বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ইসলাম ও জীবন

থার্টি ফার্স্ট নাইট প্রসঙ্গে ইসলাম কী বলে?

৩১ ডিসেম্বর, রাত ১২টা। সারা পৃথিবী জুড়ে শুরু হবে এক নতুন বছরের আগমন। পটকা আর তারায় ঝলমলিয়ে উঠবে আকাশ, রঙিন আলোয় সেজে উঠবে পৃথিবী, মানুষ হবে উচ্ছ্বসিত, গাইবে `হ্যাপি নিউ ইয়ার’। কিন্তু এই মুহূর্তে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। ইসলাম কী থার্টি ফার্স্ট নাইট বা নববর্ষ উৎসবকে সমর্থন করে? কীভাবে আমরা একজন মুসলিম হিসেবে এই […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৭:৫৬

৩১ ডিসেম্বর, রাত ১২টা। সারা পৃথিবী জুড়ে শুরু হবে এক নতুন বছরের আগমন। পটকা আর তারায় ঝলমলিয়ে উঠবে আকাশ, রঙিন আলোয় সেজে উঠবে পৃথিবী, মানুষ হবে উচ্ছ্বসিত, গাইবে `হ্যাপি নিউ ইয়ার’। কিন্তু এই মুহূর্তে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। ইসলাম কী থার্টি ফার্স্ট নাইট বা নববর্ষ উৎসবকে সমর্থন করে? কীভাবে আমরা একজন মুসলিম হিসেবে এই দিনটি উদ্‌যাপন করবো?

এই বিষয়ে কুরআন ও হাদিসে যা বলা হয়েছে তা সংক্ষেপে তুলে ধরবো । ইনশাআল্লাহ ।

নববর্ষ উৎসবের ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় ফিরলে দেখা যায়, থার্টি ফার্স্ট নাইট বা ইংরেজি নববর্ষের উৎসব প্রথম শুরু হয়েছিল খ্রিষ্টপূর্ব ৪৬ সালে, যখন রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার প্রথম ইংরেজি ক্যালেন্ডারের প্রবর্তন করেন। পরবর্তীতে ১৫৮২ সালে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু হওয়ার পর, সারা বিশ্বে ১ জানুয়ারি দিনটিকে নববর্ষ হিসেবে উদ্‌যাপন করা শুরু হয়।

ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে থার্টি ফার্স্ট নাইট

ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে, থার্টি ফার্স্ট নাইট বা ইংরেজি নববর্ষ উদ্‌যাপন একেবারেই সমর্থিত নয়। ইসলামে এমন সব উৎসব ও অনুষ্ঠান বর্জন করা হয়েছে, যা অন্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও কুসংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত। নববর্ষ উদ্‌যাপনের সাথে যুক্ত হয় নানান অবৈধ কর্মকাণ্ড, যেমন: মদ্যপান, অশালীন আচরণ, অশ্লীলতা এবং জিনা ব্যভিচারে নোংরা পথ, যা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেন,فَمَن يَعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّةٍ خَيۡرً۬ا يَرَهُ ۥ (٧) وَمَن يَعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّةٍ۬ شَرًّ۬ا يَرَهُ ۥ (٨)

যে ব্যক্তি অণু পরিমাণ সৎকর্ম করবে, সে তা দেখতে পাবে, এবং যে ব্যক্তি অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করবে, সে তাও দেখতে পাবে।(সূরা যিলযাল,আয়াত: ৭-৮)

অপর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ
হে মুমিনগণ, তোমরা তোমাদের দৃষ্টি নত রাখো এবং তোমাদের লজ্জাস্থান হেফাজত করো। এতে তোমাদের জন্য অধিক পবিত্রতা রয়েছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তায়ালা তা জানেন।(সূরা নূর,আয়াত: ৩০)

এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, আমাদের ছোট-বড় প্রতিটি কাজের ফলাফল আমরা পাবো, এবং সেই কাজ যদি পাপযুক্ত হয়, তবে তা আমাদের জন্য ক্ষতিকর হবে।

বিজাতিদের উৎসব পালনে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

নববর্ষ উদ্‌যাপনের মাধ্যমে অন্য ধর্মের সংস্কৃতি ও আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা মুসলিমদের জন্য বৈধ নয় , কেননা ইসলাম অন্য ধর্মের অনুসরণকে বর্জন করতে উৎসাহিত করেছে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,
عن ابنِ عُمَرَ رضي الله عنهما قال: قال رسولُ الله صلَّى الله عليه وسلم مَن تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ
হজরত ইবনে উমর রা.থেকে বর্ণিত, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করবে, সে ব্যক্তি সেই জাতিরই একজন বলে গণ্য হবে।(আবূ দাউদ, হাদিস ৪০৩১)

এছাড়া, আরো একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا
রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি বিজাতির রীতি অনুসরণ করবে, সে আমাদের কেউ নয়। (ত্বাবারানী, সিলসিলাহ সহীহাহ ২১৯৪)

এই হাদিসগুলো মাধ্যমে স্পষ্টভাবে জানা যায় যে, মুসলমানদের উচিত অন্য জাতির ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনুসরণ না করা, কারণ এতে ইসলামের সংগতিপূর্ণ শিষ্টাচার ভূলুণ্ঠিত হয়।

নববর্ষে মুসলমানের চিন্তা ও অনুভূতি

মুসলমানদের জন্য নতুন বছর আসা একটি আনন্দের সময় নয়, বরং এটি এক নতুন বছরের শুরু করার চিন্তা ও আত্মপালনের সময়। একজন মুসলমানের উচিত তার জীবনকে আরও ভালোভাবে গড়ার জন্য পরবর্তী বছরের পরিকল্পনা করা। এক আরবি কবি বলেন ,মানুষ আনন্দে দিন আর রাতের আগমনকে দেখতে থাকে, কিন্তু আমার অনুভূতি ভিন্ন। আমি নতুন বছরের আগমনকে আনন্দিত হয়ে গ্রহণ করি না, কারণ একটি বছর চলে গেলে তা আমার জীবনের একটি অংশ কমে যায়।

এভাবে নতুন বছরের আগমন আমাদের জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব মনে করিয়ে দেয় এবং আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার প্রেরণা দেয়। তাই আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের হিসাব নেওয়া উচিত, কেননা আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রতিটি কাজের হিসাব নেবেন।

আল্লাহ আমাদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন, আমিন।

ইসলাম ও জীবন

এবার শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করলো অস্ট্রেলিয়া

জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা মাওলানা ড. মিজানুর রহমান আজহারির পর এবার বাংলাদেশের বিশিষ্ট ইসলামি ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। স্থানীয় সময় রোববার (৫ এপ্রিল) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। হিটলারের প্রশংসা, ইহুদিবিদ্বেষী ও উগ্রবাদী প্রচারণার অভিযোগে আজহারিকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার পরেই অস্ট্রেলিয়া সরকার শায়খ আহমদুল্লাহর বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা […]

এবার শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করলো অস্ট্রেলিয়া

এবার শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করলো অস্ট্রেলিয়া

নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৯

জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা মাওলানা ড. মিজানুর রহমান আজহারির পর এবার বাংলাদেশের বিশিষ্ট ইসলামি ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। স্থানীয় সময় রোববার (৫ এপ্রিল) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

হিটলারের প্রশংসা, ইহুদিবিদ্বেষী ও উগ্রবাদী প্রচারণার অভিযোগে আজহারিকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার পরেই অস্ট্রেলিয়া সরকার শায়খ আহমদুল্লাহর বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নিলো।

খবরে জানা গেছে, সিডনি বিমানবন্দর দিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় তার ভিসা বাতিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে।

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ম্যাট থিসলেথওয়েট এই সিদ্ধান্তের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইহুদিবিদ্বেষী বা ইসলামোফোবিক বক্তব্যকারীদের প্রতি অস্টেলিয়া সরকারের কোনো সহনশীলতা নেই।

এ ছাড়া ডেইলি টেলিগ্রাফ শায়খ আহমদুল্লাহর ভিসা বাতিলের খবর নিয়ে প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, শায়খ আহমদুল্লাহ অতীতে ইহুদিদের ঘৃণ্য বলে উল্লেখ করেছিলেন এবং বিশ্বব্যাপী অস্থিরতার জন্য ইহুদিদের দায়ী করেন।

(আইপিডিসি)-এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘লিগ্যাসি অব ফেইথ’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে শায়খ আহমদুল্লাহ সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। সফরের অংশ হিসেবে তিনি প্রথমে মেলবোর্নে পৌঁছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে একটি ভিডিও বার্তা দেন।

