাগা মা। আহাজারি করে বলছিলেন, ‘টেবিলে বই, আলনায় কাপড় সবই আছে, নেই শুধু আমার ছেলেটা।’ পড়ার টেবিলে সারি সারি বই রাখা। দেয়ালে টানানো রুটিন, ব্যাগটাও রাখা আছে টেবিলেই। চার্জার লাইট, মার্কার পেন আর ঘড়িটাও রয়েছে টেবিলের তাকে। পাশেই আলনায় রাখা আছে জামাকাপড়। সেগুলোতে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৩৫

বারবার হাত দিয়ে ধরে দেখছিলেন জিনিসগুলো। ছেলের স্মৃতি মনে করে বিলাপ করছিলেন অভাগা মা। আহাজারি করে বলছিলেন, ‘টেবিলে বই, আলনায় কাপড় সবই আছে, নেই শুধু আমার ছেলেটা।’

পড়ার টেবিলে সারি সারি বই রাখা। দেয়ালে টানানো রুটিন, ব্যাগটাও রাখা আছে টেবিলেই। চার্জার লাইট, মার্কার পেন আর ঘড়িটাও রয়েছে টেবিলের তাকে। পাশেই আলনায় রাখা আছে জামাকাপড়। সেগুলোতে এখনো লেগে আছে গায়ের ঘ্রাণ। টেবিলে বসে অপলক তাকিয়ে ছিলেন সদ্য সন্তান হারানো এক বাবা।

সড়কে মদ্যপ চালকের বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় নির্মমভাবে প্রাণ হারানো বুয়েট শিক্ষার্থী মুহতাসিম মাসুদের (২২) বাড়িতে এখন শুধুই চলছে মাতম আর আহাজারি। বাবা মাসুদ মিয়া এবং মা রাইসা সুলতানা যেন সন্তান হারিয়ে শোকে পাথর হয়ে গেছেন।

গতকাল শনিবার মাসুদের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, কিছুক্ষণ পরপরই চিৎকার করে কেঁদে উঠছিলেন অভাগা এই বাবা-মা। স্বজন এবং মাসুদের সহপাঠীরা শুধুই জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন তাদের।

বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল উপশহরে পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে বেপরোয়া প্রাইভেটকারের ধাক্কায় নিহত হন বুয়েট শিক্ষার্থী মাসুদ (২২)। আহত হন নিহতের সহপাঠী অমিত সাহা (২২) ও মেহেদী হাসান (২২)।

তারা তিনজনই বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবারের এ ঘটনার পর শুক্রবার মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয় মাসুদকে।

মুহতাসিম মাসুদের মা রাইসা সুলতানা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলছিলেন, আমি তো এখন মরার মতো বেঁচে আছি। আল্লাহ আমার ছেলেকে এতটুকু আয়ু দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিল। দুর্ঘটনার ঘটনাস্থলে আরও আট থেকে ১০ জন ছিল, দুজন আহত হয়েছে। আমার ছেলেটাই শুধু চলে গেছে। আমার ছেলে এতটুকু হায়াত নিয়া আসছে। আমার সন্তান তো কেউ ফিরিয়ে দিতে পারবে না।

আমার সন্তান এত গর্ব করার মতো ছিল, হয়তো ক্ষণজন্মা বলেই এত গর্ব করার মতো ছিল। যেই দেখত, সেই বলত, আপনার ছেলে এত লম্বা, এত সুন্দর। দেখতেও সুন্দর, আচরণেও সুন্দর আমার ছেলে। কেউ কোনো কিছু বললে, শত ব্যস্ততার মাঝেও তার কথাটা গুরুত্ব দিয়ে শুনত। কখনো বিরক্ত হতো না।

বাসায় আসা মাসুদের বন্ধুদের দিকে তাকিয়ে শুধু চোখের পানি ফেলছিলেন এই অভাগী মা। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলছিলেন, তোমাদের বন্ধু তো আর আমার কাছে আসবে না রে। আর কোনোদিন আসবে না।

স্মৃতি হাতড়ে এই মা বলেন, জন্মের পর থেকে এই বুয়েট পর্যন্ত নিয়ে আসার জন্য আমাদের জীবনের যে কত ত্যাগ, কত কষ্ট! আমার সব কষ্ট আল্লাহ নিয়ে গেল। ছেলের স্কুলজীবন থেকে নিজের সঙ্গে রেখে ছেলেকে বড় করেছি। সকালে অফিস করেছি, বিকেলে এসে ছেলেকে কোচিংয়ে নিয়ে গেছি।

