ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিবাদে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইরানের সমর্থনে বিশাল মিছিল ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে ইসরায়েলের পতাকা দাহ করেন এবং ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানি সামরিক কমান্ডারদের ছবি প্রদর্শন করে তীব্র প্রতিবাদ জানান।
বিক্ষোভকারীরা ‘ইসরায়েল নিপাত যাক’ ধ্বনি তুলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা অভিযোগ করেন, এই আগ্রাসনের পেছনে পশ্চিমা শক্তির প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াগুলোর একাংশও বিক্ষোভে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।
গত সপ্তাহের শুরুতে ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় আকস্মিক হামলা চালায়। এতে ইরানের কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা এবং বিজ্ঞানী নিহত হন। এই হামলার পাল্টা জবাব দেয় তেহরান, ফলে টানা পাঁচদিন ধরে চলছে পাল্টাপাল্টি আক্রমণ।
মধ্যপ্রাচ্যে এই উত্তেজনা সর্বাত্মক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান-সমর্থিত ইরাকি গোষ্ঠীগুলোর সক্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়া ও মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি নতুন করে জোরালো হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি কেবল ইরান ও ইসরায়েলের দ্বিপক্ষীয় বিরোধ নয়, বরং গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।
এই উত্তপ্ত প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি এখন ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। যুদ্ধ পরিস্থিতি রোধে কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ ও শান্তি আলোচনা দ্রুত শুরু না হলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?