রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ফিচার

চট্টগ্রামের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী স্বঘোষিত ইসকন নওফেল

রক্তাক্ত বিপ্লবে শেখ হাসিনার মাফিয়া শাসনের অবসানের পর অন্যদের মতো পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন পতিত স্বৈরাচারী সরকারের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তবে গর্তে লুকিয়ে থেকেও দেশ বিরোধী নানা চক্রান্ত আর সন্ত্রাসে মদত দিয়ে যাচ্ছেন স্বৈরাচারের এই নিকৃষ্টতম দোসর।   দেশকে অস্থিতিশীল করে হাজারো ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়ার যে […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:১০

রক্তাক্ত বিপ্লবে শেখ হাসিনার মাফিয়া শাসনের অবসানের পর অন্যদের মতো পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন পতিত স্বৈরাচারী সরকারের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তবে গর্তে লুকিয়ে থেকেও দেশ বিরোধী নানা চক্রান্ত আর সন্ত্রাসে মদত দিয়ে যাচ্ছেন স্বৈরাচারের এই নিকৃষ্টতম দোসর।

 

দেশকে অস্থিতিশীল করে হাজারো ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়ার যে অপচেষ্টা চলছে তার অন্যতম কুশীলব চট্টগ্রামের এই সন্ত্রাসী গডফাদার। ইতোমধ্য চট্টগ্রাম থেকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চক্রান্তে স্বঘোষিত এই ইসকন সদস্যের সরাসরি জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিতদের তড়িৎ হস্তক্ষেপে জাতি-রাষ্ট্র বিরোধী এসব চক্রান্ত নস্যাৎ হলেও তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নীল নকশা থেমে নেই।

 

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ভয়ঙ্কর সব সন্ত্রাসীদের জড়ো করে চট্টগ্রামে বড় ধরণের নাশকতার ছক এঁকে চলেছেন এই গডফাদার-এমন তথ্যও এসেছে গোয়েন্দা সংস্থার কাছে। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠা নওফেল প্রথমে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। বিগত ৭ জানুয়ারির আমি আর ড্যামির নির্বাচনের পর তাকে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব দেন মাফিয়া সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য এই নওফেলকেই দায়ী করেন সাধারণ মানুষ। রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর চট্টগ্রামে তার একের পর এক কর্মকাণ্ড বিতর্কের জন্ম দেয়।

 

তার পিতা মরহুম এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সহনশীলতার রাজনীতির ঐতিহ্য ম্লান করে দিয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেন নওফেল। দলের সিনিয়র নেতাদের অবজ্ঞা, অপমান আর দলীয় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সন্ত্রাসী লালন, শহীদ প্রেসিডেনট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দলের নেতাদের নিয়ে চরম অবমাননাকর মন্তব্য ছিল তার স্বভাবজাত।

দলের ভেতরে কলহ কোন্দল এবং দলীয় প্রতিপক্ষকে দমনে সরাসরি সন্ত্রাসে মদত দিয়ে চরম ঘৃনার পাত্র হয়ে উঠেন তিনি। বিগত দেড় দশকে চট্টগ্রামের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পাড়া মহল্লায় তার বাহিনীর সদস্যরা অস্ত্রবাজি, চাঁদাবাজি মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে সব ধরনের অপরাধে জড়িত ছিল। চট্টগ্রামের পুরো অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণ ছিল তার হাতে। তার বাহিনীর কাছে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীও ছিলেন কোণঠাসা।

 

বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচী বানচালে তার ক্যাডার বাহিনী সক্রিয় ছিলো সব সময়। সর্বশেষ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চট্টগ্রামে নির্বিচারে গুলি বর্ষণকারীরা তার লালিত ক্যাডার বাহিনীর সদস্য। তাদের গুলিতে ১১জনের মৃত্যু হয়েছে। নওফেলের নির্দেশে ছাত্র আন্দোলনে গুলি করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা। তাদের অনেকে এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

 

বিগত ৫আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরপরই চট্টগ্রামের অপরাধীরা পালাতে শুরু করে। পালাতে গিয়ে অনেকে ধরা পড়েছে। তবে নও নওফেল দেশে না বিদেশে রয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও তিনি যে পতিত স্বৈরাচারী সরকারের ক্যাডার বাহিনীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে অন্তর্ঘাতমূলক অপকর্মের নীল নকশা তৈরি করছেন তার তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর গোপালগঞ্জ জেলার পর চট্টগ্রামে সর্ব প্রথম হাসিনার পক্ষে মিছিল বের করার দুঃসাহস দেখায় ছাত্রলীগ। আর এর নেপথ্যে রয়েছেন নওফেল।

 

জানা গেছে, আড়ালে থেকে নওফেল চট্টগ্রামে তার বাহিনীর সদস্যদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে চলেছেন। তাদের নানা নির্দেশনা দিচ্ছেন। দাঙ্গা লাগানোর চক্রান্ত ভেস্তে যাওয়ার পর এখন নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। এজন্য চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জড়ো করার চেষ্টা চলছে। চট্টগ্রামে আওয়ামী যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের অনেক সন্ত্রাসী এখনো গ্রেফতার এড়াতে সক্ষম হয়েছে। তাদের অস্ত্রভান্ডার অক্ষত অবস্থায় আছে। ফলে তারা দ্রুত সংগঠিত হতে পারে। তবে চট্টগ্রামের পুলিশ প্রশাসনের তরফে বলা হচ্ছে, কাউকেই নাশকতা সৃষ্টির সুযোগ দেয়া হবে না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪০১

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪০১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩১৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪০১