সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

পাঁচ ছাত্র-সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক ক্যানভাস বিশ্লেষণ

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি দীর্ঘ অচলায়তন ভেঙে দেশের প্রধান পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠিত ডাকসু, রাকসু, চাকসু, জাকসু ও জকসু নির্বাচন কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং এটি সমসাময়িক ছাত্র রাজনীতির গতিপ্রকৃতি এবং শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের একটি সুস্পষ্ট দলিল। ফলাফলের সামগ্রিক ক্যানভাসে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির প্যানেলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য দেখা গেলেও, ব্যালট পেপারে শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করেছেন তারা অন্ধ […]

পাঁচ ছাত্র-সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক ক্যানভাস বিশ্লেষণ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৬

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি

দীর্ঘ অচলায়তন ভেঙে দেশের প্রধান পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠিত ডাকসু, রাকসু, চাকসু, জাকসু ও জকসু নির্বাচন কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং এটি সমসাময়িক ছাত্র রাজনীতির গতিপ্রকৃতি এবং শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের একটি সুস্পষ্ট দলিল।

ফলাফলের সামগ্রিক ক্যানভাসে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির প্যানেলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য দেখা গেলেও, ব্যালট পেপারে শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করেছেন তারা অন্ধ আনুগত্যের চেয়ে সচেতন বিচার-বিবেচনাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

নির্বাচনী ফলাফলের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোট ১২৩টি পদের মধ্যে ১০৩টিতেই (৮৩.৭৩%) জয়লাভ করে শিবির প্যানেল ক্যাম্পাসে তাদের সাংগঠনিক ভিত্তির শক্তিমত্তা জানান দিয়েছে। তবে আস্থার এই চিত্র সব ক্যাম্পাসে একরকম নয়। ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চাকসু) শিক্ষার্থীদের রায় ছিল সবচেয়ে একমুখী।

সেখানে ২৬টি পদের মধ্যে ২৪টিতেই (৯২.৩০%) জয়ী হয়ে সংগঠনটি তাদের নিরাপদ ঘাঁটি নিশ্চিত করেছে। এরপরই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাকসু) অবস্থান, যেখানে ২৩টির মধ্যে ২০টি (৮৬.৯৬%) পদ তাদের দখলে। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডাকসু) ২৮টির মধ্যে ২৩টি (৮২.১৪%) পদ পেয়ে তারা তাদের গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করেছে।

তুলনামূলকভাবে জাহাঙ্গীরনগর (জাকসু) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জকসু) ভিন্নমতের উপস্থিতি লক্ষণীয়। জাকসুতে ৮০% এবং জকসুতে ৭৬.১৯% পদে শিবির জয়ী হলেও, প্রায় ২০-২৪ শতাংশ পদে সাধারণ শিক্ষার্থী বা অন্য প্যানেলের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। যা স্পষ্টত এই দুই ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি ফুটিয়ে তুলেছে।

শীর্ষ পদের মনস্তত্ত্বে ব্যক্তিগত ইমেজ বনাম দলীয় প্রতীক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে লক্ষ্য করা যায়, শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক ক্যানভাসের সবচেয়ে বিচিত্র ও পরিণত রূপ দেখা গেছে শীর্ষ তিন পদের (ভিপি, জিএস, এজিএস) নির্বাচনে। এখানে ভোটাররা কোথাও মার্কা আবার কোথাও প্রার্থীর যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিয়েছেন।

১. ডাকসুর অন্তর্দৃষ্টি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিপি, জিএস ও এজিএস তিনটি শীর্ষ পদেই শিবির জয়ী হলেও ভোটের পরিসংখ্যানে শিক্ষার্থীদের সূক্ষ্ম বিচারবোধ স্পষ্ট। ভিপি পদে সাদিক কায়েম যেখানে প্রায় ৪৮% (৪৭.৯৯%) ভোট পেয়েছেন, সেখানে জিএস পদে এস এম ফরহাদ পেয়েছেন প্রায় ৩৭% (৩৬.৮৯%) ভোট। একই প্যানেলের হলেও ভিপি ও জিএস প্রার্থীর মধ্যে ভোটের এই ১১ শতাংশ ব্যবধান প্রমাণ করে, ঢাবিতে শিক্ষার্থীরা ঢালাওভাবে প্যানেলে ভোট দেননি; বরং পদের গুরুত্ব ও প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা বিচার করেছেন।

