বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

যাদের গানে হৃদয়ের জমে থাকা বেদনা ছুঁয়ে যায়-সেই অবশেষ ব্যান্ডের নতুন গান ‘সত্য আবেশ’

ভালোবাসা সবসময় রয়ে যায়, কিন্তু মানুষটা আর থাকে না। সম্পর্ক শেষ হয়, অথচ আবেগ থেকে যায় একান্ত নীরবতায়। এই চিরন্তন বিষাদকে স্পর্শ করে নতুন গান নিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশের প্রগতিশীল ব্যান্ড অবশেষ। তাদের সদ্য প্রকাশিত গান ‘সত্য আবেশ’ বলেছে সেই না-পাওয়ার কথা, যেখানে ভালোবাসা ভাঙে না, কেবল সরে যায়। তরুণদের নিয়ে গঠিত ব্যান্ড ‘অবশেষ’ চলমান অ্যালবাম […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৫, ১৯:৩১

ভালোবাসা সবসময় রয়ে যায়, কিন্তু মানুষটা আর থাকে না। সম্পর্ক শেষ হয়, অথচ আবেগ থেকে যায় একান্ত নীরবতায়। এই চিরন্তন বিষাদকে স্পর্শ করে নতুন গান নিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশের প্রগতিশীল ব্যান্ড অবশেষ। তাদের সদ্য প্রকাশিত গান ‘সত্য আবেশ’ বলেছে সেই না-পাওয়ার কথা, যেখানে ভালোবাসা ভাঙে না, কেবল সরে যায়।

তরুণদের নিয়ে গঠিত ব্যান্ড ‘অবশেষ’ চলমান অ্যালবাম “অধরা”-এর চতুর্থ মৌলিক গান হিসেবে ‘সত্য আবেশ’ প্রকাশ করেছে ২৯ জুলাই, ঢাকার ফার্মগেটের ‘হেভি মেটাল টি-শার্ট’ আউটলেটে আনুষ্ঠানিকভাবে। ভালোবাসা, অমোচনীয় হৃদয়ের আবেশ এবং নিঃশব্দ বেদনার মিশ্রণে গঠিত এই গানটি ইতোমধ্যে আগ্রহী শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।

গানটির কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন তৌকির নিশার, কণ্ঠে আছেন স্বাক্ষর। গিটারে ছিলেন ফাইয়াজ ও অর্ক, বেজ গিটারে ফাইয়াজ, বাঁশিতে অঙ্কণ, এবং ড্রামে ছিলেন রৌদ্র। গানের গল্পনির্ভর মিউজিক ভিডিও নির্মাণ ও পরিচালনা করেছেন ব্যান্ডের ম্যানেজার রেয়ান মাহাদী। ভিডিওটিতে অতিনাটকীয়তা নেই, বরং বাস্তব অনুভূতির কাছে পৌঁছানোর আন্তরিক প্রচেষ্টা রয়েছে।

ব্যান্ডের ড্রামার ও প্রতিষ্ঠাতা রৌদ্র চৌধুরী বলেন, “সত্য আবেশ আমাদের হৃদয়ের খুব কাছের একটি গান। আমরা বিশ্বাস করি—এই অনুভবটা, এই না-পাওয়ার গভীরতাটা—প্রত্যেক শ্রোতার মনে একটা না একটা সময় বাজবেই।”

গীতিকবি তৌকির নিশার বলেন, “গানটি এমন এক মুহূর্তের কথা বলে, যা চলে যাওয়ার পরেও থেকে যায়। এই অনুভূতির গায়ে সত্যের আবেশ লেগে থাকে সারাজীবন।”

নির্দেশক রেয়ান মাহাদী জানান, “এই গানটির গল্প বাস্তবের কাছাকাছি, যেখানে ভালোবাসা সবসময় থেকে গেলেও, মানুষটা হারিয়ে যায়। ভিডিওতে আমরা সেই না-পাওয়ার আবেগ এবং সত্য ভালোবাসার অনুরণন তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”

‘সত্য আবেশ’ কেবল একটি গান নয়—এটি যেন এক ধরনের আত্মদর্শন, যেখানে সুরের ভেতর আটকে থাকে হারানো সম্পর্কের প্রতিধ্বনি।

“অধরা” অ্যালবামের একেকটি গান—একেকটি অনুভব। অবশেষ ব্যান্ডের চলমান এই অ্যালবাম শুধুই কিছু গান নয়—এ যেন এক একটি আত্মজিজ্ঞাসার রূপ। এই অ্যালবামের প্রতিটি সুরে ফুটে উঠেছে তরুণ প্রজন্মের হারিয়ে ফেলা সময়, অপ্রাপ্ত প্রেম, সমাজে টিকে থাকার লড়াই এবং নিঃশব্দ কষ্ট।

“অধরা” ভালোবাসার সেই মরিচীকার কথা বলে, যা পাশে থেকেও ধরা দেয় না। ছুঁতে গেলে যেন আরও দূরে সরে যায়। গানটি এক অসমাপ্ত চাওয়ার বর্ণনা, যেখানে ভালোবাসা অস্তিত্বে থাকে, কিন্তু অর্জনে নয়।

“শৈশব” হারিয়ে যাওয়া নির্মল সময়কে নতুন করে অনুভব করায়। শৈশব এখানে কেবল একটি বয়স নয়, বরং এক ধরনের নির্মলতা, যা এখন শুধুই স্মৃতির ধুলোমাখা প্রান্তরে বাস করে। আধুনিক জীবনের ক্লান্তির ভেতরে চাপা পড়ে যাওয়া সেই সময়গুলোকে ফিরিয়ে আনার এক নিঃশব্দ ডাক।

