শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ইবি ছাত্রদল নেতা কতৃক শিক্ষকদের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ, সদস্য নুর উদ্দিন ও রাফিজ আহমেদ কর্তৃক প্রক্টর, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি ও অন্যান্য শিক্ষকদের গালিগালাজ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিভাগগুলো হলো— অর্থনীতি, আরবি ভাষা ও সাহিত্য এবং ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বেলা দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে এক মিছিল […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:১২

ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ, সদস্য নুর উদ্দিন ও রাফিজ আহমেদ কর্তৃক প্রক্টর, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি ও অন্যান্য শিক্ষকদের গালিগালাজ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিভাগগুলো হলো— অর্থনীতি, আরবি ভাষা ও সাহিত্য এবং ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বেলা দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে এক মিছিল নিয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে সমবেত হয় তারা। পরে সেখানে মানববন্ধন করেন তারা। এসময় প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

মিছিলে তাদেরকে ‘শিক্ষকদের অপমান সইবে নারে ইবিয়ান’, ‘ প্রক্টরের অপমান সইবে নারে ইবিয়ান’, ‘ ট্রেজারের অপমান সইবে নারে ইবিয়ান’, ‘ প্রোভোস্টের অপমান সইবে নারে ইবিয়ান’, ‘ অপমানকারীদের কালো হাত ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, “যেসব শিক্ষকদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিশ্রমী ও সুনামধন্য শিক্ষকদের মধ্যে কয়েকজন। শুধু ওই শিক্ষকরা নন, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো শিক্ষকের সম্পর্কে একটি ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের এ ধরনের ন্যাক্কারজনক মন্তব্য কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা চাই, তাদের ক্ষমা চাওয়া শুধু প্যাডে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রকাশ্যে জনসম্মুখে হোক।

তারা শুধু শিক্ষকদেরই অবমাননা করেনি, বরং ওই হলের ছাত্রীদের জড়িয়ে কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর মন্তব্য করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। নির্দিষ্ট কোনো সংগঠন নয়, যেকোনো দল-মতের শিক্ষার্থী যদি শিক্ষক ও ছাত্রীদের সম্পর্কে এমন বাজে মন্তব্য করে, তাহলে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমাদের প্রতিবাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, ভবিষ্যতে যেন কেউ শিক্ষক ও ছাত্রীদের বিষয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য না করতে পারে। আমরা তাদেরকে সতর্ক করছি।

আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী রাউফুল্লাহ বলেন, কয়েকজন শিক্ষককে উদ্দেশ্য করে যেসব ছাত্রনেতারা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, তারা আসলে কাদের নেতা? তাঁদের ভাষা যদি এমন হয়, তবে তা আমাদের জন্য লজ্জাজনক। যারা শিক্ষক ও ছাত্রীদের জড়িয়ে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন, তারা কীভাবে নিজেদের ছাত্রনেতা বলে দাবি করেন?

তিনি আরও বলেন, গালি দেওয়ার রাজনীতি, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের রাজনীতি এবং শিক্ষক-ছাত্র সবাইকে অপমান করার সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। শুধু একটি প্যাডে লিখিত ক্ষমা চাওয়ায় বিষয়টি সীমাবদ্ধ রাখা চলবে না; বরং প্রকাশ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। ছাত্র রাজনীতি হতে হবে ছাত্রদের কল্যাণে—অপমান, অশালীনতা বা দম্ভ প্রদর্শনের জন্য নয়।

ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মুবাশ্বির আমিন বলেন, ১৬ই ডিসেম্বর কয়েকজন শিক্ষককে একটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে অপমান করেছে। তারা সেখানকার নারী শিক্ষার্থীদেরও হেনস্তা করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ​আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটিতে আর কোনো শিক্ষকের অপমান সইবো না। যারা এ ধরণের ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমরা দেখেছি তারা তাদের সংগঠনের প্যাডে ক্ষমা চেয়েছে। কিন্তু অবিলম্বে তাদেরকে জনসমুক্ষে তাদের ক্ষমা চাইতে হবে। তারা যাতে ভবিষ্যৎে এরকম দুঃসাহস আর না দেখাতে পারে এজন্যই আমাদের আজকের এই কর্মসূচি।

উল্লেখ্য, গত ১৬ই ডিসেম্বর রাতে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলে মহান বিজয় দিবস ও শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারিত সময়ের পর উচ্চ শব্দে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। অনুষ্ঠান দেরিতে শেষ হওয়ায় পড়াশোনায় ব্যাঘাতের অভিযোগ তুলে শাখা ছাত্রদলের সদস্য রাফিজ আহমেদ ফেসবুক লাইভে আসেন। এ সময় উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতিকে উদ্দেশ্য করে শাখা ছাত্রদলের তিন নেতার কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে শাখা ছাত্রদলের ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দেয় এবং অভিযুক্তরা অনাকাঙ্ক্ষিত ভাষা ব্যবহারের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।