সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ফিচার

‘যারা বলে ক্ষমতায় গিয়ে সংস্কার করবো, এগুলো ভাঁওতাবাজি’

তিনি বলেছেন, “যদি চাঁদাবাজি বন্ধ করা যায়, তবে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির মতো দলগুলো কর্মী পাবে না। আর দুর্নীতি বন্ধ হলে এ দলগুলো নেতা খুঁজে পাবে না। চাঁদাবাজির মাধ্যমে তারা কর্মী তৈরি করে, আর দুর্নীতির পথ উন্মুক্ত রেখে নেতা তৈরি করে। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হলো চাঁদাবাজি বন্ধ করা এবং দুর্নীতির পথ রোধ করা। […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জানুয়ারী ২০২৫, ১০:১৯

তিনি বলেছেন, “যদি চাঁদাবাজি বন্ধ করা যায়, তবে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির মতো দলগুলো কর্মী পাবে না। আর দুর্নীতি বন্ধ হলে এ দলগুলো নেতা খুঁজে পাবে না। চাঁদাবাজির মাধ্যমে তারা কর্মী তৈরি করে, আর দুর্নীতির পথ উন্মুক্ত রেখে নেতা তৈরি করে।

তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হলো চাঁদাবাজি বন্ধ করা এবং দুর্নীতির পথ রোধ করা। অতীতে দুর্নীতি করা দলগুলোর নেতারা যেন ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে প্রবেশ করতে না পারে, সেই পথও বন্ধ করতে হবে। আমরা আর আগের রাজনীতিতে ফিরে যেতে চাই না।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আগামীতে ক্ষমতায় কারা যাবে। যারা এই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছে, যারা রাজপথে নেমে আন্দোলন করেছে, জনগণ তাদের ওপর আস্থা রাখে।”

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “এই অভ্যুত্থানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা রাজপথে ছিলাম, ছাত্রদের পাশে ছিলাম। অন্য কোনো রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে রাজপথে ছিল না। বরং কিছু দলের নেতারা স্পষ্ট বলেছিলেন, তারা এই আন্দোলনের সঙ্গে নেই। এখন তারা এই আন্দোলনের কৃতিত্ব দাবি করছে।

কিন্তু আমরা প্রথম থেকেই বলেছিলাম, আমরা এই বিপ্লবের অংশীদার। ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের আগেই আমরা বলেছিলাম, কেবল সরকারের পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, রাষ্ট্র সংস্কার করতে হবে। কোটা সংস্কার নয়, রাষ্ট্রের পুরো কাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোও ধ্বংস হয়েছে। তাই কেবল কোটা সংস্কার নয়, বরং রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিও আমরা প্রথম থেকেই তুলে ধরেছি।”

অতএব এখন যদি কেউ বলে আমরা ক্ষমতায় গিয়ে সংস্কার করবো এগুলো ভাওতাবাজি। এরা অতীতে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে, সামনে ও প্রতারণা করবে। এজন্য কোনো রকম সংস্কারে তারা বিশ্বাস করে না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রমাণিত হয়েছে, এরা দেশপ্রেমিক একটি রাজনৈতিক দল। শুধুমাত্র এই ২৪ এর জুলাই বিপ্লব নয়, শুধু এই চেতনাই ইসলামী আন্দোলন ধারণ করে না বরং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যে চেতনার ভিত্তিতে বাংলাদেশের মানচিত্র নির্মিত হয়েছে, বাংলাদেশের মানচিত্র ৭১ এর ভিত্তিতে নির্মিত হয় নাই, আমরা ভূখন্ড পেয়েছি ১৯৪৭ এর দেশভাগের মধ্যে দিয়ে। যে চেতনার ভিত্তিতে ১৯৪৭ এ আমরা নতুন ভূখন্ড পেয়েছি, নতুন মানচিত্র পেয়েছি, এই চেতনা আমাদের মধ্যে আছে। ১৯৭১ এর সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার চেতনা আমাদের মধ্যে আছে।

আমরা ৪৭ এর চেতনাকে যেমন ধারণ করি, ৭১ এর চেতনাকে ও ধারণ করি, একইভাবে আমরা ২৪ এর জুলাইয়ের চেতনাকে ও ধারণ করি। যদি ভবিষ্যতে সংবিধান সংস্কার করতে হয়, এই তিনটি চেতনার সমন্বয়ে সংবিধান হবে। এটাকে মনে রাখতে হবে, নির্বাচন ব্যবস্থা অতীতে যে ভাবে নির্বাচন হয়েছে, এই ব্যবস্থায় নির্বাচন হলে কোনো সংস্কার কার্যকর হবে না। কারণ সৎ মানুষ, প্রকৃত জনপ্রতিনিধি, মানুষকে যারা ভালোবাসে, দেশকে যারা ভালাবাসে, এমন যোগ্য মানুষ যদি পার্লামেন্টে যেতে না পারে, পার্লামেন্টে শুধু দৈত্যদানবরা যাই, কালো টাকার মালিক এবং পেশিশক্তি যাদের আছে তারাই শুধূ পার্লামেন্টে যাই, কোনোদিন দেশ সঠিকভাবে পরিচালিত হবে না।

 

অতএব আগের পদ্ধতিতে নির্বাচন দিয়ে নতুন দেশ গঠিত হবে না। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের সবচেয়ে বড় যে কাজ সেটা হলো এই নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। এইজন্য আমাদের নেতা পীর সাহেব চরমোনাই ২০০৮ সালে দাবি জানিয়েছিলেন পেয়ার পদ্ধতি বা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা লাগবে। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা যাতে আগামীতে নির্বাচন হয়, সবদলের মধ্যে এক আছে, শুধুমাত্র চাই না বিএনপি। কেন চাই না তারা একাই ৩০০ আসন নিয়ে নিবে। এমন একটা মতলব তাদের আছে।

বাংলাদেশকে আর একটি দলের হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। অতীতে আমাদের অভিজ্ঞতা আছে, এভাবেই স্বৈরাচার কায়েম হয়েছে, এভাবেই ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছে। অতএব আমরা আগামীতে নতুন কোনো স্বৈরাচার, নতুন কোনো ফ্যাসিবাদ যাতে ক্ষমতায় না আসতে পারে এমন সকল পথ বন্ধ করে দিবো ইনশাল্লাহ।”

 

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২৯

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২৯
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২৯

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২৯