শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় শোক প্রস্তাব

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২ জুন) বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় গৃহীত শোকপ্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক অনুলিপি এরই মধ্যে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অনুলিপিতে বলা হয়— চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিধানসভার অধিবেশনে স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু তার শোকবার্তায় প্রয়াত […]

বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় শোক প্রস্তাব

বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় শোক প্রস্তাব

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১০:৩৮

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (২ জুন) বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় গৃহীত শোকপ্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক অনুলিপি এরই মধ্যে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

অনুলিপিতে বলা হয়— চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিধানসভার অধিবেশনে স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু তার শোকবার্তায় প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মৃতিচারণ করেন এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।


স্পিকার বলেন, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়ার ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার একটি হাসপাতালে দীর্ঘ অসুস্থতার পর মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।


বক্তব্যে স্পিকার জানান, ১৯৪৬ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রদেশের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। তিনি দিনাজপুর মিশনারি স্কুল, দিনাজপুর গার্লস স্কুল এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে অধ্যয়ন করেন।

তিনি আরও বলেন, ১৯৮১ সালে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর বেগম খালেদা জিয়া সক্রিয় রাজনীতিতে আসেন। ১৯৮২ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন এবং ১৯৮৪ সালে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।

বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার নেতৃত্ব বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চারটি সাধারণ নির্বাচনে একাধিক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি সবগুলোতেই জয়ী হন। ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে তিনি তিন দফায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

স্পিকার বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, যিনি গণতান্ত্রিক সংস্কার, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নারী ক্ষমতায়নে কাজ করেছেন।

শোকপ্রস্তাব শেষে বিধানসভার সদস্যরা এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন। পরে প্রধান সচিবকে শোকবার্তা পরিবারের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয় এবং অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের অনুলিপি ঢাকায় প্রেরণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সচিবালয়। গত ২ জুন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় গৃহীত শোক প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক অনুলিপি ঢাকায় প্রেরণ করে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সচিবালয়ের পক্ষ থেকে প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি সুমেন্দ্রনাথ দাস স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই শোক প্রস্তাবের অংশবিশেষ পাঠানো হয়। বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে পাঠানো ওই চিঠিতে ঢাকাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনারকে অনুরোধ জানানো হয়, যাতে এটি মরহুমার নিকটাত্মীয়দের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৩ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধিবেশনে গৃহীত শোকপ্রস্তাবে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও অবদানের কথা স্মরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতার মাধ্যমে এই বার্তা মরহুমার পরিবার ও সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।