শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ফিচার

‘যারা বলে ক্ষমতায় গিয়ে সংস্কার করবো, এগুলো ভাঁওতাবাজি’

তিনি বলেছেন, “যদি চাঁদাবাজি বন্ধ করা যায়, তবে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির মতো দলগুলো কর্মী পাবে না। আর দুর্নীতি বন্ধ হলে এ দলগুলো নেতা খুঁজে পাবে না। চাঁদাবাজির মাধ্যমে তারা কর্মী তৈরি করে, আর দুর্নীতির পথ উন্মুক্ত রেখে নেতা তৈরি করে। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হলো চাঁদাবাজি বন্ধ করা এবং দুর্নীতির পথ রোধ করা। […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জানুয়ারী ২০২৫, ১০:১৯

তিনি বলেছেন, “যদি চাঁদাবাজি বন্ধ করা যায়, তবে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির মতো দলগুলো কর্মী পাবে না। আর দুর্নীতি বন্ধ হলে এ দলগুলো নেতা খুঁজে পাবে না। চাঁদাবাজির মাধ্যমে তারা কর্মী তৈরি করে, আর দুর্নীতির পথ উন্মুক্ত রেখে নেতা তৈরি করে।

তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হলো চাঁদাবাজি বন্ধ করা এবং দুর্নীতির পথ রোধ করা। অতীতে দুর্নীতি করা দলগুলোর নেতারা যেন ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে প্রবেশ করতে না পারে, সেই পথও বন্ধ করতে হবে। আমরা আর আগের রাজনীতিতে ফিরে যেতে চাই না।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আগামীতে ক্ষমতায় কারা যাবে। যারা এই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছে, যারা রাজপথে নেমে আন্দোলন করেছে, জনগণ তাদের ওপর আস্থা রাখে।”

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “এই অভ্যুত্থানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা রাজপথে ছিলাম, ছাত্রদের পাশে ছিলাম। অন্য কোনো রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে রাজপথে ছিল না। বরং কিছু দলের নেতারা স্পষ্ট বলেছিলেন, তারা এই আন্দোলনের সঙ্গে নেই। এখন তারা এই আন্দোলনের কৃতিত্ব দাবি করছে।

কিন্তু আমরা প্রথম থেকেই বলেছিলাম, আমরা এই বিপ্লবের অংশীদার। ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের আগেই আমরা বলেছিলাম, কেবল সরকারের পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, রাষ্ট্র সংস্কার করতে হবে। কোটা সংস্কার নয়, রাষ্ট্রের পুরো কাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোও ধ্বংস হয়েছে। তাই কেবল কোটা সংস্কার নয়, বরং রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিও আমরা প্রথম থেকেই তুলে ধরেছি।”

অতএব এখন যদি কেউ বলে আমরা ক্ষমতায় গিয়ে সংস্কার করবো এগুলো ভাওতাবাজি। এরা অতীতে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে, সামনে ও প্রতারণা করবে। এজন্য কোনো রকম সংস্কারে তারা বিশ্বাস করে না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রমাণিত হয়েছে, এরা দেশপ্রেমিক একটি রাজনৈতিক দল। শুধুমাত্র এই ২৪ এর জুলাই বিপ্লব নয়, শুধু এই চেতনাই ইসলামী আন্দোলন ধারণ করে না বরং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যে চেতনার ভিত্তিতে বাংলাদেশের মানচিত্র নির্মিত হয়েছে, বাংলাদেশের মানচিত্র ৭১ এর ভিত্তিতে নির্মিত হয় নাই, আমরা ভূখন্ড পেয়েছি ১৯৪৭ এর দেশভাগের মধ্যে দিয়ে। যে চেতনার ভিত্তিতে ১৯৪৭ এ আমরা নতুন ভূখন্ড পেয়েছি, নতুন মানচিত্র পেয়েছি, এই চেতনা আমাদের মধ্যে আছে। ১৯৭১ এর সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার চেতনা আমাদের মধ্যে আছে।

আমরা ৪৭ এর চেতনাকে যেমন ধারণ করি, ৭১ এর চেতনাকে ও ধারণ করি, একইভাবে আমরা ২৪ এর জুলাইয়ের চেতনাকে ও ধারণ করি। যদি ভবিষ্যতে সংবিধান সংস্কার করতে হয়, এই তিনটি চেতনার সমন্বয়ে সংবিধান হবে। এটাকে মনে রাখতে হবে, নির্বাচন ব্যবস্থা অতীতে যে ভাবে নির্বাচন হয়েছে, এই ব্যবস্থায় নির্বাচন হলে কোনো সংস্কার কার্যকর হবে না। কারণ সৎ মানুষ, প্রকৃত জনপ্রতিনিধি, মানুষকে যারা ভালোবাসে, দেশকে যারা ভালাবাসে, এমন যোগ্য মানুষ যদি পার্লামেন্টে যেতে না পারে, পার্লামেন্টে শুধু দৈত্যদানবরা যাই, কালো টাকার মালিক এবং পেশিশক্তি যাদের আছে তারাই শুধূ পার্লামেন্টে যাই, কোনোদিন দেশ সঠিকভাবে পরিচালিত হবে না।

 

অতএব আগের পদ্ধতিতে নির্বাচন দিয়ে নতুন দেশ গঠিত হবে না। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের সবচেয়ে বড় যে কাজ সেটা হলো এই নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। এইজন্য আমাদের নেতা পীর সাহেব চরমোনাই ২০০৮ সালে দাবি জানিয়েছিলেন পেয়ার পদ্ধতি বা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা লাগবে। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা যাতে আগামীতে নির্বাচন হয়, সবদলের মধ্যে এক আছে, শুধুমাত্র চাই না বিএনপি। কেন চাই না তারা একাই ৩০০ আসন নিয়ে নিবে। এমন একটা মতলব তাদের আছে।

বাংলাদেশকে আর একটি দলের হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। অতীতে আমাদের অভিজ্ঞতা আছে, এভাবেই স্বৈরাচার কায়েম হয়েছে, এভাবেই ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছে। অতএব আমরা আগামীতে নতুন কোনো স্বৈরাচার, নতুন কোনো ফ্যাসিবাদ যাতে ক্ষমতায় না আসতে পারে এমন সকল পথ বন্ধ করে দিবো ইনশাল্লাহ।”

 

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