শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

আয়নাঘরের রূপকার সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদের যত অপকর্ম

এক-এগারো পরবর্তী সময় থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমল—দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সাবেক ডিজিএফআই প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে গুম, নির্যাতন, নজরদারি ও আর্থিক অনিয়মসহ নানা গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। সর্বশেষ গ্রেফতারের পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের দীর্ঘ তালিকা। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর পল্লবী ডিওএইচএস […]

আয়নাঘরের রূপকার সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদের যত অপকর্ম

আয়নাঘরের রূপকার সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদের যত অপকর্ম

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ১২:১৭

এক-এগারো পরবর্তী সময় থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমল—দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সাবেক ডিজিএফআই প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে গুম, নির্যাতন, নজরদারি ও আর্থিক অনিয়মসহ নানা গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। সর্বশেষ গ্রেফতারের পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের দীর্ঘ তালিকা।


বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর পল্লবী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আয়নাঘরের নেপথ্যের কারিগর

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শেখ মামুন খালেদকে বহুল সমালোচিত ‘আয়নাঘর’-এর রূপকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তার সময়েই গোপন আটককেন্দ্র স্থাপন করে বিরোধী মতের ব্যক্তিদের ধরে এনে নির্যাতন ও গুমের সংস্কৃতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।

২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআই-এর মহাপরিচালক থাকাকালে তিনি ব্যাপক ফোনে আড়ি পাতা, ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ এবং সেগুলো ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করার অভিযোগে অভিযুক্ত।

এক-এগারো থেকে শুরু

২০০৭ সালের এক-এগারোর সময় সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ডিজিএফআইয়ের ফোর্সেস সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (এফএসআইবি) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ওই সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

বিশেষ করে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন সূত্রে।

রাজনৈতিক ও আলোচিত ঘটনাগুলো

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাসা থেকে উচ্ছেদের ঘটনাতেও তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১০ সালের ওই অভিযানে ডিজিএফআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এছাড়া বিএনপি নেতা চৌধুরী আলম গুমের ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। রাজধানীর ফার্মগেট এলাকা থেকে গুম হওয়া চৌধুরী আলম আজও নিখোঁজ।

ব্যবসায়ী জিম্মি ও নজরদারি

সূত্র বলছে, তার সময় ব্যাপকভাবে ফোনে আড়ি পাতা হতো। রাজনৈতিক নেতা ছাড়াও ব্যবসায়ীদের ব্যক্তিগত কথোপকথন রেকর্ড করে তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজানোর অভিযোগও দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত।

আর্থিক অনিয়ম ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সেনা কর্মকর্তাদের জন্য নির্মিত জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের শতকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ তদন্তে তার বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তিনি বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন এবং এর একটি অংশ বিদেশে পাচার করেন।

তার ও তার স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালতের নির্দেশে তাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে।

দুদকের মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো এখনো অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে, এখনো মামলা দায়ের হয়নি।

দুদকের অনুসন্ধান চলমান থাকলেও দীর্ঘ সময় তিনি রাজধানীর পল্লবীর নিজ বাসায় নির্বিঘ্নে অবস্থান করছিলেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অবশেষে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এক-এগারো এবং পরবর্তী সময়ের বহু আলোচিত গুম, নির্যাতন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ঘটনা নতুন করে সামনে আসতে পারে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।