মিজানুর রহমান আজহারির ভিসা বাতিল করলো অস্ট্রেলিয়া মিজানুর রহমান আজহারির ভিসা বাতিল করলো অস্ট্রেলিয়া
তার ৩ এপ্রিল মেলবোর্নের আল-তাকওয়া কলেজ, ৪ এপ্রিল সিডনির ডায়মন্ড ভেন্যুতে প্রধান কনভেনশন, ৬ এপ্রিল ক্যানবেরার ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার, ১০ এপ্রিল অ্যাডিলেডের উডভিল টাউন হল এবং ১১ এপ্রিল পার্থে ধারাবাহিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার কথা ছিল।

তবে এসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার আগেই আজহারির মতো তাকেও অস্ট্রেলিয়া ছাড়তে হলো।

ইসলাম ও জীবন

সন্ধ্যায় বৈঠকে বসছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি

বাংলাদেশে কবে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে, তা জানা যাবে আজ সন্ধ্যায়। শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা ও ঈদের তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা ছয়টায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সম্মেলনকক্ষে এই বৈঠক থেকে ঈদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আজ দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেলে […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৯

বাংলাদেশে কবে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে, তা জানা যাবে আজ সন্ধ্যায়। শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা ও ঈদের তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা ছয়টায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সম্মেলনকক্ষে এই বৈঠক থেকে ঈদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

আজ দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল শুক্রবার সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে। আর চাঁদ দেখা না গেলে ঈদ হবে শনিবার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, দেশের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ নম্বরে জানাতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও (ইউএনও) বিষয়টি জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ও মাস নির্ধারণ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। এ নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করে সঠিক তথ্য জানানোর জন্য জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বিনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগ কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা করে। ১৭ সদস্যের এই কমিটির বৈঠক আরবি মাসের প্রতি ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।

কমিটিতে কারা থাকেন

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন—ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্যসচিব, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনের প্রশাসক, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ

টেলিভিশনের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ঢাকার জেলা প্রশাসক, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক।

এছাড়া প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে সাত সদস্যের উপ-কমিটিও রয়েছে।

কীভাবে কাজ করে কমিটি

চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী উপস্থিত থাকলে তিনিই সভা শুরু করেন। তিনি না থাকলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব দায়িত্ব পালন করেন।

বৈঠকের শুরুতে মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে চাঁদের সম্ভাব্য অবস্থান ও বয়স সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হয়। এরপর আবহাওয়া অধিদপ্তরের কাছ থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার অবস্থা—কোথায় আকাশ পরিষ্কার, কোথায় মেঘ রয়েছে—এসব জানা হয়।

এরপর মূলত দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চাঁদ দেখার তথ্য আসার জন্য অপেক্ষা করে কমিটি। জেলা প্রশাসন বা স্থানীয় চাঁদ দেখা কমিটি থেকে তথ্য পাওয়ার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কমিটির সদস্যরা বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য ভাতা হিসেবে নির্ধারিত অর্থ পান।

আন্তর্জাতিক

‘মমতা হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প’- পদত্যাগ করতে না চাওয়ায় দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে হারের পরও পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। তিনি মমতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করে বলেন- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেই নৈতিক, বাকি সব অনৈতিক। তিনি হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ট্রাম্প যেমন […]

‘মমতা হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প’- পদত্যাগ করতে না চাওয়ায় দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ

‘মমতা হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প’- পদত্যাগ করতে না চাওয়ায় দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ

নিউজ ডেস্ক

০৬ মে ২০২৬, ১৩:৫২

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে হারের পরও পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। তিনি মমতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করে বলেন-

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেই নৈতিক, বাকি সব অনৈতিক। তিনি হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প।

দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ট্রাম্প যেমন হার মানতে চাননি এবং জনতাকে রাস্তায় নামিয়ে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করেছিলেন, তেমনি সুযোগ পেলে মমতাও জনতাকে রাস্তায় নামিয়ে জোর করে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরতেন।

সাধারণত নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেন। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে এবং তাকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নিলে তিনি ফের শপথ নেন। নাহলে কুর্সি ছাড়তে হয়।

গতকাল সাংবাদিকদের প্রশ্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন-

আমরা তো হারিনি যে রাজভবনে যাব। হারলে আমি রেজিগনেশন দিতাম। এখন প্রশ্নই ওঠে না। জোর করে আমাদের হারানোর চেষ্টা হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৯৫৪