মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

যাদের গানে হৃদয়ের জমে থাকা বেদনা ছুঁয়ে যায়-সেই অবশেষ ব্যান্ডের নতুন গান ‘সত্য আবেশ’

ভালোবাসা সবসময় রয়ে যায়, কিন্তু মানুষটা আর থাকে না। সম্পর্ক শেষ হয়, অথচ আবেগ থেকে যায় একান্ত নীরবতায়। এই চিরন্তন বিষাদকে স্পর্শ করে নতুন গান নিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশের প্রগতিশীল ব্যান্ড অবশেষ। তাদের সদ্য প্রকাশিত গান ‘সত্য আবেশ’ বলেছে সেই না-পাওয়ার কথা, যেখানে ভালোবাসা ভাঙে না, কেবল সরে যায়। তরুণদের নিয়ে গঠিত ব্যান্ড ‘অবশেষ’ চলমান অ্যালবাম […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৫, ১৯:৩১

ভালোবাসা সবসময় রয়ে যায়, কিন্তু মানুষটা আর থাকে না। সম্পর্ক শেষ হয়, অথচ আবেগ থেকে যায় একান্ত নীরবতায়। এই চিরন্তন বিষাদকে স্পর্শ করে নতুন গান নিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশের প্রগতিশীল ব্যান্ড অবশেষ। তাদের সদ্য প্রকাশিত গান ‘সত্য আবেশ’ বলেছে সেই না-পাওয়ার কথা, যেখানে ভালোবাসা ভাঙে না, কেবল সরে যায়।

তরুণদের নিয়ে গঠিত ব্যান্ড ‘অবশেষ’ চলমান অ্যালবাম “অধরা”-এর চতুর্থ মৌলিক গান হিসেবে ‘সত্য আবেশ’ প্রকাশ করেছে ২৯ জুলাই, ঢাকার ফার্মগেটের ‘হেভি মেটাল টি-শার্ট’ আউটলেটে আনুষ্ঠানিকভাবে। ভালোবাসা, অমোচনীয় হৃদয়ের আবেশ এবং নিঃশব্দ বেদনার মিশ্রণে গঠিত এই গানটি ইতোমধ্যে আগ্রহী শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।

গানটির কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন তৌকির নিশার, কণ্ঠে আছেন স্বাক্ষর। গিটারে ছিলেন ফাইয়াজ ও অর্ক, বেজ গিটারে ফাইয়াজ, বাঁশিতে অঙ্কণ, এবং ড্রামে ছিলেন রৌদ্র। গানের গল্পনির্ভর মিউজিক ভিডিও নির্মাণ ও পরিচালনা করেছেন ব্যান্ডের ম্যানেজার রেয়ান মাহাদী। ভিডিওটিতে অতিনাটকীয়তা নেই, বরং বাস্তব অনুভূতির কাছে পৌঁছানোর আন্তরিক প্রচেষ্টা রয়েছে।

ব্যান্ডের ড্রামার ও প্রতিষ্ঠাতা রৌদ্র চৌধুরী বলেন, “সত্য আবেশ আমাদের হৃদয়ের খুব কাছের একটি গান। আমরা বিশ্বাস করি—এই অনুভবটা, এই না-পাওয়ার গভীরতাটা—প্রত্যেক শ্রোতার মনে একটা না একটা সময় বাজবেই।”

গীতিকবি তৌকির নিশার বলেন, “গানটি এমন এক মুহূর্তের কথা বলে, যা চলে যাওয়ার পরেও থেকে যায়। এই অনুভূতির গায়ে সত্যের আবেশ লেগে থাকে সারাজীবন।”

নির্দেশক রেয়ান মাহাদী জানান, “এই গানটির গল্প বাস্তবের কাছাকাছি, যেখানে ভালোবাসা সবসময় থেকে গেলেও, মানুষটা হারিয়ে যায়। ভিডিওতে আমরা সেই না-পাওয়ার আবেগ এবং সত্য ভালোবাসার অনুরণন তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”

