কয়েক সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েক হাজার মেরিন সেনা ও বিশেষায়িত এয়ারবোর্ন ইউনিটেরও জরুরি তলব পড়েছে। এসব পদক্ষেপ দেখে বিশ্লেষকদের ধারণা, হয়ত ছোট পরিসরে হলেও ইরানে স্থল অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। আর মার্কিনিদের এমন সামরিক সমাবেশ দেখে ইরানও স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
দেশটির সামরিক সূত্র বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফ্রন্টে স্থল আক্রমণ চালালে তা হবে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ‘ঐতিহাসিক ভুল’। হিসাবের এমন গরমিলের জবাব দিতে ইরানের স্থল যোদ্ধারা প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে সেই সূত্র।
ইরানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থলযুদ্ধের জন্য ১০ লাখেরও বেশি যোদ্ধাকে সংগঠিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানি তরুণদের কাছ থেকে বাসিজ, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এবং সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কেন্দ্রে যোগ দিয়ে এই যুদ্ধে অংশ নেয়ার জন্য বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে।
সামরিক সূত্রটি আরও বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি আত্মঘাতী ও আত্মবিধ্বংসী কৌশল গ্রহণ করে হরমুজ প্রণালি খুলতে চায়, ঠিক আছে। তাদের সেই আত্মঘাতী কৌশল বাস্তবায়নের জন্যও আমরা প্রস্তুত। প্রণালিটি বন্ধ রাখার জন্যও আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে।’
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সেনা সমাবেশ ঘটিয়ে স্থলযুদ্ধের পরোক্ষ ইঙ্গিত দিলেও ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে এক দফা প্রস্তাব আদান-প্রদানও হয়েছে তাদের।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?