রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

তিন সাংবাদিককে জামায়াত আইনজীবীর হেনস্তা, কারাগারে পাঠাতে চাইলেন বিচারক

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে জামায়াতপন্থী কিছু আইনজীবীর হাতে তিন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন। পরবর্তীতে ওই তিন সাংবাদিককে আদালতে তলব করে কাঠগড়ায় দাঁড় করান ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এবং তাদের কারাগারে পাঠানোর হুমকি দেন। পরে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার শর্তে সাংবাদিকদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটি […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:২১

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে জামায়াতপন্থী কিছু আইনজীবীর হাতে তিন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন। পরবর্তীতে ওই তিন সাংবাদিককে আদালতে তলব করে কাঠগড়ায় দাঁড় করান ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এবং তাদের কারাগারে পাঠানোর হুমকি দেন।

পরে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার শর্তে সাংবাদিকদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটি (সিআরইউ)। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও ফুটেজ সূত্রে জানা যায়, বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের মৃত্যু মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। ওইদিন আদালতে হাজির হন ফারদিনের বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরা এবং তার বাবা নুর উদ্দিন রানা। বুশরা আদালত থেকে বের হওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমের তিন কর্মী—কালের কণ্ঠের মাসুদ রানা, একুশে টিভির আরিফুল ইসলাম ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের আরিফুল ইসলাম—ভিডিও ধারণ করতে যান।

এসময় জামায়াতপন্থী আইনজীবী ও আইনজীবী সমিতির সদস্য রেজাউল হক রিয়াজ এবং হাতিরঝিল থানা জামায়াতের রোকন হিসেবে পরিচিত আইনজীবী আক্তারুজ্জামান ডালিমসহ কয়েকজন ভিডিও ধারণে বাধা দেন। সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্বের কথা জানালে তাদের প্রতি আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ওই আইনজীবীরা।

এক পর্যায়ে আইনজীবীরা সাংবাদিকদের বিচারকের সামনে নিয়ে যাওয়ার দাবি তোলে এবং জোর করে আদালতের সামনে ঘেরাও করে। অভিযোগ অনুযায়ী, আক্তারুজ্জামান ডালিম এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং মামলার বাদী নুর উদ্দিন রানাকেও হুমকি দেন।

এরপর ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস আদালতে তিন সাংবাদিককে ডেকে এনে কাঠগড়ায় দাঁড় করান। এসময় রেজাউল হক রিয়াজ ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। সাংবাদিকদের পরিচয় জানার পর বিচারক বলেন, “আপনারা আদালতের পরিবেশ নষ্ট করেছেন, এখন আপনাদের কারাগারে পাঠানো হবে।

কিছুক্ষণ পর তিনি বলেন, আপনারা নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলে ছেড়ে দেওয়া হবে, নইলে জেলে যেতে হবে। পরে সাংবাদিকরা ক্ষমা চাইলে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।

মাসুদ রানা বলেন, আমরা কেবল ভিডিও নিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু কয়েকজন আইনজীবী আমাদের বাধা দেয় এবং বিচারকের কাছে নিয়ে যায়। বিচারক আমাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে বলেন, সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হবে। পরে ক্ষমা চাওয়ার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম বলেন, “ভিডিও ধারণে বাধা দিলে একজন আইনজীবী আমার ফোন কেড়ে নেয়। আমাদের বিরুদ্ধে অযথা অভিযোগ তোলা হয় এবং জোর করে বিচারকের সামনে দাঁড় করানো হয়। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই হুমকি দেওয়া হয়।”

আইনজীবী আক্তারুজ্জামান ডালিম বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছিল, পরে বিচারক ডেকে মীমাংসা করেন। রেজাউল হক রিয়াজ জানান, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল, এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।

ঢাকা কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি লিটন মাহমুদ বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এমন আচরণ দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তারা শুধুমাত্র পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন, আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার মতো কোনো আচরণ করেননি।

তিনি আরও বলেন, বিচারক হাসিব উল্লাহ পিয়াসের অতিউৎসাহী মনোভাব অগ্রহণযোগ্য। আমরা তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ও অপসারণের দাবি জানাচ্ছি। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হবে

আইন-আদালত

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন। শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, […]

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৩:১৪

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ঋণখেলাপিদের কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আপিল বিভাগের এ সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ঋণখেলাপি যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে শিশির মনির বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় এবং নির্বাচন কমিশনের আইনগত পদক্ষেপের ওপর।

উল্লেখ্য, আপিল বিভাগ ঋণখেলাপির অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করায় তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না। আদালতের এ রায়ের পর চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

আইন-আদালত

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে […]

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৮:৩০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে প্রসিকিউশন ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ শুরু থেকেই তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে এসেছে। তবে ট্রাইব্যুনালের ঘোষিত রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট নয়। তাই পূর্ণাঙ্গ রায় পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করার কারণেই হাসানুল হক ইনুকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার ভাষ্য, মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে বাস্তব ঘটনার অসঙ্গতি রয়েছে এবং আইনগত বিষয়গুলো উচ্চ আদালতে পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মঙ্গলবার কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে ইনুকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। বাকি পাঁচটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ

পারিবারিক সম্পত্তির দখল ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৯ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। তথ্যটি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী কফিল মাহমুদ রায়হান জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালতে তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ জুন ২০২৬, ২২:৩৬

পারিবারিক সম্পত্তির দখল ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৯ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

তথ্যটি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী কফিল মাহমুদ রায়হান জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালতে তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

তুরিন আফরোজের ভাই বাদী শাহ নেওয়াজ আহাম্মদের অভিযোগ, অভিযুক্ত তুরিন আফরোজ প্রভাব খাটিয়ে এবং জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেছেন।

অভিযোগের তথ্যানুযায়ী, তাদের বাবা মারা যাওয়ার পর তুরিন আফরোজ জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ভুয়া হলফনামা তৈরি করে সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন। এ ছাড়া তিনি প্রভাব খাটিয়ে বাদীর মায়ের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও দলিলপত্র নিয়ে যান বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, তুরিন আফরোজ বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন, যার ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

নথিপত্রে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থানের কারণে বাদীর মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে। তদন্ত শেষে পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।