২. রাকসুর বৈপরীত্য: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিপি পদে মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ৬২.৮৪% ভোট পেয়ে ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সর্বোচ্চ জনপ্রিয় নেতা হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন। অথচ একই প্যানেলের জিএস প্রার্থী ফাহিম রেজা ২৮.৩৭% ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। অর্থাৎ, শিক্ষার্থীরা ভিপি পদে একজনকে বেছে নিলেও জিএস পদে অন্য মতের প্রার্থীকে যোগ্য মনে করেছেন।

৩. জাকসুর উল্টো চিত্র: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিক উল্টো ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ভিপি পদে শিবিরের প্রার্থী মাত্র ২৯.৮৮% ভোট পেয়ে পরাজিত হলেও, জিএস পদে মাজহারুল ইসলাম ৪৯.১০% ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

৪. চাকসুর একমাত্র ক্ষত: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট পদের ৯২ শতাংশ জিতলেও এজিএস পদে তাদের প্রার্থী সাজ্জাত হোছন মুন্না ২৮.৪৮% ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। এটি প্রমাণ করে, একচেটিয়া আধিপত্যের মধ্যেও শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট পদে যোগ্যতর বিকল্প পেলে তাকেই বেছে নেন।

৫. জকসুর স্থিতিশীলতা: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের রায় ছিল সবচেয়ে সুসংহত ও স্থিতিশীল। এখানে ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম ৫১.১৪% এবং জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ ৫০.৩৭% ভোট পেয়েছেন। শীর্ষ দুই নেতার প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান ১ শতাংশেরও কম। এটি প্রমাণ করে, জকসুতে শিক্ষার্থীরা ব্যক্তি ইমেজের চেয়ে প্যানেলের ওপর সামগ্রিক আস্থা রেখেছেন এবং তাদের ভোট ব্যাংক অটুট ছিল।

নির্বাচন পরবর্তী বিশ্লেষণে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ থেকে পরিলক্ষিত হয় যে, এই ফলাফলের মনস্তাত্ত্বিক বার্তাটি খুব গভীর। জকসুতে স্থিতিশীল ভোটব্যাংক দেখা গেলেও, ডাকসুতে ভোটের তারতম্য এবং রাকসু-জাকসুর মিশ্র ফলাফল প্রমাণ করে আধুনিক শিক্ষার্থীরা মার্কার চেয়ে মেধা ও ব্যক্তি ইমেজকে বেশি মূল্যায়ন করেন। তারা নেতৃত্ব নির্বাচনে অনেক বেশি কৌশলী।

তুলনামূলক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সর্বমোট ১২৩টি পদের মধ্যে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলগুলো ১০৩টি পদে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। যা মোট পদের ৮৩.৭৩ শতাংশ। বিপরীতে ১৬.২৭ শতাংশ পদ নিশ্চিত করে ২০টি পদে জয় লাভ করেছে ছাত্রদলসহ অন্যান্যরা।

সামগ্রিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯২.৩০% পদে জয়যুক্ত করে শিক্ষার্থীরা শিবির সমর্থিত প্যানেলগুলোর প্রতি সর্বোচ্চ আস্থার প্রতিফলন ঘটিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। যেখানে ভোটের ব্যালটে ব্যক্তি হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয়তার সমীকরণে এগিয়ে আছেন শিবির প্যানেলের রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। যিনি এককভাবে কাস্টিং ভোটের ৬২.৮৪% শতাংশ ভোট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। এছাড়াও, সবচেয়ে স্থিতিশীল ভোটের ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভিপি ও জিএসের মধ্যে। যার পরিসংখ্যান ভিত্তিক ভোট পার্থক্য মাত্র ০.৭৭%।

প্রাসঙ্গত, দেশের ৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১,২৮,৮৪০ জন ভোটারের মধ্যে ৮৫,৯৩৫ জন শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। গড় ভোট পড়ার হার ৬৬.৭১%। ডাকসুতে সর্বোচ্চ ৭৩.৪২% এবং চাকসুতে সর্বনিম্ন ৬৪.৩৯% ভোট কাস্টিং হয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পর ব্যালটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের এই সুযোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।