বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

আমি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতিতে বিশ্বাসী : মো. আলী জিন্নাহ

সাম্প্রতিক সময়ে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচিত নাম মো. আলী জিন্নাহ। বিগত বছরগুলোতে তাঁর নেতৃত্বগুন বিমোহিত করেছেন উপজেলার তরুণ ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে। তাঁর সাংগঠনিক গুণাবলি তাকে উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। ফ্যাসিবাদ শাসনে আমল থেকে হামলা-মামলাকে উপেক্ষা করে দলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে রাজনীতি করে মানুষের বিশেষ করে তরুণদের মনজয় করতে সক্ষম হয়েছেন। সাম্প্রতিক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২০:১৮

সাম্প্রতিক সময়ে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচিত নাম মো. আলী জিন্নাহ। বিগত বছরগুলোতে তাঁর নেতৃত্বগুন বিমোহিত করেছেন উপজেলার তরুণ ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে। তাঁর সাংগঠনিক গুণাবলি তাকে উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। ফ্যাসিবাদ শাসনে আমল থেকে হামলা-মামলাকে উপেক্ষা করে দলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে রাজনীতি করে মানুষের বিশেষ করে তরুণদের মনজয় করতে সক্ষম হয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে মো. বদরুল আলম তার ফেইসবুকে পোস্ট করেছেন, “মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ—নামটি আজ গলাচিপা উপজেলার তরুণ সমাজের জন্য এক অনুপ্রেরণার প্রতীক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা আহ্বায়ক হিসেবে তিনি শুধু দলের নেতা নন, বরং পুরো উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের কাছে একজন পরিচ্ছন্ন, নীতিবান ও আদর্শ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।

তার সহজ-সরল হাসিমাখা মুখ, প্রতিবাদী মনোভাব এবং লোভহীন চাওয়া-পাওয়াই তার রাজনীতির মূল শক্তি। ক্ষমতা বা স্বার্থ নয়, মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসাকে তিনি সবসময় অগ্রাধিকার দেন। দলকে সাংগঠনিকভাবে পরিচ্ছন্ন ও ঐক্যবদ্ধ রাখতে তিনি সর্বদা তৎপর, এবং যে কোনো বিভেদ বা অনিয়মের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে দ্বিধা করেন না।

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সবচেয়ে বড় গুণ হলো তার বাচনভঙ্গি ও আচরণ। তিনি এমনভাবে কথা বলেন, যা শোনার পর যে কেউ মুগ্ধ না হয়ে পারে না। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও দল, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে তিনি সদা প্রস্তুত থাকেন।

নিজের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, মানবিক গুণাবলি ও ত্যাগের মানসিকতা দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন—সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করলে রাজনীতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনের এক মহৎ পথ হতে পারে। গলাচিপা উপজেলা আজ গর্ব করে বলতে পারে, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মতো এক স্বচ্ছ ও প্রেরণাদায়ী নেতাকে তারা পেয়েছে।”

নাজমুল হোসাইন তার ফেইসবুক পোস্টে লিখেন, “Good Man, Good Leader

মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ ভাই

একজন ভালো মানুষ সর্বদা সত্যের পথে থাকে,

আর একজন ভালো নেতা সেই সত্যকে সামনে নিয়ে যায়।

যে নেতা মানুষের জন্য ভাবে,

যে নেতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়,

সেই নেতাই ইতিহাসে অমর হয়ে থাকে।

আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করি।”

মো. আল মামুন মোল্লা এক পোস্টে উল্লেখ করেন, “মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,

এ যেন এক সত্যের প্রতীক

সৎ ও আদর্শের লড়াকু সৈনিক

অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক আদর্শের মহান মশাল

নীতি ও নৈতিকতার এক মহান বীর,,”

মাতুব্বর শাহিন নামের একজন ফেইসবুক পোস্ট করেন, “আপনার কাজ থেকে রাজনীতি শেখা।

আপনার কাজ থেকেই মানুষকে ভালোবাসতে শেখা।

আপনাতেই আস্থা, আপনাতেই বিশ্বাস, আপনাতেই শুরু, আপনাতেই শেষ।

ভালোবাসার প্রান প্রিয় লিডার।”

শাহরিয়ার রাসেল এক পোস্টে উল্লেখ করেন, “Good Man, Good Leader মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ একজন ভালো মানুষ সর্বদা সত্যের পথে থাকে, আর একজন ভালো নেতা,সেই সত্যকে সামনে নিয়ে যায়।

যে নেতা মানুষের জন্য ভাবে, যে নেতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, সেই নেতাই ইতিহাসে অমর হয়ে থাকে।”

জাহিদুল ইসলাম অভি লিখেছেন, “Good Man, Good Leader মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ

একজন ভালো মানুষ সর্বদা সত্যের পথে থাকে,

আর একজন ভালো নেতা সেই সত্যকে সামনে নিয়ে যায়। যে নেতা মানুষের জন্য ভাবে, যে নেতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, সেই নেতাই ইতিহাসে অমর হয়ে থাকে। আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করি।”

এক রকম পোস্ট করে তাঁর ভক্ত ও অনুসারীরা অনেকেই মো. আলী জিন্নাহকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন।

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. আলী জিন্নাহ বলেন, “আমি গণ-মানুষের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে রাজপথে লড়াই সংগ্রাম করে যাচ্ছি।

মানুষের ভালোবাসাই আমার প্রেরণা। আমি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমার আদর্শ পটুয়াখালী-৩ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রিয়নেতা জননেতা হাসান মামুনের হাতকে শক্তিশালী করতে মানুষের কাছে তাঁর বার্তা পৌঁছে দিতে নিরালসভাবে কাজ করছি।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।