রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নানা আয়োজনে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন 

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি: সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) ‘স্বাস্থ্যের জন্য একসাথে, বিজ্ঞানের পাশে দাড়ান’ প্রতিপাদ্যে র‍্যালি, বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজনে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সাংসদ ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন। মঙ্গলবার (৭ই এপ্রিল) সকালে গণস্বাস্থ্য ও গবি’র যৌথ আয়োজনে দিবসটি উদযাপন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব […]

নানা আয়োজনে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন 

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৫

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি:

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) ‘স্বাস্থ্যের জন্য একসাথে, বিজ্ঞানের পাশে দাড়ান’ প্রতিপাদ্যে র‍্যালি, বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজনে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সাংসদ ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন।

মঙ্গলবার (৭ই এপ্রিল) সকালে গণস্বাস্থ্য ও গবি’র যৌথ আয়োজনে দিবসটি উদযাপন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন।

এদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে র‍্যালি বেরিয়ে মূল ফটক হয়ে গণস্বাস্থ্যের পিএইচএ ভবনে গিয়ে শেষ হয়। পরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে ঢাকা-১৯ আসনের সাংসদ ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী এ. এইচ. এম সফিকুজ্জামান সহ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, গবি ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। পরে পিএইচএ ভবনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ‘স্বাস্থ্যের জন্য একসাথে, বিজ্ঞানের পাশে দাড়ান’ প্রতিপাদ্যে আলোচনা সভায় এন্ট্রি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এর সচেতনতা, ব্যবহারের দিক ও কার্যকারীতা, প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহমুদুল হক শিকদার আলোচনায় বলেন, ‘ওয়ান হেলথ এমন একটি সমন্বিত ধারণা, যেখানে মানুষের স্বাস্থ্যকে আলাদা করে দেখা হয় না; বরং পশুপাখি, পরিবেশ এবং সামগ্রিক ব্যবস্থার সাথে একসূত্রে বিবেচনা করা হয়। এই ধারণার ভেতরে ফিজিওথেরাপি, ফার্মাসিউটিক্যালস, হাসপাতাল সেবা সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত থাকে। অর্থাৎ, চিকিৎসা শুধু একজন ডাক্তার বা একটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয় এটি একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া, যেখানে বিভিন্ন খাত একসাথে কাজ করে।’

প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারের প্রতিপাদ্য “Together for Health, Stand with Science”। এমন একটি আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পারা সত্যিই সৌভাগ্যের, বিশেষ করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র-এর মতো প্রতিষ্ঠানে, যা স্বাধীনতার সময় থেকে মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানের পথচলা শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধের সময়, পরে ১৯৭২ সালে সরকারি জমি বরাদ্দের মাধ্যমে তা আরও বিস্তৃত হয়। সম্প্রতি জাফরুল্লাহ চৌধুরী-কে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হচ্ছে যা তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি।

তিনি বিশ্বাস করতেন, স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে হবে ঘরে ঘরে, শুধু বড় শহরে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না।তিনি শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়া ও বিশ্বের সম্পদ। তাঁর আদর্শদেশের মধ্যেই চিকিৎসা গ্রহণ এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর সভাপতি এ. এইচ. এম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘ওয়ান হেলথ এর অবস্থা সামনে বিপদজনক হতে পারে আমাদের একত্রিতভাবে সেই বিপদ মোকাবেলা করতে হবে।ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশসহ বিশ্বের মানুষের ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য ঝুকি মোকাবেলায় সর্বাত্মক সচেষ্ট।

অনুষ্ঠানের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘ওয়ান হেলথ আজকের আলোচিত ধারণা হলেও বহু আগেই জাফরুল্লাহ চৌধুরী মানুষের সাথে পশুপাখি ও পরিবেশের সমন্বিত স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন।

সুস্থ সমাজ গড়তে এই তিনটির ভারসাম্য অপরিহার্য। কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যায়, সামান্য উপসর্গ বললেই ফার্মেসি থেকে এন্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে যা আমাদের জন্য বড় ধরণের ক্ষতি। বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট ছাড়া ফার্মেসি পরিচালনা বন্ধ ও কঠোর মনিটরিং জরুরি।’

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আধ্যাপক ডা. মেসবাহ্ উদ্দিন আহমেদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।