বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

হলে সিট প্রাপ্তও পেলেন আবাসন বৃত্তি, উভয় থেকে বঞ্চিত জবির ২০ ব্যাচের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আবাসন বৃত্তির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত প্রথম ও দ্বিতীয় তালিকা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এই বৃত্তির আওতায় এসেছেন। তবে এই তালিকায় এমন অনেক শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন যারা ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে আবাসন সুবিধা ভোগ করছেন। অন্যদিকে, সম্পূর্ণ নতুন শহরে আবাসন ও আর্থিক সংকটে থাকা […]

হলে সিট প্রাপ্তও পেলেন আবাসন বৃত্তি, উভয় থেকে বঞ্চিত জবির ২০ ব্যাচের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০০:১৯

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আবাসন বৃত্তির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত প্রথম ও দ্বিতীয় তালিকা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এই বৃত্তির আওতায় এসেছেন। তবে এই তালিকায় এমন অনেক শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন যারা ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে আবাসন সুবিধা ভোগ করছেন।

অন্যদিকে, সম্পূর্ণ নতুন শহরে আবাসন ও আর্থিক সংকটে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনতম ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের এই তালিকা থেকে পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে হলের শিক্ষার্থীরা আবাসন ও বৃত্তি উভয় সুবিধা পেলেও, ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উভয় সুবিধা থেকেই বঞ্চিত হয়েছেন। এই ‘দ্বিমুখী নীতি’ নিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কৃতক প্রকাশিত তালিকা বিশ্লেষণ করে জানা যায়, প্রথম তালিকায় ২০১৯–২০ থেকে ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের মোট ৮,৩৩০ জন এবং দ্বিতীয় তালিকায় আরও ১,৯৮৯ জন শিক্ষার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কিন্তু আবাসন সংকটে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী ২০তম ব্যাচকে এখনই বৃত্তির আওতায় আনা হচ্ছে না; তাদের বিষয়টি বৃত্তির দ্বিতীয় কিস্তিতে বিবেচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে ‘সম্পূর্ণ অবিচার’ বলে দাবি করে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের অর্থাৎ ২০তম আবর্তনের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শফিক খান হাসিব ব্যাচের শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা নতুন একটি শহরে এসেছি।

এখানে থাকার জায়গা নেই, টিউশন সংকট প্রকট, এর ওপর মেস ভাড়ার বোঝা। অথচ প্রশাসন আমাদের বাদ দিয়ে এমন অনেককে বৃত্তি দিচ্ছে যারা ইতিমধ্যেই হলে থাকছে। কাউকে আবাসন ও আবাসন বৃত্তি দুটোই দেওয়া হচ্ছে, আবার কাউকে দুটোর একটিও দেওয়া হচ্ছে না এটা কোন ধরনের ন্যায্যতা? যদি সবাইকে দিতো, তাহলে হলের শিক্ষার্থীরা পেলেও আমাদের সমস্যা ছিলো না।”

মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ বলেন, “আস-সুন্নাহ হলে যারা থাকেন, তাদের বিষয়টি ভিন্ন। সেখানে পরিবেশ ও সিটের স্থায়িত্ব নিয়ে সমস্যা থাকায় তাদের বৃত্তি পাওয়া যৌক্তিক হতে পারে।

একইভাবে মেয়েদের হলের খুব অস্বচ্ছলদের বিষয়টিও বিবেচনা করা যায়। কিন্তু ঢালাওভাবে হলের সিটপ্রাপ্তদের বৃত্তি দিয়ে পুরো ২০ ব্যাচকে বঞ্চিত করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

আন্দোলনে অংশ না নেওয়ার অযুহাতে ২০ ব্যাচকে বাদ দেওয়ার মানসিকতার কড়া সমালোচনা করেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা বলেন, “অনেকে বলছেন ২০ ব্যাচ বৃত্তির আন্দোলন করেনি, তাই তাদের বাদ দেওয়া যৌক্তিক।

তাদের বলতে চাই, মুক্তিযুদ্ধ বা হল আন্দোলন আমাদের পূর্বপুরুষ বা সিনিয়ররা করেছেন। তার সুফল কি আমরা ভোগ করছি না? প্রকৃত অধিকার আদায়ে যারা লড়েন, তারা সবার জন্যই লড়েন।

তাছাড়া তখন তো আমরা ক্যাম্পাসে ভর্তিই হইনি, তাই আন্দোলনে থাকার প্রশ্নই আসে না। এই খোঁড়া যুক্তি দেখিয়ে কাউকে ‘ডাবল বেনিফিট’ দেওয়া আর নবীনদের রাস্তায় রাখা প্রহসন ছাড়া কিছু নয়।”

শিক্ষার্থীদের দাবি, অনতিবিলম্বে আবাসন বৃত্তির নীতিমালায় সংস্কার এনে ২০তম ব্যাচকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিশেষ করে যারা হলে সিট পাননি এবং অনাবাসিক হিসেবে চরম কষ্টে দিন পার করছেন, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই বৃত্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায়, নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃষ্ট এই অসন্তোষ বড় ধরনের আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে জকসুর এজিএস মাসুদ রানার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টিকে ‘সাংঘর্ষিক’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “বিষয়টি অবশ্যই সাংঘর্ষিক। আমরা চাই আবাসন বৃত্তি তারাই পাবে যারা আবাসন সুবিধায় বা হলে থাকেন না, মেসে থাকেন।

আমি বর্তমানে বাড়িতে থাকায় অফিশিয়ালি এখনো বিস্তারিত দেখিনি। তবে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে তালিকা সংশোধন করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাব।”

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, জকসুর ভিপি এবং সমাজসেবা ও শিক্ষার্থীকল্যাণ সম্পাদকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

প্রাসঙ্গত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লং মার্চ টু যমুনা আন্দোলনের ফলে সরকার আবাসন বৃত্তি চালুর উদ্যোগ নেয়। তবে বণ্টন প্রক্রিয়ায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রকৃত সংকটগ্রস্ত নবীনদের বাদ দেওয়ায় এই মহৎ উদ্যোগটি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।