বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

হলে সিট প্রাপ্তও পেলেন আবাসন বৃত্তি, উভয় থেকে বঞ্চিত জবির ২০ ব্যাচের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আবাসন বৃত্তির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত প্রথম ও দ্বিতীয় তালিকা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এই বৃত্তির আওতায় এসেছেন। তবে এই তালিকায় এমন অনেক শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন যারা ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে আবাসন সুবিধা ভোগ করছেন। অন্যদিকে, সম্পূর্ণ নতুন শহরে আবাসন ও আর্থিক সংকটে থাকা […]

হলে সিট প্রাপ্তও পেলেন আবাসন বৃত্তি, উভয় থেকে বঞ্চিত জবির ২০ ব্যাচের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০০:১৯

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আবাসন বৃত্তির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত প্রথম ও দ্বিতীয় তালিকা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এই বৃত্তির আওতায় এসেছেন। তবে এই তালিকায় এমন অনেক শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন যারা ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে আবাসন সুবিধা ভোগ করছেন।

অন্যদিকে, সম্পূর্ণ নতুন শহরে আবাসন ও আর্থিক সংকটে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনতম ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের এই তালিকা থেকে পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে হলের শিক্ষার্থীরা আবাসন ও বৃত্তি উভয় সুবিধা পেলেও, ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উভয় সুবিধা থেকেই বঞ্চিত হয়েছেন। এই ‘দ্বিমুখী নীতি’ নিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কৃতক প্রকাশিত তালিকা বিশ্লেষণ করে জানা যায়, প্রথম তালিকায় ২০১৯–২০ থেকে ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের মোট ৮,৩৩০ জন এবং দ্বিতীয় তালিকায় আরও ১,৯৮৯ জন শিক্ষার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কিন্তু আবাসন সংকটে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী ২০তম ব্যাচকে এখনই বৃত্তির আওতায় আনা হচ্ছে না; তাদের বিষয়টি বৃত্তির দ্বিতীয় কিস্তিতে বিবেচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে ‘সম্পূর্ণ অবিচার’ বলে দাবি করে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের অর্থাৎ ২০তম আবর্তনের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শফিক খান হাসিব ব্যাচের শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা নতুন একটি শহরে এসেছি।

এখানে থাকার জায়গা নেই, টিউশন সংকট প্রকট, এর ওপর মেস ভাড়ার বোঝা। অথচ প্রশাসন আমাদের বাদ দিয়ে এমন অনেককে বৃত্তি দিচ্ছে যারা ইতিমধ্যেই হলে থাকছে। কাউকে আবাসন ও আবাসন বৃত্তি দুটোই দেওয়া হচ্ছে, আবার কাউকে দুটোর একটিও দেওয়া হচ্ছে না এটা কোন ধরনের ন্যায্যতা? যদি সবাইকে দিতো, তাহলে হলের শিক্ষার্থীরা পেলেও আমাদের সমস্যা ছিলো না।”

মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ বলেন, “আস-সুন্নাহ হলে যারা থাকেন, তাদের বিষয়টি ভিন্ন। সেখানে পরিবেশ ও সিটের স্থায়িত্ব নিয়ে সমস্যা থাকায় তাদের বৃত্তি পাওয়া যৌক্তিক হতে পারে।

একইভাবে মেয়েদের হলের খুব অস্বচ্ছলদের বিষয়টিও বিবেচনা করা যায়। কিন্তু ঢালাওভাবে হলের সিটপ্রাপ্তদের বৃত্তি দিয়ে পুরো ২০ ব্যাচকে বঞ্চিত করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

আন্দোলনে অংশ না নেওয়ার অযুহাতে ২০ ব্যাচকে বাদ দেওয়ার মানসিকতার কড়া সমালোচনা করেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা বলেন, “অনেকে বলছেন ২০ ব্যাচ বৃত্তির আন্দোলন করেনি, তাই তাদের বাদ দেওয়া যৌক্তিক।

তাদের বলতে চাই, মুক্তিযুদ্ধ বা হল আন্দোলন আমাদের পূর্বপুরুষ বা সিনিয়ররা করেছেন। তার সুফল কি আমরা ভোগ করছি না? প্রকৃত অধিকার আদায়ে যারা লড়েন, তারা সবার জন্যই লড়েন।

তাছাড়া তখন তো আমরা ক্যাম্পাসে ভর্তিই হইনি, তাই আন্দোলনে থাকার প্রশ্নই আসে না। এই খোঁড়া যুক্তি দেখিয়ে কাউকে ‘ডাবল বেনিফিট’ দেওয়া আর নবীনদের রাস্তায় রাখা প্রহসন ছাড়া কিছু নয়।”

শিক্ষার্থীদের দাবি, অনতিবিলম্বে আবাসন বৃত্তির নীতিমালায় সংস্কার এনে ২০তম ব্যাচকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিশেষ করে যারা হলে সিট পাননি এবং অনাবাসিক হিসেবে চরম কষ্টে দিন পার করছেন, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই বৃত্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায়, নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃষ্ট এই অসন্তোষ বড় ধরনের আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে জকসুর এজিএস মাসুদ রানার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টিকে ‘সাংঘর্ষিক’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “বিষয়টি অবশ্যই সাংঘর্ষিক। আমরা চাই আবাসন বৃত্তি তারাই পাবে যারা আবাসন সুবিধায় বা হলে থাকেন না, মেসে থাকেন।

আমি বর্তমানে বাড়িতে থাকায় অফিশিয়ালি এখনো বিস্তারিত দেখিনি। তবে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে তালিকা সংশোধন করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাব।”

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, জকসুর ভিপি এবং সমাজসেবা ও শিক্ষার্থীকল্যাণ সম্পাদকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

প্রাসঙ্গত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লং মার্চ টু যমুনা আন্দোলনের ফলে সরকার আবাসন বৃত্তি চালুর উদ্যোগ নেয়। তবে বণ্টন প্রক্রিয়ায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রকৃত সংকটগ্রস্ত নবীনদের বাদ দেওয়ায় এই মহৎ উদ্যোগটি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।