উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিএনএন জানায়, শনিবার একযোগে অন্তত ১১টি শহরে জেন-জি প্রজন্মের শত শত তরুণ রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেয়। তাদের মূল অভিযোগ—স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক খাত উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের পেছনে।
বিক্ষোভকারীরা সরাসরি স্লোগান তুলেছেন
“স্টেডিয়াম এখানে, হাসপাতাল কোথায়?”। তারা অভিযোগ করেন, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ নেই, অথচ ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নতুন স্টেডিয়াম বানানো হচ্ছে এবং পুরোনোগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরক্কো চলতি বছরের শেষ দিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেরও আয়োজক।
সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ তরুণরা রাজধানী রাবাত, মারাকেশ ও কাসাব্লাঙ্কাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে যোগ দেন। কাসাব্লাঙ্কা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অনেক বিক্ষোভকারীকে মারধরের খবরও দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, গ্রেপ্তার ও দমনপীড়নের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে সরকার।
২৭ বছর বয়সী প্রকৌশলী ইউসুফ বলেন,
“আমি শুধু স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সংস্কার চাই না, চাই গোটা ব্যবস্থার সংস্কার।” তরুণদের এই ক্ষোভ এখন পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রমাণ করছে মরক্কোর শাসনব্যবস্থা আর আগের মতো নিস্তরঙ্গ নেই।
উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিএনএন জানায়, শনিবার একযোগে অন্তত ১১টি শহরে জেন-জি প্রজন্মের শত শত তরুণ রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেয়। তাদের মূল অভিযোগ—স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক খাত উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের পেছনে।
বিক্ষোভকারীরা সরাসরি স্লোগান তুলেছেন
“স্টেডিয়াম এখানে, হাসপাতাল কোথায়?”। তারা অভিযোগ করেন, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ নেই, অথচ ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নতুন স্টেডিয়াম বানানো হচ্ছে এবং পুরোনোগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরক্কো চলতি বছরের শেষ দিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেরও আয়োজক।
সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ তরুণরা রাজধানী রাবাত, মারাকেশ ও কাসাব্লাঙ্কাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে যোগ দেন। কাসাব্লাঙ্কা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অনেক বিক্ষোভকারীকে মারধরের খবরও দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, গ্রেপ্তার ও দমনপীড়নের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে সরকার।
২৭ বছর বয়সী প্রকৌশলী ইউসুফ বলেন,
“আমি শুধু স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সংস্কার চাই না, চাই গোটা ব্যবস্থার সংস্কার।” তরুণদের এই ক্ষোভ এখন পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রমাণ করছে মরক্কোর শাসনব্যবস্থা আর আগের মতো নিস্তরঙ্গ নেই।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।
এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।
তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।
উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিএনএন জানায়, শনিবার একযোগে অন্তত ১১টি শহরে জেন-জি প্রজন্মের শত শত তরুণ রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেয়। তাদের মূল অভিযোগ—স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক খাত উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের পেছনে।
বিক্ষোভকারীরা সরাসরি স্লোগান তুলেছেন
“স্টেডিয়াম এখানে, হাসপাতাল কোথায়?”। তারা অভিযোগ করেন, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ নেই, অথচ ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নতুন স্টেডিয়াম বানানো হচ্ছে এবং পুরোনোগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরক্কো চলতি বছরের শেষ দিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেরও আয়োজক।
সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ তরুণরা রাজধানী রাবাত, মারাকেশ ও কাসাব্লাঙ্কাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে যোগ দেন। কাসাব্লাঙ্কা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অনেক বিক্ষোভকারীকে মারধরের খবরও দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, গ্রেপ্তার ও দমনপীড়নের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে সরকার।
২৭ বছর বয়সী প্রকৌশলী ইউসুফ বলেন,
“আমি শুধু স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সংস্কার চাই না, চাই গোটা ব্যবস্থার সংস্কার।” তরুণদের এই ক্ষোভ এখন পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রমাণ করছে মরক্কোর শাসনব্যবস্থা আর আগের মতো নিস্তরঙ্গ নেই।
ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]
ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।
উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিএনএন জানায়, শনিবার একযোগে অন্তত ১১টি শহরে জেন-জি প্রজন্মের শত শত তরুণ রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেয়। তাদের মূল অভিযোগ—স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক খাত উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের পেছনে।
বিক্ষোভকারীরা সরাসরি স্লোগান তুলেছেন
“স্টেডিয়াম এখানে, হাসপাতাল কোথায়?”। তারা অভিযোগ করেন, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ নেই, অথচ ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নতুন স্টেডিয়াম বানানো হচ্ছে এবং পুরোনোগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরক্কো চলতি বছরের শেষ দিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেরও আয়োজক।
সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ তরুণরা রাজধানী রাবাত, মারাকেশ ও কাসাব্লাঙ্কাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে যোগ দেন। কাসাব্লাঙ্কা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অনেক বিক্ষোভকারীকে মারধরের খবরও দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, গ্রেপ্তার ও দমনপীড়নের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে সরকার।
২৭ বছর বয়সী প্রকৌশলী ইউসুফ বলেন,
“আমি শুধু স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সংস্কার চাই না, চাই গোটা ব্যবস্থার সংস্কার।” তরুণদের এই ক্ষোভ এখন পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রমাণ করছে মরক্কোর শাসনব্যবস্থা আর আগের মতো নিস্তরঙ্গ নেই।
সৌদি আরবের ওপর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান মারফত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে এই সংবাদের সত্যতা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান […]
সৌদি আরবের ওপর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান মারফত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে এই সংবাদের সত্যতা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান হুথিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনার জন্য তেহরান সফর করেন। একটি কূটনৈতিক সূত্র দাবি করেছে, সৌদি মন্ত্রী তার হারকিউলিস সামরিক পরিবহন বিমানে করে এই ১০০ কোটি ডলার অর্থ তেহরানে নিয়ে এসেছিলেন। তবে অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি কোনো সৌদি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেননি।
তেহরানের এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসীম মুনীর, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মহসেন রেজাই এবং ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হুথিদের ক্রমাগত হামলার কারণে সৌদি আরবে অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ায় ইরান মধ্যস্থতার এই প্রস্তাব দিয়েছিল।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সফরের বিষয়ে এক সরকারি বিবৃতিতে জানায়, ‘প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের তেহরান সফরটি বর্তমান সংকটের পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা হ্রাস, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানকে উৎসাহিত করা
এবং কাতার রাজ্য ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের পরিচালিত মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য ন্যাটো-রীতির এই জোটের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এসেছে।’
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এক সৌদি কর্মকর্তা অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও জানান, তিন বছর আগে পৌঁছানো সমঝোতা বাস্তবায়নেই সংঘাতের মূল কারণ।
ঐ সমঝোতার আওতায় হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের বেতন এবং অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে সরাসরি অর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল, যার বিনিময়ে হুথিরা হামলা বন্ধ রাখবে। হুথিরা সৌদি আরবকে অঙ্গীকার ভঙ্গের অভিযুক্ত করলেও সৌদি আরবের অবস্থান হলো তারা কোনো সামরিক ব্ল্যাকমেইলের মুখে নতুন করে যুদ্ধবিরতিতে যাবে না।
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট এবং ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, যা মূলত গত সপ্তাহে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের তেহরান সফরের সময় রূপ নেয়। ইরানের ১০০ কোটি ডলারের এই প্রস্তাব বা বিমানে অর্থ বহনের দাবিটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিএনএন জানায়, শনিবার একযোগে অন্তত ১১টি শহরে জেন-জি প্রজন্মের শত শত তরুণ রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেয়। তাদের মূল অভিযোগ—স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক খাত উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের পেছনে।
বিক্ষোভকারীরা সরাসরি স্লোগান তুলেছেন
“স্টেডিয়াম এখানে, হাসপাতাল কোথায়?”। তারা অভিযোগ করেন, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ নেই, অথচ ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নতুন স্টেডিয়াম বানানো হচ্ছে এবং পুরোনোগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরক্কো চলতি বছরের শেষ দিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেরও আয়োজক।
সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ তরুণরা রাজধানী রাবাত, মারাকেশ ও কাসাব্লাঙ্কাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে যোগ দেন। কাসাব্লাঙ্কা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অনেক বিক্ষোভকারীকে মারধরের খবরও দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, গ্রেপ্তার ও দমনপীড়নের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে সরকার।
২৭ বছর বয়সী প্রকৌশলী ইউসুফ বলেন,
“আমি শুধু স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সংস্কার চাই না, চাই গোটা ব্যবস্থার সংস্কার।” তরুণদের এই ক্ষোভ এখন পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রমাণ করছে মরক্কোর শাসনব্যবস্থা আর আগের মতো নিস্তরঙ্গ নেই।
কথিত যুদ্ধবিরতির মাঝেও উত্তর ও দক্ষিণ গাজাজুড়ে অব্যাহত রয়েছে ইসরাইলি বাহিনীর ভয়াবহ বিমান হামলা ও গুলিবর্ষণ। দখলদার সেনাবাহিনীর এই আগ্রাসী তাণ্ডবে প্রতিদিনই ধ্বংস হচ্ছে অসংখ্য ঘরবাড়ি, নিহত-আহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।…
ইসরাইলে আটক গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার অভিযাত্রীরা আমরণ অনশনে নেমেছেন। শুক্রবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘টু ব্রেক দ্য সিজ অব গাজা’ এক বিবৃতিতে জানায়, অনির্দিষ্টকালের জন্য এই অনশন চলবে যতক্ষণ না আটক কর্মীদের…
গাজা উপত্যকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা মানবিক ত্রাণবাহী বহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি নৌবাহিনী। আয়োজকদের দাবি, এতে অন্তত ৩১৭ জন কর্মীকে আটক করা হয়েছে। ইসরাইল জানিয়েছে, গাজাগামী ৪৪টি জাহাজের…