মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

আগের আপিল বিভাগের মতো কোনো রায় দিতে চাই না, যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে : প্রধান বিচারপতি

পঞ্চদশ সংশোধনী বিষয়ে এমন কোনো রায় দিতে চান না, যা ভবিষ্যতে প্রশ্নের মুখে পড়বে—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। বৃহস্পতিবার সকালে পঞ্চদশ সংশোধনীর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি এই মন্তব্য করেন। শুনানির শুরুতে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ বর্তমান অবস্থায় থাকা প্রয়োজন, আর কিছু […]

নিউজ ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:১৫

পঞ্চদশ সংশোধনী বিষয়ে এমন কোনো রায় দিতে চান না, যা ভবিষ্যতে প্রশ্নের মুখে পড়বে—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। বৃহস্পতিবার সকালে পঞ্চদশ সংশোধনীর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি এই মন্তব্য করেন।

শুনানির শুরুতে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ বর্তমান অবস্থায় থাকা প্রয়োজন, আর কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব পরবর্তী সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধান বিচারপতি জানতে চান, জামায়াতের আইনজীবীরা যেমন বলেছেন—শুনানি মুলতবি রেখে সংশোধনীটি ভবিষ্যৎ সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত কি না, সে বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের মত কী।

জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, রাষ্ট্রপক্ষ চায় এই মামলার শুনানি এখনই পুরোপুরি শেষ হোক এবং আপিল বিভাগ থেকে একটি চূড়ান্ত রায় আসুক। তবে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা আগের আপিল বিভাগের মতো এমন কোনো রায় দিতে চাই না, যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। নতুন আপিল বিভাগ গঠিত হলে সেখানে শুনানি হলে কেমন হয়? অথবা দীর্ঘ মুলতবি দিলে তো সবাই সুবিধা পায়।”

পরে রাষ্ট্রপক্ষ আবার শুনানি শুরু করে জানায়—তারা আজই মূল শুনানি শেষ করবে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদ পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে। এতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই সংশোধনী ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হলে পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে গত বছর হাইকোর্টে দুটি পৃথক রিট আবেদন করা হয়। একটি সুজন সম্পাদকসহ পাঁচ নাগরিকের, অন্যটি নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেনের। হাইকোর্ট ১৭ ডিসেম্বর চূড়ান্ত রায় দেয়।

সেই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানিই এখন আপিল বিভাগে চলছে, আর এর মধ্যেই প্রধান বিচারপতির সতর্ক মন্তব্য নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাকে বন্দি করে কয়েকদিন আমার অধীনে রাখা হয়েছিল : ট্রাইব্যুনালে আযমী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৫২

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর প্রশ্নের জবাবে আযমী বলেন, ১৯৮৩ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে ঢাকার হেয়ার রোডের একটি বাড়িতে শেখ হাসিনাকে কয়েকদিন আটক রাখা হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, ওই সময় আওয়ামী লীগের নেত্রী মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকেও সেখানে রাখা হয়। মামলায় মোট ১৩ জন আসামি রয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন।

প্রসিকিউশন পক্ষের আইনজীবীরা এ মামলায় রাষ্ট্রের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করছেন। আদালতে এই জেরা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আইন-আদালত

ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান। হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সব […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৪০

বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান।

হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

আইনি নোটিশের বিষয়টি নিজে ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘হামের মতো টিকাকরণের ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে প্রাইভেট খাতে দেওয়ার অশুভ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেছি।’

আইন-আদালত

খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে দেননি সেনা কর্মকর্তা নাছের : আদালতকে রাষ্ট্রপক্ষ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর চিকিৎসা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মো. আফজাল নাছের-এর বিরুদ্ধে। রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাবি করেছে, তিনি খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বাধা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিমান্ড শুনানির সময় এ অভিযোগ তুলে ধরেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী। তিনি […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ মার্চ ২০২৬, ২১:০৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর চিকিৎসা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মো. আফজাল নাছের-এর বিরুদ্ধে। রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাবি করেছে, তিনি খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বাধা দেন।

সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিমান্ড শুনানির সময় এ অভিযোগ তুলে ধরেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী। তিনি বলেন, ২০০৬-২০০৮ সময়ে ডিজিএফআইয়ে দায়িত্ব পালনকালে আফজাল নাছের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনে জড়িত ছিলেন এবং পরবর্তীতেও বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটান।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, অসুস্থ অবস্থায় খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলেও প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে থাকা নাছের চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করেন। এ ছাড়া তিনি তৎকালীন রাজনৈতিক দমন-পীড়নের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলাল উদ্দিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মামলায় সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই এবং তার মক্কেলকে অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে। তিনি রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন জানান।

শুনানি শেষে আদালত আফজাল নাছেরের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।