বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

যারা আন্দোলন করছে, তারা অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়: তারেক রহমান

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তখন বিএনপির আইনজীবী ও চিকিৎসকরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু আজ যারা আন্দোলন ও অবরোধ করছে, তখন তাদের মাঠে দেখা যায়নি। যারা দেশে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে তারা কৃষকের কথা বলে না, খাল খননের কথা বলে না, গ্রামের শিশুর শিক্ষা কিংবা কৃষক কার্ডের […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ মে ২০২৬, ১৮:০৪

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তখন বিএনপির আইনজীবী ও চিকিৎসকরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু আজ যারা আন্দোলন ও অবরোধ করছে, তখন তাদের মাঠে দেখা যায়নি।

যারা দেশে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে তারা কৃষকের কথা বলে না, খাল খননের কথা বলে না, গ্রামের শিশুর শিক্ষা কিংবা কৃষক কার্ডের কথা বলে না। তারা শুধু অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়।

শনিবার (২৩ মে) দুপুরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঐতিহাসিক ধরার খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি রাজধানীতে সংঘটিত একটি শিশুহত্যার ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের মাধ্যমে বিচার করতে হবে। তবে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু গোষ্ঠী এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। রাস্তা অবরোধ, যানবাহন বন্ধ, আগুন ও উত্তেজনা সৃষ্টি করে তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করতে চাইছে। তারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত করছে।

তিনি আরও বলেন, অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে। খাল পুনঃখনন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-খতিবদের সম্মানী, এমনকি শিশুদের স্কুল ড্রেস বিতরণ কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হবে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে গ্রামের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। যারা মানুষের ভোটাধিকার ও কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন দেশের মানুষ উন্নয়ন ও ভাগ্যের পরিবর্তন চায়। বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগাতে হবে। নতুন ব্রিজ, কালভার্ট, স্কুল, কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করতে হবে। দেশ গড়তে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, ধরার খাল শুধু একটি খাল নয়, এটি এই অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। দীর্ঘদিন খালটি ভরাট ও অকার্যকর হয়ে থাকায় কৃষকরা সেচ সংকট, জলাবদ্ধতা এবং উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার মতো নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। প্রায় ৪৫ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজে এই খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন।

উপস্থিত প্রবীণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাদের বয়স ষাটের বেশি, তাদের অনেকেরই সেই স্মৃতি এখনও মনে থাকার কথা। খাল পুনঃখনন সম্পন্ন হলে অন্তত ৪ হাজার ৩০০ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন এবং প্রায় ২০ হাজার মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সরকারপ্রধান বলেন, পুরো ময়মনসিংহ জেলায় প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার খাল রয়েছে, যেগুলো পুনঃখনন প্রয়োজন। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে এসব উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, আপনারা বিএনপিকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করেছেন। আমাদের লক্ষ্যই ছিল মানুষের উপকার করা। খাল খনন করলে কৃষক উপকৃত হবে, গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে।

সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী করতে পরিবারভিত্তিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং সরাসরি মায়েদের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে দেশের কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। তিনি জানান, দেশের প্রায় দুই কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের কাছে পর্যায়ক্রমে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে তারা সরাসরি সরকারি সহায়তা পেতে পারেন।

তিনি বলেন, বিএনপি সরকার শুধু কৃষি নয়, শিক্ষা খাতেও গুরুত্ব দিচ্ছে। গ্রামীণ অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্য নতুন স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী জুলাই মাস থেকে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এসব বিতরণ করা হবে বলে তিনি জানান। তার ভাষ্য, গ্রামের ছোট ছোট শিশুরা যেন সুন্দর পোশাক পরে স্কুলে যেতে পারে, সেটাই সরকারের লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মসজিদের ইমাম-খতিব, মাদ্রাসার শিক্ষক এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্যও সম্মানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ধর্মীয় ব্যক্তিরা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং তাদের সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।

দেশের তরুণ সমাজের কর্মসংস্থানের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশে অসংখ্য শিক্ষিত তরুণ-তরুণী থাকলেও অনেকের কর্মসংস্থান নেই। এজন্য সরকার কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন নতুন টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণদের দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, যেমন একটি সংসারে নানা সমস্যা থাকে, তেমনি একটি দেশেও নানা সমস্যা থাকে। এক দিনে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। ২০ কোটি মানুষের এই বিশাল রাষ্ট্রে ধাপে ধাপে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়েই সরকার দেশ পরিচালনা করতে চায়।

খাল পুনঃখনন উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ত্রিশাল আসনের এমপি ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, কৃষক, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং তিন দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ত্রিশালের নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগদান করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম জাতীয়ভাবে ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবকে কেন্দ্র করে নজরুল একাডেমি মাঠে বসেছে বিশাল গ্রামীণ মেলা ও নজরুল বইমেলা। পাঁচ শতাধিক স্টল বসানো হয়েছে সেখানে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।