রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

জনআস্থা অর্জনই আধুনিক পুলিশিংয়ের প্রকৃত সফলতা : আইজিপি

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, আধুনিক পুলিশিংয়ের সফলতা শুধু অপরাধ দমন বা অপরাধী গ্রেপ্তারের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা যায় না। বরং জনগণের আস্থা অর্জন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সুরক্ষা, পেশাগত সততা, জবাবদিহিতা এবং নাগরিকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করাই প্রকৃত সফলতা। শনিবার (১৮ জুলাই) পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে মাস্টার অব অ্যাপ্লায়েড ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ […]

জনআস্থা অর্জনই আধুনিক পুলিশিংয়ের প্রকৃত সফলতা : আইজিপি

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

১৮ জুলাই ২০২৬, ২২:২৯

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, আধুনিক পুলিশিংয়ের সফলতা শুধু অপরাধ দমন বা অপরাধী গ্রেপ্তারের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা যায় না। বরং জনগণের আস্থা অর্জন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সুরক্ষা, পেশাগত সততা, জবাবদিহিতা এবং নাগরিকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করাই প্রকৃত সফলতা।

শনিবার (১৮ জুলাই) পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে মাস্টার অব অ্যাপ্লায়েড ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ ম্যানেজমেন্ট (এমএসিপিএম) মাস্টার্স প্রোগ্রামের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ১০ম ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশিংকেও সময়োপযোগী ও আধুনিক হতে হবে। সাইবার অপরাধ, সংগঠিত অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, আর্থিক ও পরিবেশগত অপরাধ, ভুয়া তথ্যের বিস্তার এবং উদীয়মান প্রযুক্তির অপব্যবহারের মতো জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক জ্ঞান, নতুন চিন্তাধারা ও পেশাগত দক্ষতার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, আধুনিক পুলিশ নেতাদের কৌশলগত চিন্তাশীল, দক্ষ ব্যবস্থাপক, নৈতিক নেতৃত্বসম্পন্ন এবং আজীবন শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। পাশাপাশি গবেষণা, তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবমুখী সমাধান উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর কাজী মো. ফজলুল করিম। স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজটির পরিচালক (অ্যাকাডেমিক) সরকার ওমর ফারুক।

সভাপতির বক্তব্যে রেক্টর কাজী মো. ফজলুল করিম আইজিপির উপস্থিতি ও দিকনির্দেশনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে এমএসিএপিএম প্রোগ্রামের ১০ম ব্যাচের সফলতা কামনা করে পুলিশ স্টাফ কলেজকে পুলিশ শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত নেতৃত্বের উৎকর্ষের কেন্দ্র হিসেবে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পুলিশ স্টাফ কলেজ জানায়, মাস্টার অব অ্যাপ্লায়েড ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ ম্যানেজমেন্ট (এমএসিপিএম) এক বছর মেয়াদি এবং দুই সেমিস্টারবিশিষ্ট মাস্টার্স প্রোগ্রাম। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ১০ম ব্যাচে মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, চিকিৎসক, বিচার বিভাগ, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা রয়েছেন। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত নেতৃত্ব বিকাশের ধারাবাহিকতায় নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা হলো।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।