বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ মিছিল

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি: সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ফার্মেসি বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরীক্ষার কেন্দ্রে দায়িত্বপালন সংক্রান্ত ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার ও মানহানির অভিযোগে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বের হয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান […]

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ মিছিল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১৬

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি:

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ফার্মেসি বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরীক্ষার কেন্দ্রে দায়িত্বপালন সংক্রান্ত ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার ও মানহানির অভিযোগে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বের হয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয়।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৪১৭-নং কক্ষে চলাকালীন ফাইনাল পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় ৪ জন শিক্ষার্থীকে এক্সপেইল করেন পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত শিক্ষকরা।

এ ঘটনার পরে উক্ত পরীক্ষার হলে দায়িত্বে থাকা ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা সমালোচনা শুরু হয়। এ ঘটনায় শিক্ষকের প্রতি মিথ্যা অপপ্রচার ও মানহানি হয়েছে বলে দাবি করেন ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

প্রতিবাদ মিছিলে শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষকের নামে অবমাননা এবং অপপ্রচার চালানোর সাথে যুক্ত ব্যাক্তিদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে একাডেমিক শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং যেসকল ফেসবুক পেইজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান নষ্ট ও শিক্ষকদের সম্মানহানী করে আগামী ১ কর্মদিবসের মধ্যে সেসকল পেইজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এসময় তারা, ‘শিক্ষকের অপমান, মানি না মানবো না’,

‘নকলের শাস্তি ন্যায় সঙ্গত, ন্যায় সঙ্গত’ সহ আরো স্লোগান দিতে থাকে।

ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহজাহান সম্রাট বলেন, ‘যেসব পেইজের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষকদের নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আমাদের আন্দোলন আরো বেগবান হবে।

আজ শুধু ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষকদের জন্য নয় পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য এ আন্দোলন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নামে মিথ্যা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।’

ফার্মেসি বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের কোষাধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুর রহিম বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থীর কাছে মোবাইল থাকা এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ জনিত অপরাধ।

একজন শিক্ষক যখন এই অপরাধের শাস্তি দেয় এটা তার দায়িত্ব, সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সে যদি অপরাধী হয় তাহলে আমরা মনে করি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও শিক্ষা দুটো’ই নষ্ট হচ্ছে।

আমরা আরো কড়া ভাবে বলতে চাই শিক্ষক যখন নকলের সাজা দিবে তখন সেই শিক্ষক শিক্ষার্থী বিরোধী হয়ে যাচ্ছে ব্যাপার টা এরকম নয়।

পরে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং যেসকল পেইজের মাধ্যম অপপ্রচার-অবমাননা চালানো হয় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।