মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে জ্বালানি উৎস খুঁজছে সরকার

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশও জ্বালানি সংস্থান-আমদানি নিয়ে সংকটে পড়েছে। সেই সংকট মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের দেশগুলো থেকেও জ্বালানি তেল আমদানির চেষ্টা করছে বিএনপি সরকার। সরবরাহে ধাক্কা, বাজারে অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা—এই তিনের চাপের কারণে শিগগিরই তথা আগামী এপ্রিল-মে-জুন মাসে সরবরাহ নিশ্চয়তা চায় সরকার। কিন্তু বিকল্প উৎসগুলো বাংলাদেশে রপ্তানির ব্যাপারে আগ্রহী […]

মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে জ্বালানি উৎস খুঁজছে সরকার

মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে জ্বালানি উৎস খুঁজছে সরকার

নিউজ ডেস্ক

৩০ মার্চ ২০২৬, ১০:২৪

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশও জ্বালানি সংস্থান-আমদানি নিয়ে সংকটে পড়েছে। সেই সংকট মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের দেশগুলো থেকেও জ্বালানি তেল আমদানির চেষ্টা করছে বিএনপি সরকার। সরবরাহে ধাক্কা, বাজারে অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা—এই তিনের চাপের কারণে শিগগিরই তথা আগামী এপ্রিল-মে-জুন মাসে সরবরাহ নিশ্চয়তা চায় সরকার। কিন্তু বিকল্প উৎসগুলো বাংলাদেশে রপ্তানির ব্যাপারে আগ্রহী হলেও শিগগিরই সরবরাহের নিশ্চয়তা তেমন দিচ্ছে না। এলএনজি ও এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রেও একই ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

দেশে তেল-গ্যাস আমদানিতে মধ্যপ্রাচ্য-নির্ভরতা অপেক্ষাকৃত বেশি। অপরিশোধিত তেল এবং এলএনজির প্রায় ৮০ ভাগ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। বেসরকারি কোম্পানিগুলোর এলপিজি আমদানির অর্ধেকের বেশিও একই এলাকা থেকে। যুদ্ধ শুরুর পর ঐ অঞ্চল থেকে হরমুজ প্রণালি হয়ে জ্বালানি আমদানি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। ইরান বাংলাদেশের জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তার আশ্বাস দিলেও জ্বালানি স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলার কারণে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার কোনো নিশ্চিত সময়সীমা নেই। বিভিন্ন উন্নত দেশও মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের বিকল্পগুলো ঝুঁকে যাওয়ায় বাংলাদেশের জন্য প্রতিযোগিতা বেড়ে গেছে।

জ্বালানি বিভাগ ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে বিপিসি। সংস্থাটি ইতিমধ্যে ১১টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করেছে। প্রায় সব প্রতিষ্ঠান আগ্রহ জানালেও শিগগিরই সরবরাহ প্রতিশ্রুতি দিতে পারেনি অধিকাংশই। এখন পর্যন্ত দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিশ্চিত সরবরাহের অনুমোদন মিলেছে। এপি এনার্জি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল এবং সুপারস্টার ইন্টারন্যাশনাল (গ্রুপ) থেকে ২ লাখ টন ডিজেল আমদানি করা হবে। প্রথমটি প্রতি ব্যারেলে তিন ডলার এবং দ্বিতীয়টি প্রতি টনে সর্বোচ্চ ৪০ ডলার ছাড় দেবে। তবে অন্য প্রস্তাবগুলো এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এ অ্যান্ড এ এনার্জি অয়েল অ্যান্ড গ্যাস কাজাখস্তান থেকে ২ লাখ টন ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব দিলেও চালান নিশ্চিত হয়নি। একইভাবে পেট্রোগ্যাস ইন্টারন্যাশনাল, বিজেএন গ্রুপ, আইএল টেক ভেনচারস এবং ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনালসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব দিয়েছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরবরাহ সূচি অনির্দিষ্ট।

বিপিসির এক কর্মকর্তা জানান, ২০২২ সালের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময়ও বাংলাদেশ একই ধরনের বিকল্প উৎস খুঁজেছিল। ২০২২ সালের মতো এবারও রাশিয়া থেকে তেল আমদানির আলোচনা ওঠে। কিন্তু দেশে সেই তেল পরিশোধনের সক্ষমতা থাকায় সে আলোচনা আর এগোয়নি। তখন বহু প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব দিলেও শেষ পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারেনি। বর্তমান পরিস্থিতিতেও সেই অভিজ্ঞতা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। তবে এবার ব্যাপক পরিসরে আলোচনা চলায় দুই-তিনটি বিকল্প উৎস থেকে চাহিদার কিছুটা হলেও সরবরাহ পাওয়ার আভাস মিলছে।

কাজাখস্তান ও নাইজেরিয়া থেকে দীর্ঘ মেয়াদে আমদানির চিন্তা

সরকার এখন কৌশলগতভাবে জ্বালানি উৎস বৈচিত্র্যকরণের পথে হাঁটছে। কাজাখস্তান ও নাইজেরিয়ার সঙ্গে সরকার-থেকে-সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কাজাখস্তানের বড় হাইড্রোকার্বন মজুত, স্থিতিশীল উত্পাদন এবং রপ্তানি সক্ষমতা রয়েছে। একইভাবে আফ্রিকার বৃহত্তম তেল উত্পাদক নাইজেরিয়ার সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ দুই দেশ থেকে আমদানিতে পরিবহন খরচ কিছুটা বেশি হলেও জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখার কৌশল বাস্তবায়নে সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এলপিজিতেও অনিশ্চয়তা

দেশে প্রতি মাসে এলপিজির চাহিদা প্রায় দেড় লাখ টন। এর ৯৯ শতাংশ সরবরাহ করে বেসরকারি খাত। কিন্তু হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে এলপিজি আমদানি প্রায় বন্ধ। যুদ্ধ শুরুর পর মার্চ মাসে মাত্র একটি জাহাজ এসেছে ঐ অঞ্চল থেকে। ফলে বিকল্প উৎস থেকে এলপিজি আনার চেষ্টা করছে কোম্পানিগুলো। কিন্তু এক্ষেত্রে জাহাজভাড়া এবং প্রিমিয়াম বেড়ে গেছে। তাই বেশি মূল্যে এলপিজি আনতে হবে। দেশে কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানি গত দুই-তিন বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলপিজি আমদানি করছে। ঐ কোম্পানিগুলো ছাড়া বাকিরা আমদানি শিডিউলেও পিছিয়ে পড়ায় এপ্রিল ও মে মাসে দেশে এলপিজি আমদানিও কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে বিপিসি এলপিজি আমদানির চেষ্টা করলেও গত প্রায় দুই মাসে সেটিও চূড়ান্ত করা যায়নি।

এলএনজি সরবরাহেও চাপ

দেশে দৈনিক প্রায় ৪৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে ২৭০ কোটি ঘনফুটের মতো। এর মধ্যে ৯০-৯৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি থেকে আসে। মার্চে এটি কমে ৮০-৮৫ কোটি ঘনফুটে নেমেছে। এপ্রিল-মে মাসে এটি আরও কমার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এদিকে বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। যুদ্ধের আগে প্রতি ইউনিট এলএনজির দাম ছিল ১০ ডলারের মতো থাকলেও তা এখন ২০-২৪ ডলারে ওঠানামা করছে। চলতি অর্থবছরে ১১৫টি এলএনজি কার্গো আমদানির পরিকল্পনা থাকলেও কাতার ও ওমান থেকে সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে বাংলাদেশ এখন অ্যাঙ্গোলা, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার মতো নতুন উৎসের দিকে ঝুঁকছে। পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানান, চলতি মাসে আটটি এলএনজিবাহী জাহাজ এসেছে। এপ্রিলে মোট ৯টি জাহাজ আসার সময়সূচি চূড়ান্ত হয়েছে। প্রতিটি জাহাজে প্রায় ৩ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস থাকে। ফলে এপ্রিল পর্যন্ত বড় ধরনের ঘাটতি হবে না বলে আশা করা যায়।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।