সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

গণধর্ষণের বিচারের দাবিতে উত্তাল গণ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

গবি সংবাদদাতা : সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) আইন বিভাগের এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল পুরো ক্যাম্পাস। প্রশাসনের দীর্ঘদিনের উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার ( ৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—গকসু ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে উদাসীনতা ও দায় এড়ানোর অভিযোগ তুলে […]

গণধর্ষণের বিচারের দাবিতে উত্তাল গণ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১:২৬

গবি সংবাদদাতা :

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) আইন বিভাগের এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল পুরো ক্যাম্পাস। প্রশাসনের দীর্ঘদিনের উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার ( ৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—গকসু ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে উদাসীনতা ও দায় এড়ানোর অভিযোগ তুলে দ্রুত বিচার এবং প্রক্টোরিয়াল বডি পুনর্গঠনের দাবি জানান। এসময় প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

এাময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন—‘বাহ্ ভিসি চমৎকার, ধর্ষকদের পাহারাদার’, ‘ধর্ষকদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাস হবে না’, ‘অন্তুরদের চামড়া তুলে নিব আমরা’, ‘ফাঁসি চাই, ধর্ষকদের ফাঁসি চাই’, ‘বিচার চাই, রিমন দালালের বিচার চাই’, ‘এক দফা এক দাবি, ভিসি তুই বাহির হবি’।

পরে ১১টা ৪৫ মিনিটে আন্দোলনকারীরা আইন বিভাগে গিয়ে শিক্ষক লিমন হোসেনের পদত্যাগ দাবি করেন। এ সময় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক রায়হান খান বলেন, “আপনার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ। আমরা সবাই চাই আপনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে চলে যান।”

শিক্ষার্থীরা বলেন, “ধর্ষকের ফাঁসি চাই, প্রক্টোরিয়াল বডির পদত্যাগ চাই, লিমন হোসেনকে চাকরিচ্যুত করতে হবে। বিচার না হলে ভিসির পদত্যাগ চাই।”

গকসুর সমাজ কল্যাণ ও ক্যান্টিন সম্পাদক মনোয়ার হোসেন অন্তর প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বলেন, “প্রশাসনের একজন কর্মকর্তার কারণে আইন বিভাগের অন্তু এত সাহস পেয়েছে। তিনি হলেন ভিসি স্যার। সুষ্ঠু টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ক্যান্টিনের দায়িত্ব অন্য একজন পেলেও ফার্মেসি বিভাগের সিহাব, সম্রাট ও আইন বিভাগের অন্তু তা বন্ধ করতে চেয়েছিল। আমি ভিসি স্যারকে বললে তিনি আমাকে বলেন—‘অন্তর, তুমি ওদের সঙ্গে নেগোসিয়েশনে যাও।’ অথচ অন্তু ক্যান্টিন মালিকের কাছে এক লাখ টাকা চেয়েছে এবং আমাকেও টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এর সঙ্গে আমি কিভাবে নেগোসিয়েশন করি?”

তিনি আরও বলেন, “এমন একজন শিক্ষক যদি প্রশাসনের প্রধান হন, বিশ্ববিদ্যালয় ঠিকভাবে চলতে পারে না। তিনি আমার সংসদের প্রধান হলেও তার পদত্যাগ দাবি করছি। তিনি চলে গেলে সংসদ ভেঙে গেলেও আপত্তি নেই।”

সাম্প্রতিক র‍্যাগিং ইস্যু নিয়েও তিনি ভিসির ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, “র‍্যাগিং প্রতিবেদনে যৌন হেনস্তার বিষয় উল্লেখ নেই—জিজ্ঞেস করলে ভিসি স্যার বলেন, ‘প্যান্ট খোলার কথা বলা হয়েছিল কিন্তু খোলেনি।’ অথচ ভুক্তভোগী নিজেই যৌন হেনস্তার কথা বলেছে। প্রতিবেদন থেকে এই অংশ বাদ গেলো কীভাবে? তখন ভিসি স্যার আমাকে বলেন—‘এসবের জবাব আমি তোমাকে দিতে বাধ্য নই।’”

গকসুর সাধারণ সম্পাদক রায়হান খান বলেন, “আমরা ছাত্রদের ভোটে নির্বাচিত। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। প্রয়োজনে জীবনের বিনিময়ে হলেও আমরা সেই দায়িত্ব পালন করব।”

তিনি আরও বলেন, “আইন বিভাগের ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনার দায় প্রশাসন এড়াতে পারে না। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণেই এমন ঘটনা ঘটছে। তদন্ত করলে দেখা যাবে—অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকা এ ঘটনায় জড়িত। এটা লুকানোর সুযোগ নেই।”

প্রক্টোরিয়াল বডির প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে রায়হান বলেন, “আপনাদের মেরুদণ্ড সোজা না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপদ হবে না। দায়িত্ব পালন করতে না পারলে ছেড়ে দিন। নতুন, শক্তিশালী প্রক্টোরিয়াল বডি গঠন করতে হবে এবং ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীকে সব ধরনের সহায়তা দিতে হবে। এমন শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে যেন ভবিষ্যতে কোনো ছাত্রীকে নিয়ে হাসাহাসির সাহস কেউ না পায়।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এখন ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীরা এমনভাবে নড়িয়ে দেবে যে দাঁড়ানোর জায়গা থাকবে না।”

রায়হান আরও বলেন—“বিচার না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস, পরীক্ষা ও কর্মসূচি বর্জন থাকবে।”

গকসুর সহ–সভাপতি (ভিপি) ইয়াসিন মৃদুল দেওয়ান জানান, “আমার বোন ৭ মাস আগে আইন বিভাগের বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল, কিন্তু কেউ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। রফিকুল স্যারকে বলছি—সব শিক্ষার্থীর সামনে সেই লিখিত অভিযোগটি পড়ে শোনাবেন এবং একই কাগজের অন্য পাশে আপনার পদত্যাগপত্র লিখে আনবেন। এই ঘটনায় বিচার না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।”

এর আগে, গতকাল আশুলিয়া থানায় এক ছাত্রী পিকনিকের কথা বলে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ, ভিডিও ধারণ ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গ্রেপ্তার চারজন হলেন—দেলোয়ার ভূঁইয়া (২৬), তাজুল ইসলাম তাজ (২৩), শ্রাবণ সাহা (২৩) ও অন্তু দেওয়ান (২৮)। তাঁরা গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থী।

এজাহার অনুযায়ী, গত ৭ এপ্রিল অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে অচেতন করে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। পরে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ৯৬ হাজার টাকা আদায় করে। ৬ নভেম্বর তাঁকে আবার আটকে রেখে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করতে চায়। এতে রাজি না হলে মারধর করা হয় এবং নেশাজাতীয় পানীয় খাওয়ানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।