মধ্যপ্রাচ্যে সফরকালে ইরান প্রশাসনকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত ও অকার্যকর’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন মন্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
এক সমাবেশে তিনি বলেন, “ট্রাম্প শান্তির কথা বলে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। গাজায় শিশু হাসপাতাল ও সাধারণ মানুষের বাড়িঘরে নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করেছে ইসরায়েল, আর সেই ইসরায়েলের হাতে শান্তির নামে ১০ টন বোমা তুলে দিয়েছে ট্রাম্প।”
খামেনির বক্তব্যের পর সমাবেশস্থলে উপস্থিত জনতা ‘ইসরায়েলের পরাজয় হোক’ স্লোগানে গর্জে ওঠে। তিনি আরও বলেন, “ইসরায়েল গোটা বিশ্বের জন্য এক ভয়ঙ্কর ক্যান্সার। গাজাকে বাঁচাতে হলে এই রাষ্ট্রকে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলতে হবে।”
এদিকে তেহরানে নৌবাহিনীর এক সম্মেলনে মার্কিন নীতির সমালোচনা করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট প্রতিনিধি মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, “গাজায় প্রতিদিন শত শত ফিলিস্তিনির প্রাণ যাচ্ছে, সেখানে কীভাবে শান্তির কথা বলা হয়?” একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞারও সমালোচনা করেন।
এই পারস্পরিক মন্তব্য-প্রতিমন্তব্যের প্রেক্ষাপটে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যে চার দফা বৈঠক হলেও কোনো পক্ষই চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। তেহরান জানিয়েছে, “ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ন্যায্য অধিকার তারা কোনোভাবেই ত্যাগ করবে না।”
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?