‘সত্য আবেশ’ কেবল একটি গান নয়—এটি যেন এক ধরনের আত্মদর্শন, যেখানে সুরের ভেতর আটকে থাকে হারানো সম্পর্কের প্রতিধ্বনি।

“অধরা” অ্যালবামের একেকটি গান—একেকটি অনুভব। অবশেষ ব্যান্ডের চলমান এই অ্যালবাম শুধুই কিছু গান নয়—এ যেন এক একটি আত্মজিজ্ঞাসার রূপ। এই অ্যালবামের প্রতিটি সুরে ফুটে উঠেছে তরুণ প্রজন্মের হারিয়ে ফেলা সময়, অপ্রাপ্ত প্রেম, সমাজে টিকে থাকার লড়াই এবং নিঃশব্দ কষ্ট।

“অধরা” ভালোবাসার সেই মরিচীকার কথা বলে, যা পাশে থেকেও ধরা দেয় না। ছুঁতে গেলে যেন আরও দূরে সরে যায়। গানটি এক অসমাপ্ত চাওয়ার বর্ণনা, যেখানে ভালোবাসা অস্তিত্বে থাকে, কিন্তু অর্জনে নয়।

“শৈশব” হারিয়ে যাওয়া নির্মল সময়কে নতুন করে অনুভব করায়। শৈশব এখানে কেবল একটি বয়স নয়, বরং এক ধরনের নির্মলতা, যা এখন শুধুই স্মৃতির ধুলোমাখা প্রান্তরে বাস করে। আধুনিক জীবনের ক্লান্তির ভেতরে চাপা পড়ে যাওয়া সেই সময়গুলোকে ফিরিয়ে আনার এক নিঃশব্দ ডাক।

“এই আমি” একজন মানুষের আত্মসংঘর্ষের গল্প। সমাজের চাপ, রীতি আর সীমাবদ্ধতার ভিড়ে নিজের অস্তিত্ব খুঁজে ফেরার যন্ত্রণা। গানটি বলেছে, আমরা সবাই হয়তো বাইরে থেকে পরিপূর্ণ, কিন্তু ভেতরে লড়ছি নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে।

“সত্য আবেশ” সেই না-পাওয়ার অনুভূতির সুর, যা চাইলেও ভুলে থাকা যায় না। কিছু সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়, কিন্তু কিছু অনুভব হৃদয়ের গোপন প্রকোষ্ঠে চিরকাল বেঁচে থাকে। এই গান সেই নিঃশব্দ বেদনার মেলোডি, যেখানে ভালোবাসা মুখ নেই, নাম নেই, কেবল ব্যথা হয়ে বাজে।

অবশেষ ব্যান্ডের “অধরা” অ্যালবামটি যেন সময়, আত্মপরিচয়, হারানো স্বপ্ন আর প্রেমের ভেতরে ঢেউ তোলা এক সুরযাত্রা। প্রতিটি গান শ্রোতাকে নিয়ে যায় এক নির্জন আত্মদর্শনের পথে, যেখানে প্রশ্নের চেয়েও বেশি জরুরি হয়ে ওঠে অনুভব।

‘সত্য আবেশ’ এখন অবশেষ ব্যান্ডের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে পাওয়া যাচ্ছে। যারা একসময় ভালোবেসেছেন, কিন্তু তা হারিয়ে ফেলেছেন—তাদের হৃদয়ের কথা হয়তো এই গানই বলবে। যারা অনুভব করতে জানেন, কিন্তু বলতে পারেন না—তাদের জন্য এ এক নিঃশব্দ ভাষা।

এই গান শুধুই শোনার জন্য নয়—এটি অনুভব করার জন্য।

বিনোদন

দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ, তবু বলি আলহামদুলিল্লাহ : কনকচাঁপা

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে শোবিজের অনেকের নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত সবাই ফিরেছেন শূন্য হাতে। এরপর সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, দিলরুবা খান, কনকচাঁপা, রিজিয়া পারভীন, দিঠি আনোয়ার, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকসহ অনেকেই। কিন্তু সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশিত তালিকায় শোবিজ অঙ্গনের কোনো […]

