শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ফ্লোটিলাকর্মীদের প্রতি আচরণই প্রমাণ করে, ইসরায়েল শাস্তির ঊর্ধ্বে: মার্কিন সাংবাদিক

“গাজার জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’-এর কর্মীদের সঙ্গে ইসরায়েলের যে আচরণ, তা প্রমাণ করে যে তেল আবিব সম্পূর্ণভাবে শাস্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করছে।” এই এক বাক্যই কেবল ইসরায়েলের কৌশল ও আন্তর্জাতিক নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেনি, বিশ্ব ব্যাপী মানবাধিকার ক্ষেত্রেও এক বিতর্ককেন্দ্র সৃষ্টি করেছে।

নিউজ ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৫, ০০:৫৭

যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা অ্যাবি মার্টিনের কঠোর সমালোচনার পর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা ও গাজা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন করে বিতর্ক তীব্র হলো। পার্স টুডে সংবাদে এবং তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি বলেছেন,

“গাজার জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’-এর কর্মীদের সঙ্গে ইসরায়েলের যে আচরণ, তা প্রমাণ করে যে তেল আবিব সম্পূর্ণভাবে শাস্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করছে।” এই এক বাক্যই কেবল ইসরায়েলের কৌশল ও আন্তর্জাতিক নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেনি, বিশ্ব ব্যাপী মানবাধিকার ক্ষেত্রেও এক বিতর্ককেন্দ্র সৃষ্টি করেছে।

অ্যাবি মার্টিন বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোর নীরবতা ও তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, “পরিচিত ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ, তাঁদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়ে উপহাস করা এবং মৌলিক মানবাধিকার অস্বীকার করা—এসবই এমন এক সমাজের প্রতিচ্ছবি, যা ক্ষমতা ও গণহত্যার নেশায় অসুস্থ হয়ে পড়েছে।” তারنانী অভিযোগগুলো কেবল জোরালো ব্যক্তিগত বক্তব্য নয়; মার্টিন এখানে আন্তর্জাতিক প্রচলিত কূটনীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি এক ঘোর প্রতিধ্বনি তুলে ধরেছেন।

আরও বিস্ফোরক বক্তব্যে তিনি গাজার ওপর নৃশংসতার ছবি চিত্রিত করে বলেন,

“সেখানে যে বর্বরতা চলছে, তা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যার বর্ণনা দিতে ভাষা যথেষ্ট নয়। গত দুই বছরে গাজায় যা ঘটেছে, তা ইতিহাসের বইয়ে পড়া বা ছবিতে দেখা যে কোনো ঘটনার সীমা ছাড়িয়ে গেছে।”

এই সমালোচনার সঙ্গে মার্টিনের আপত্তি যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রায়ই সাম্রাজ্যবাদের হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ও তাদের নীতিনির্ধারকদের জন্য এক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, “যেসব আন্তর্জাতিক সংস্থা দাবি করে যে, তারা গণহত্যার মতো বিপর্যয় ঠেকাতে চায়—বাস্তবে তারা সাম্রাজ্যবাদের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে এবং নিজেদের মানবতা হারিয়ে ফেলেছে।”

অ্যাবি মার্টিন আরও বলেন, গাজায় যে গণহত্যা ও গণহত্যার চিহ্ন রয়েছে তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্তদের বিচারের দাবি তুলে তিনি বলেন,

“২০০ জনেরও বেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী, তাদের অনেকেই পরিবার-পরিজনসহ, সুপরিকল্পনা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় বোর্ডকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেনের সঙ্গে হেগ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত, কারণ তারাও এই গণহত্যার সহযোগী।”

এই তীব্র বিবৃতি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও সাংবাদিক স্বাধীনতার ওপর যে আলোচনাকে ঝাঁকুনি দিয়েছে, তা নিম্নতলার নয়।

মার্টিনের অভিযোগের যে প্রেক্ষিতটা সবচেয়ে উদ্বেগজনক তা হলো তাঁর বক্তব্য যে পশ্চিমা গণমাধ্যম একাধারে কর্পোরেট ফান্ডিং ও রাজনৈতিক চাপের ফলশ্রুতিতে নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। তিনি বলেন, “পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ব্যাংক, তেল কোম্পানি ও অস্ত্র শিল্পের টাকায় পরিচালিত হয়। যে সাংবাদিকরা ইহুদিবাদের পক্ষে কথা বলেন না কিংবা ফিলিস্তিন নিয়ে নিজেদের মতামত গোপন করেন না—তাদের চাকরি হারাতে হয়।” এই অভিযোগটি মিডিয়া স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতার বিবেচনায় গর্জে ওঠা প্রশ্ন তোলে।

দূরপ্রসারী সতর্কতাও দিয়েছেন মার্টিন:

“যদি কেউ মনে করে এই পরিস্থিতি শুধু গাজা পর্যন্ত সীমিত থাকবে, তবে তারা ভুল করছে। গাজা এখন এমন এক পরীক্ষাগার, যার মাধ্যমে বিশ্বের বাকি অংশের উপরও নতুন ‘নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা’ চাপিয়ে দেওয়া হবে।”

এই কথা কেবল স্থানীয় সংকট নয়—এটি একটি বিশ্বব্যাপী কৌশলগত ও নৈতিক সংকট হিসেবে উপস্থাপন করেছেন তিনি।

শেষাংশে মার্টিন পশ্চিমা সমাজ তথা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদের বিরুদ্ধে নেওয়া কঠোর নিষেধাজ্ঞার উদাহরণ স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলছেন, স্বীকৃত ইতিহাস যেমন দেখায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর এক আন্দোলন, ঠিক তেমনি এখনই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র, বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও একাডেমিক বয়কট আরোপের মাধ্যমে চাপ গঠন করা উচিত। তাঁর ভাষায়,

“যেভাবে বিশ্ব একসময় দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, ঠিক সেভাবেই এখন ইসরাইলি দমননীতির বিরুদ্ধেও চাপ তৈরি করতে হবে।”

অ্যাবি মার্টিনের এই বক্তব্যগুলো কেবল তীব্র ব্যাখ্যা নয়; তারা আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারক, মানবাধিকার সংস্থা, মিডিয়া এবং সাধারণ জনমতের কাছে এক জোরালো আহ্বান। গাজা ও ফ্লোটিলা ইস্যুতে তার বক্তব্য যে তেল আবিবকে ‘শাস্তির ঊর্ধ্বে’ অবস্থানকারী হিসেবে চিত্রিত করছে, তা আন্তর্জাতিক ন্যায়-নীতি ও সামরিক নীতির ওপর এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকে বলছে, এসব দাবি তদন্ত ও বিচার দাবি করে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যথার্থ ও তৎপর প্রতিক্রিয়ার ওপরই ভবিষ্যৎ মানবাধিকার রক্ষার নির্ণয় নির্ভর করবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৩

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৩

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৩

আন্তর্জাতিক

হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব

সৌদি আরবের ওপর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান মারফত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে এই সংবাদের সত্যতা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান […]

হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭

সৌদি আরবের ওপর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান মারফত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে এই সংবাদের সত্যতা প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান হুথিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনার জন্য তেহরান সফর করেন। একটি কূটনৈতিক সূত্র দাবি করেছে, সৌদি মন্ত্রী তার হারকিউলিস সামরিক পরিবহন বিমানে করে এই ১০০ কোটি ডলার অর্থ তেহরানে নিয়ে এসেছিলেন। তবে অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি কোনো সৌদি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেননি।

তেহরানের এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসীম মুনীর, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মহসেন রেজাই এবং ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হুথিদের ক্রমাগত হামলার কারণে সৌদি আরবে অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ায় ইরান মধ্যস্থতার এই প্রস্তাব দিয়েছিল।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সফরের বিষয়ে এক সরকারি বিবৃতিতে জানায়, ‘প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের তেহরান সফরটি বর্তমান সংকটের পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা হ্রাস, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানকে উৎসাহিত করা

এবং কাতার রাজ্য ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের পরিচালিত মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য ন্যাটো-রীতির এই জোটের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এসেছে।’

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এক সৌদি কর্মকর্তা অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও জানান, তিন বছর আগে পৌঁছানো সমঝোতা বাস্তবায়নেই সংঘাতের মূল কারণ।

ঐ সমঝোতার আওতায় হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের বেতন এবং অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে সরাসরি অর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল, যার বিনিময়ে হুথিরা হামলা বন্ধ রাখবে। হুথিরা সৌদি আরবকে অঙ্গীকার ভঙ্গের অভিযুক্ত করলেও সৌদি আরবের অবস্থান হলো তারা কোনো সামরিক ব্ল্যাকমেইলের মুখে নতুন করে যুদ্ধবিরতিতে যাবে না।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট এবং ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, যা মূলত গত সপ্তাহে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের তেহরান সফরের সময় রূপ নেয়। ইরানের ১০০ কোটি ডলারের এই প্রস্তাব বা বিমানে অর্থ বহনের দাবিটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৩