চার দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সফরের অংশ হিসেবে তিনি প্রথমে লন্ডন যান এবং ১০ জুন (স্থানীয় সময়) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান।
ড. ইউনূসের এই সফর দেশের রাজনীতিতে নতুন চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে। বিশেষত, তার লন্ডন সফর ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে একটি অভিজাত হোটেলে অবস্থান করছেন ড. ইউনূস, যেখানে তাকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়েছেন রাজনৈতিক কর্মীরা।
একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে, হোটেলের সামনের রাস্তায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের ব্যানারে জড়ো হয়েছেন বেশ কিছু নেতা-কর্মী। তারা প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন এবং তাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য রাখছেন। অন্যদিকে, রাস্তার বিপরীত পাশে ড. ইউনূসের সমর্থকরা দাঁড়িয়ে তাকে স্বাগত জানাচ্ছেন এবং তার পক্ষে নানা স্লোগানে মুখর হয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পুলিশ হোটেল প্রাঙ্গণে মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেও সংঘর্ষের মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।
ড. ইউনূস এই সফরে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে বাকিংহাম প্যালেসে সাক্ষাৎ করবেন এবং তার হাত থেকে ‘কিংস চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া হোটেল লবিতেই একাধিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।
ড. ইউনূসের এই সফর এবং তাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?