নিউজ ডেস্ক

২০ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৪৬

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে শোবিজের অনেকের নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত সবাই ফিরেছেন শূন্য হাতে। এরপর সংরক্ষিত নারী

আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, দিলরুবা খান, কনকচাঁপা, রিজিয়া পারভীন, দিঠি আনোয়ার, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকসহ অনেকেই। কিন্তু সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশিত তালিকায় শোবিজ অঙ্গনের কোনো শিল্পীর নাম দেখা যায়নি।

প্রকাশিত তালিকা প্রকাশ পাওয়ার পর আজ দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডি ও ভেরিফাইড পেজে কয়েকটি পোস্ট করেন কনকচাঁপা। তার মধ্যে একটিতে তিনি শুধু ১১ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ শব্দটি লেখেনে। এরপর আরেকটি পোস্ট করেন তিনি, যেখানে আগের পোস্টের ব্যাখ্যা দিয়ে নিজের রাজনীতি, দলের মূল্যায়ন ও দেশের হয়ে কাজ করার কথা উল্লেখ করেন কনকচাঁপা।

শুরুতেই কনকচাঁপা লিখেছেন, ‘জীবনের যে কোনো পরিস্থিতিতেই আমি আলহামদুলিল্লাহ বলি। সবই আল্লাহর ফায়সালা। সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য যুদ্ধ করলাম।

তখনও নমিনেশন না পেয়েও আলহামদুলিল্লাহ বলেছি নির্দ্বিধায়। গ্রামের মানুষের প্রবল চাহিদার জন্য আবারও গেলাম সংরক্ষিত আসনের এই প্রসেসে। সেখানেও তারা আমাকে মূল্যায়ন করলো না। তবু্ও বলি আলহামদুলিল্লাহ।’

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত না হওয়ার মধ্যেই মঙ্গল আছে বলেও মানে করেন এই সংগীতশিল্পী। তিনি লেখেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ এর মধ্যে মঙ্গল রেখেছেন। জীবন তো এখানেই শেষ হয়ে গেলো না। আপনারা যেভাবে আমার সাথে ছিলেন আশাকরি সেভাবেই থাকবেন।’

এরপর নিজের দল বিএনপির কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি নিতান্তই সাদামাটা মানুষ। দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ। কিন্তু আমি জানি এই দেশ আমার। গান ছাড়াও এ দেশকে দেওয়ার অনেক কিছু বাকী আছে।’

মনোনয়ন না পেলেও দেশের হয়ে কাজ করে যাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমি আছি দেশের হয়ে, দশের হয়ে। আর কিছু যদি নাও পারি মরে গিয়ে মাটিতে মিশে মাটি উর্বর করতে পারবো নিশ্চয়ই। আমার জন্য দোয়া করবেন।’

বিনোদন

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে ডুবে না ফেরার দেশে অভিনেতা রাহুল

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে। জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা। তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ মার্চ ২০২৬, ২০:৪৪

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে।

জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা।

তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। দিঘা হাসপাতালেই ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা।
আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষে অভিনেতা দিগন্ত বাগচী জানিয়েছেন, শুটিং শেষ হওয়ার পরে তিনি পানিতে নামেন।

তিনি বলেন, “হয় ও সাঁতার জানত না, বা কোনোভাবে আটকে পড়েছিল। হঠাৎ টেকনিশিয়নরা চিৎকার করতে করতে বলেন, ‘রাহুলদা ডুবে যাচ্ছে’। যখন উদ্ধার করা হয়, তখনও বেঁচে ছিল। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে ওকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বিনোদন

‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে: দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১৮:৪১

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দীপ্তির স্বামী বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি (ক্যান্সার বিজ্ঞান) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীপ্তি চৌধুরী টেলিভিশন টকশো ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এবং ‘স্ট্রেইট কাট’সহ একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত।