মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

আদালতের রায়ে গবিতে ফিরলেন রেজিস্ট্রার দেলোয়ার, শিক্ষার্থীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় উত্তপ্ত ক্যাম্পাস

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা : পাঁচ বছর পর আবারও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে ফিরছেন মো. দেলোয়ার হোসেন। আদালতের রায়ে তার অব্যাহতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা হওয়ায় তিনি আগের পদে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। তবে চাকরিতে পুনর্বহালের আবেদন জমা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের একাংশের প্রতিবাদের মুখে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত কোনো সমাধান ছাড়াই ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হয় তাকে। […]

আদালতের রায়ে গবিতে ফিরলেন রেজিস্ট্রার দেলোয়ার, শিক্ষার্থীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় উত্তপ্ত ক্যাম্পাস

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ অক্টোবর ২০২৫, ২৩:২১

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা :

পাঁচ বছর পর আবারও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে ফিরছেন মো. দেলোয়ার হোসেন। আদালতের রায়ে তার অব্যাহতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা হওয়ায় তিনি আগের পদে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। তবে চাকরিতে পুনর্বহালের আবেদন জমা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের একাংশের প্রতিবাদের মুখে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত কোনো সমাধান ছাড়াই ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হয় তাকে।

রবিবার (১৯ অক্টোবর) সকালে গণ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিজের আইনজীবিসহ উপস্থিত হন দেলোয়ার হোসেন। এ সময় একদল শিক্ষার্থী তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। পরে তাদেরকে সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আবুল হোসেনের কক্ষে চাকরিতে পুনর্বহালের আবেদন জমা দিতে যান তিনি।

এসময় দেলোয়ার হোসেন বলেন, দেলোয়ার হোসেন বলেন, “যখন আমাকে অবৈধ ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয় সাথে সাথে আমি হাইকোর্টে মামলা করি হাইকোর্টে আমাকে পাঠায় সাভার আঞ্চলিক আদালতে সেখানে ৪ বছর মামলা চলে।

এর মধ্যে এক বছর বিবাদি পক্ষ হাজিরাই দেয় নাই, মামলা চলতে থাকছে এর পর এক পাক্ষিক রায় হইছে আমি নেইনি। এর পর আরও একবার অর্ডার হয় আমি তাও নেইনি। পরে আমি জানাই অন্য পক্ষকে চিঠি দিতে কারেকশন করতে। 

আমি কনটেস্ট করতে চাই। তার পর কনটেস্ট করেছে। কিন্তু স্বাক্ষীর নাম দেয়ার পর আর স্বাক্ষী দেয়নি। ৫ বার বলেছে স্বাক্ষী দেয়ার কথা কেউই স্বাক্ষী দেয় নাই।”

তবে দেলোয়ার হোসেনের পুনর্বহালের খবরে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীদের আরেক অংশ। তাদের দাবি, আদালতে “ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য” উপস্থাপন করে রায় আদায় করেছেন দেলোয়ার হোসেন। তারা অভিযোগ তোলেন, “দেলোয়ার হোসেন দুর্নীতিগ্রস্ত ও চরিত্রহীন”—এই অভিযোগ তুলে উপাচার্যের কক্ষে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

‘লম্পটের গালে জুতা মারো তালে তালে’, ‘লম্পটের চামড়া, তুলে নিবো আমরা’, ‘ভুয়া-ভুয়া’ স্লোগানে স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে প্রশাসনিক ভবন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে উঠলে দেলোয়ার হোসেন ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।

দেলোয়ার হোসেনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কৃষ্ণ বলেন, “রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন দীর্ঘ ৫ বছর মামলা পরিচালনার পরে ০৮/১০/২৫ ইং তারিখে আদালত থেকে রায় পায়।

রায়ে উল্লেখ করা আছে তাকে যে ১২/০৯/২০ তারিখে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে (টার্মিনেট) তা অবৈধ ঘোষণা করেন এবং ওইদিন থেকে তিনি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে বহাল আছে এবং ওইদিন থেকে এখন পর্যন্ত তার যত বেতন-ভাতা বকেয়া আছে সেগুলো পরিশোধ করার আদেশ দিয়েছে আদালত।”

তিনি আরো জানান, “আজকে সে আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে ভিসি বরাবর আবেদন করে, ভিসি প্রথমে আবেদন গ্রহণ করলেও পরবর্তীতে ছাত্র সংসদ ও সাধারণ ছাত্রদের চাপের মুখে তিনি বলেন আজকে না হোক কালকে বা পরশু গ্রহণ করবো এর পরেও যদি সে আবেদন গ্রহণ না করে তাহলে তিনি আমাদের আবেদনে লিখে দিবেন গ্রহণ করা সম্ভব নয়। তার পরে আমরা আবার আদালতে যাবো।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আবুল হোসেন বলেন, “আমরা কোনো অস্থিতিশীল অবস্থা চাই না। সব কিছুরই একটা আইনি প্রক্রিয়া আছে। আইনি প্রক্রিয়ায় আসলে তার (দেলোয়ার হোসেন) কোনো বাঁধা থাকবে না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ড আছে, আইন উপদেষ্টা আছে সে বিষয়গুলোও আমলে নিয়েই পুনর্বহাল হবে।”

উপাচার্য আরও উল্লেখ করেন, “শিক্ষার্থীরা গ্রহণ না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেছে। পুনর্বহালের বিষয়েও বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন, ফলে আপাতত নথি গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।”

উল্লেখ্য, দেলোয়ার হোসেন এর আগে দীর্ঘদিন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালে তার বিরুদ্ধে কিছু প্রশাসনিক অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়।

পরে ২০২০ সালে প্রশাসনিক অনিয়মসহ একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে দেলোয়ার হোসেনকে রেজিস্ট্রার পদ থেকে চাকরিচ্যুত করে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রশাসন। পরে তিনি এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে রিট করেন এবং সম্প্রতি আদালতের রায়ে পুনর্বহাল হন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।