“এই আমি” একজন মানুষের আত্মসংঘর্ষের গল্প। সমাজের চাপ, রীতি আর সীমাবদ্ধতার ভিড়ে নিজের অস্তিত্ব খুঁজে ফেরার যন্ত্রণা। গানটি বলেছে, আমরা সবাই হয়তো বাইরে থেকে পরিপূর্ণ, কিন্তু ভেতরে লড়ছি নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে।

“সত্য আবেশ” সেই না-পাওয়ার অনুভূতির সুর, যা চাইলেও ভুলে থাকা যায় না। কিছু সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়, কিন্তু কিছু অনুভব হৃদয়ের গোপন প্রকোষ্ঠে চিরকাল বেঁচে থাকে। এই গান সেই নিঃশব্দ বেদনার মেলোডি, যেখানে ভালোবাসা মুখ নেই, নাম নেই, কেবল ব্যথা হয়ে বাজে।

অবশেষ ব্যান্ডের “অধরা” অ্যালবামটি যেন সময়, আত্মপরিচয়, হারানো স্বপ্ন আর প্রেমের ভেতরে ঢেউ তোলা এক সুরযাত্রা। প্রতিটি গান শ্রোতাকে নিয়ে যায় এক নির্জন আত্মদর্শনের পথে, যেখানে প্রশ্নের চেয়েও বেশি জরুরি হয়ে ওঠে অনুভব।

‘সত্য আবেশ’ এখন অবশেষ ব্যান্ডের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে পাওয়া যাচ্ছে। যারা একসময় ভালোবেসেছেন, কিন্তু তা হারিয়ে ফেলেছেন—তাদের হৃদয়ের কথা হয়তো এই গানই বলবে। যারা অনুভব করতে জানেন, কিন্তু বলতে পারেন না—তাদের জন্য এ এক নিঃশব্দ ভাষা।

এই গান শুধুই শোনার জন্য নয়—এটি অনুভব করার জন্য।

বিনোদন

‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’: দীপ্তি চৌধুরী

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!” দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:০৫

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!”

দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার সাহেব’ শব্দটি থাকলেও নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিল রেখে তিনি ব্যবহার করেছেন ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আক্দের পর প্রকাশিত ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দীপ্তির আবেগঘন ক্যাপশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীরা নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করছেন। নতুন জীবনের জন্য তাঁদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সবাই।

বিনোদন

‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে: দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১৮:৪১

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দীপ্তির স্বামী বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি (ক্যান্সার বিজ্ঞান) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীপ্তি চৌধুরী টেলিভিশন টকশো ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এবং ‘স্ট্রেইট কাট’সহ একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত।

বিনোদন

‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন, কিন্তু আমি নিজের মত বদলাব না’: অরিজিৎ সিং

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। সংসদ অভিযানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের সমালোচনা করেন। সেই পোস্ট ঘিরে যেমন প্রশংসা হয়েছে, তেমনি সমালোচনাও এসেছে। এক ভক্তের কড়া মন্তব্যের জবাবে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন এই গায়ক। অরিজিৎ লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের মারধর করা […]

‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন, কিন্তু আমি নিজের মত বদলাব না’: অরিজিৎ সিং

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১৬:০১

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। সংসদ অভিযানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের সমালোচনা করেন। সেই পোস্ট ঘিরে যেমন প্রশংসা হয়েছে, তেমনি সমালোচনাও এসেছে। এক ভক্তের কড়া মন্তব্যের জবাবে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন এই গায়ক।

অরিজিৎ লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের মারধর করা হচ্ছে! দিল্লি পুলিশ, আপনাদের কি লজ্জা হচ্ছে না? নেতা-মন্ত্রীদের বলছি, এসব কী হচ্ছে? আপনারা কি নিজেদেরই ভগবান মনে করছেন? সবকিছু মনে রাখা হবে। হর হর মহাদেব।’

একই পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘মনে রাখবেন, পরিবর্তনই একমাত্র ধ্রুবক।’

এই পোস্টের পর এক ভক্ত মন্তব্য করেন, অরিজিতের প্রতি তাঁর সব শ্রদ্ধা নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি লেখেন, ‘এত দিন আপনার ভক্ত ছিলাম। কিন্তু এখন আপনাকে হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে ঘৃণা করি।’

সেই মন্তব্যের জবাবে শান্ত ভাষাতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অরিজিৎ। তিনি বলেন, ‘কে আমাকে সম্মান করল আর কে করল না, তা নিয়ে আমি ভাবি না। সবারই আলাদা মতামত থাকতে পারে। আপনি আমার ভক্ত বলেই যে আমাকে আপনার মতো করে কথা বলতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।’

পাশাপাশি ওই ভক্তের অনুভূতিতে আঘাত লেগে থাকলে দুঃখও প্রকাশ করেন তিনি। অরিজিৎ লেখেন, ‘মানুষ হিসেবে আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি। আমার কথায় যদি আপনার কষ্ট হয়ে থাকে, তার জন্য দুঃখিত। তবে আমি এই বিষয়টি নিয়ে সত্যিই ক্ষুব্ধ এবং স্বাধীনভাবে আমার মত প্রকাশ করেছি।’

শেষে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথাও স্পষ্ট করেন এই গায়ক। তিনি লেখেন, ‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন। আমার অস্তিত্বও ভুলে যেতে পারেন। সুখে থাকুন। কিন্তু আমার মতামতে কোনো পরিবর্তন আসবে না।’

অরিজিতের এই জবাব সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক অনুরাগী তাঁর স্পষ্ট অবস্থানের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ ভিন্নমতও প্রকাশ করেছেন।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন