টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড পাওয়া কবির হোসেন-কে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তি নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। প্রথমে এআই-নির্ভর ছবি ও আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে তাকে ‘অপ্রকৃত কৃষক’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও, সরেজমিন তদন্তে উঠে এসেছে ভিন্ন বাস্তবতা।
তারেক রহমান-এর হাত থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের পরপরই কবির হোসেনকে নিয়ে অনলাইনে বিতর্ক শুরু হয়। তবে স্থানীয় প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং এলাকাবাসীর বক্তব্যে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, তিনি একজন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক।
কবির হোসেনের রয়েছে স্বল্প পরিমাণ নিজস্ব জমি, পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে বর্গা চাষ করে আসছেন। তার বসতবাড়ি সাধারণ টিনশেড এবং জীবিকার জন্য সবজি চাষ ও গবাদিপশু পালন করেন। এছাড়া অতিরিক্ত আয়ের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি করেন, যা অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি করেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিদর্শন ও জেলা প্রশাসনের তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে, তিনি ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতিমালা ২০২৫’ অনুযায়ী যোগ্য। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।
সব মিলিয়ে, এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব নতুন করে সামনে এনেছে।