বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

নগরীর রাস্তায় ফিরেছে ট্রাফিক পুলিশ, শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

  শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও পুলিশের কর্মবিরতিতে রাজধানী ঢাকার সড়কে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। টানা একসপ্তাহ পর অবশেষে সোমবার থেকে ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালন শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে স্বাভাবিক হচ্ছে রাজধানীর ট্রাফিক পরিস্থিতি। এত দিন রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে থাকা শিক্ষার্থীরা ফিরতে শুরু করেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। দীর্ঘ ছয় দিন পরে কর্মবিরতি শেষে ট্রাফিক […]

নগরীর রাস্তায় ফিরেছে ট্রাফিক পুলিশ, শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

নগরীর রাস্তায় ফিরেছে ট্রাফিক পুলিশ, শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

নিউজ ডেস্ক

১৪ আগস্ট ২০২৪, ১৮:৪১

 

শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও পুলিশের কর্মবিরতিতে রাজধানী ঢাকার সড়কে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। টানা একসপ্তাহ পর অবশেষে সোমবার থেকে ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালন শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে স্বাভাবিক হচ্ছে রাজধানীর ট্রাফিক পরিস্থিতি। এত দিন রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে থাকা শিক্ষার্থীরা ফিরতে শুরু করেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। দীর্ঘ ছয় দিন পরে কর্মবিরতি শেষে ট্রাফিক পুলিশদের অনেকেই রাস্তা ও যানযট নিরসনে কাজ করা শুরু করেছেন। তাদের সহযোগিতায় করছেন স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট, তিন বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর সদরঘাট, তাঁতীবাজার, বাবুবাজার, গুলিস্তান, নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, শাহবাগ, পল্টন মোড়সহ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। রাজধানীর ব্যস্ততম সড়ক শাহবাগ ও পুরাতন পল্টন মোড়ের সিগন্যাল। সেখানে ট্রাফিক পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সাথে যানযট নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে শিক্ষার্থীরাও। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় কমছে নগরীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে থাকা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা।

পুরানা পল্টন ও সচিবালয় এলাকার দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের সদস্য মো. হাফিজুর রহমান বলছেন, চলতি সপ্তাহের মাঝেই পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে ট্রাফিক পরিস্থিতি। আজ রাজধানীর প্রায় সকল এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ কাজ করছে স্বাভাবিক ভাবে। এখন কোন ধরনের কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেনি। শিক্ষার্থীরা আমাদের সহযোগী করছে। তাদের সহযোগিতা ও আমাদের চেষ্টায় এখনো স্বাভাবিক আছে যান চলাচল। নগরবাসী নির্বিঘ্নে যাতায়াত করছে।

নীলক্ষেত মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের সাথে রাস্তার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহযোগিতা করা শিক্ষার্থী মো. মাসুদ রানা বলেন, ট্রাফিক পুলিশদের সহযোগিতা করতেই আমরা শিক্ষার্থীরা রাস্তায় আছি।

নগরীর রাস্তায় ফিরেছে ট্রাফিক পুলিশ, শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ জবি শিক্ষার্থী সাজিদের জানাজা হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে
পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে গেলে আমরা ক্লাসে ফিরব। তবে আজ শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে গেছে। এর মূল কারণ বর্তমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো খুলে গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস- পরীক্ষা শেষ করে আবসর সময় রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের সাথে কাজ করছে শিক্ষার্থীরা।

গত সোমবার থেকে ট্রাফিক পুলিশ কাজে যোগদান করায় সড়কে কমেছে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা। তবে এখনো কিছু কিছু সড়কে ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা করছেন শিক্ষার্থীরা।এদিন রাজধানীর সব সড়কেই দেখা গেছে যানবাহনের উপস্থিতি। গণপরিবহনের সংখ্যাও অনেক বেড়েছে। সদরঘাট এলাকায় সড়ক শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছেন মহানগর মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা। জাকিয়া  বলেন, রাস্তায় গাড়ির উপস্থিতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজটও বেড়েছে। ট্রাফিক পুলিশ আছে। আমরাও তাদের সহযোগিতা করছি। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ট্রাফিক পুলিশের সাথে কাজ করছে আনসার সদস্যরাও।

নীলক্ষেত মোড়ে যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনকাল করছেন আনসার সদস্য সৈয়েদ আলী। তিনি বলেন, গত কয়েকদিনের তুলনায় আজ রাজধানীতে বেরোচ্ছে যান চলাচল। সড়কের বিশৃঙ্খলা রোধে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্যরাও কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে আমরা সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।