মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

প্রধান বিচারপতির মসনদে জুবায়ের রহমান চৌধুরী

বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় যুক্ত হলো। দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বুধবার সকালে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সরকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয়ের নেতৃত্বে আসছেন একজন অভিজ্ঞ ও প্রাজ্ঞ বিচারক। বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর আপিল বিভাগে কর্মরত জুবায়ের রহমান চৌধুরী আগামী […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৫৪

বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় যুক্ত হলো। দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বুধবার সকালে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সরকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয়ের নেতৃত্বে আসছেন একজন অভিজ্ঞ ও প্রাজ্ঞ বিচারক।

বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর আপিল বিভাগে কর্মরত জুবায়ের রহমান চৌধুরী আগামী ২৮ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন। সংবিধান অনুযায়ী, বিদায়ী প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন। ওইদিন তার বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হবে।

দীর্ঘ বিচারিক জীবনে জুবায়ের রহমান চৌধুরী সততা, পেশাদারিত্ব ও সাংবিধানিক ব্যাখ্যায় সুদৃঢ় অবস্থানের জন্য পরিচিত। তিনি ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। পরবর্তীতে ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান এবং দুই বছর পর তার নিয়োগ স্থায়ী হয়।

বিচারিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন। আপিল বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও নজির স্থাপনকারী রায়ে যুক্ত ছিলেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরও একটি মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন, যা তার বিচারিক দৃষ্টিভঙ্গিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সমৃদ্ধ করেছে।

প্রধান বিচারপতি হিসেবে জুবায়ের রহমান চৌধুরীর দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নতুন গতি আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাকে বন্দি করে কয়েকদিন আমার অধীনে রাখা হয়েছিল : ট্রাইব্যুনালে আযমী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৫২

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর প্রশ্নের জবাবে আযমী বলেন, ১৯৮৩ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে ঢাকার হেয়ার রোডের একটি বাড়িতে শেখ হাসিনাকে কয়েকদিন আটক রাখা হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, ওই সময় আওয়ামী লীগের নেত্রী মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকেও সেখানে রাখা হয়। মামলায় মোট ১৩ জন আসামি রয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন।

প্রসিকিউশন পক্ষের আইনজীবীরা এ মামলায় রাষ্ট্রের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করছেন। আদালতে এই জেরা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আইন-আদালত

ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান। হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সব […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৪০

বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান।

হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

আইনি নোটিশের বিষয়টি নিজে ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘হামের মতো টিকাকরণের ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে প্রাইভেট খাতে দেওয়ার অশুভ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেছি।’

আইন-আদালত

খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে দেননি সেনা কর্মকর্তা নাছের : আদালতকে রাষ্ট্রপক্ষ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর চিকিৎসা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মো. আফজাল নাছের-এর বিরুদ্ধে। রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাবি করেছে, তিনি খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বাধা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিমান্ড শুনানির সময় এ অভিযোগ তুলে ধরেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী। তিনি […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ মার্চ ২০২৬, ২১:০৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর চিকিৎসা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মো. আফজাল নাছের-এর বিরুদ্ধে। রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাবি করেছে, তিনি খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বাধা দেন।

সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিমান্ড শুনানির সময় এ অভিযোগ তুলে ধরেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী। তিনি বলেন, ২০০৬-২০০৮ সময়ে ডিজিএফআইয়ে দায়িত্ব পালনকালে আফজাল নাছের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনে জড়িত ছিলেন এবং পরবর্তীতেও বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটান।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, অসুস্থ অবস্থায় খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলেও প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে থাকা নাছের চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করেন। এ ছাড়া তিনি তৎকালীন রাজনৈতিক দমন-পীড়নের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলাল উদ্দিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মামলায় সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই এবং তার মক্কেলকে অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে। তিনি রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন জানান।

শুনানি শেষে আদালত আফজাল নাছেরের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।