আবার রাতে পাশে বসে থেকে পড়িয়েছি, খাইয়ে দিয়েছি। আমার এত কষ্ট, এত ত্যাগ সব আজ শেষ হয়ে গেছে। এই বাসায় আর থাকতে পারব না। এই বাসার প্রতিটি কোণায় আমার ছেলের স্মৃতি। এই মনে হয় আমার ছেলে এসে আমাকে ডাক দেবে। এভাবে তো এখানে বাঁচতে পারব না। এই বাসা ছেড়ে দিয়ে চলে যাব।

বাবা মাসুদ মিয়া জানান, বুয়েটে কনসার্ট ছিল। সেজন্য আমার মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিল। কথা ছিল ১১টার মধ্যেই চলে আসবে। তার মায়ের সঙ্গে শেষ কথা হয় ১১টায়। তখন জানায় অনুষ্ঠান শেষ হয়নি, এজন্য আজ হলে থাকবে। এরপর কনসার্ট শেষ করে দুই বন্ধুকে নিয়ে ৩০০ ফিট যায় খাওয়ার জন্য।

এ সময় রাস্তায় পুলিশ আটকায় কাগজ দেখার জন্য। পুলিশ সদস্যরা মোটরসাইকেলটি রাস্তার পাশে দাঁড় না করিয়ে, রাস্তার মাঝখানেই দাঁড় করায়। যখন কাগজ দেখাচ্ছিল, তখন মদ্যপ অবস্থায় ওই চালক বেপরোয়াভাবে গাড়ি নিয়ে এসে তাদের ওপর তুলে দেয়। মুহতাসিম মাসুদের শুধু মুখ ছাড়া হাত-পায়ের সব হাড় ভেঙে যায়, মেরুদণ্ডের হাড়ও ভেঙে যায়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যায়।

বাবা মাসুদ মিয়া কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার জীবনের সব শেষ। আমি কীভাবে বেঁচে থাকব জানি না। সব স্বপ্ন-আশা শেষ হয়ে গেছে। আমি আমার ছেলে হত্যার সর্বোচ্চ বিচার চাই। যারা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে আমার ছেলেকে নির্মমভাবে মেরে ফেলেছে আমি তাদের ফাঁসি চাই। তারা যেন কোনোভাবেই পার না পেয়ে যায়।

তিনি বলেন, আমার ছেলেকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করেছি। সরকারের কাছে আমাদের একটা দাবি আছে। সেটি হচ্ছে, কবরের ওই জায়গাটুকু যেন আমার ছেলের জন্যই দেওয়া হয়। বেশি কিছু চাই না, ওই সাড়ে তিন হাত জায়গা নিয়েই বাঁচতে চাই।

এদিকে সহপাঠী নিহত হওয়ার ঘটনায় শনিবার বিক্ষোভ মিছিলে প্রতিবাদমুখর ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তিসহ সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন তারা। ‘আর নয় প্রাণহানি, সড়ক হতে হবে নিরাপদ’—এই দাবি উঠছে শিক্ষার্থীদের সোচ্চার কণ্ঠে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, বিষয়টি সুস্পষ্ট যে, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। বরং চালক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে আমাদের এক সহপাঠীকে হত্যা করেছে এবং দুজনকে গুরুতর আহত করেছে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

আমরা কোনো ধরনের হুমকি পাইনি; কিন্তু সেটেলমেন্টের চেষ্টা করেছেন উনারা। সেটা আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। তারা আরও বলেন, অভিযুক্তদের আইনজীবী গণমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এই হত্যাকাণ্ডকে দুর্ঘটনা বলে অপপ্রচারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমরা এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাই এবং দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাই।’

সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে তারা বলেন, দেশের বিচারব্যবস্থাকে একটি গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করুন; অপরাধী যে পরিবারেরই সদস্য হোক না কেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন, এ ব্যাপারটি ফের প্রতিষ্ঠিত হোক।

হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আহতদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার অবশ্যই বিবাদীপক্ষকে বহন করতে হবে এবং নিহতের যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।