শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাষ্ট্রনায়কোচিত অবদান নিয়ে আরও বিস্তৃত, বস্তুনিষ্ঠ ও উচ্চমানের গবেষণার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয়নি। ইতিহাসের প্রতি যে অবিচার করা হয়েছে, তা দূর করতে তাঁর জীবন, চিন্তা-দর্শন ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর গবেষণা প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়াত সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহর লেখা কিছু গবেষণাধর্মী কাজ ছাড়া জিয়াউর রহমানকে নিয়ে উল্লেখযোগ্য গবেষণা খুব কম হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ ধারণার মাধ্যমে দেশের মানুষের স্বতন্ত্র জাতীয় পরিচয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একই সঙ্গে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, কৃষি ও শিক্ষা খাতের উন্নয়ন, অর্থনীতির পুনর্গঠন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।
গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। তিনি সাংবাদিকদের মুক্তচিন্তা ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন, গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।