শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নানা আয়োজনে ইবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে পতাকা উত্তোলন, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বেলা সাড়ে ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করা হয়। […]

নানা আয়োজনে ইবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে পতাকা উত্তোলন, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিন বেলা সাড়ে ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে আনন্দের প্রতীক বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী এবং রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। সভায় আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নীরবতা পালন, ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও গণঅভ্যুত্থানে কারাবরণকারী, নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বক্তব্য দেন। সভার সভাপতিত্ব করেন বর্ষপূর্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আব্দুস শাহীদ মিয়া।

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে যারা জীবন তুচ্ছ করে দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। ​যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন তাদের প্রতি সমবেদনা ও পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা। ​একই সাথে বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনে অন্যায়ভাবে যাদেরকে গুম ও হত্যা করা হয়েছে তারা প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। জুলাইয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া সহজ বিষয় ছিল না।

যারা অংশগ্রহণ করে আন্দোলনকে বেগবান করেছেন নেতৃত্ব দিয়েছেন নিঃসন্দেহে তারা ক্ষণজন্মা পুরুষ। জীবনকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেই তারা অংশ নিয়েছে। এই বিষয়গুলোকে আমরা অনেকসময় মূল্যায়ন করতে চাই না, ​এই অবমূল্যায়নই আমাদের দেশে বারবার বিপর্যয় এনেছে। ১৯৭১ সালের পরে দেখেছি যুদ্ধকে কতিপয় রাজনৈতিক দল নিজেদের কৃতিত্ব হিসেবে দাবি করেছে। ​ফলে দেশের মধ্যে বিভাজন হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ​উপলব্ধি করেছিলেন জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া বাংলাদেশকে সামনের দিকে অগ্রসর করা সম্ভব না।

তিনি আরো বলেন, আজকের দিনে সবার প্রতি আহ্বান আন্দোলনে আমাদের মধ্যে কোনো মতপার্থক্য ছিল না। ​আমরা যদি মতপার্থক্য ভুলে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ না হই তাহলে আবারও ফ্যাসিস্টের আগমনের আশঙ্কা করছি। ইতিমধ্যে ফ্যাসিস্টরা বিভিন্ন রূপে ও আকারে বাংলাদেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে।

আসুন বাংলাদেশকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত রাখার ক্ষেত্রে সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি আমাদের কর্তব্য রয়েছে। আমাদের রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় যে উদ্দেশ্যকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠা হয়েছে বর্তমান প্রশাসন তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যাওয়ার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।