বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

আমি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতিতে বিশ্বাসী : মো. আলী জিন্নাহ

সাম্প্রতিক সময়ে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচিত নাম মো. আলী জিন্নাহ। বিগত বছরগুলোতে তাঁর নেতৃত্বগুন বিমোহিত করেছেন উপজেলার তরুণ ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে। তাঁর সাংগঠনিক গুণাবলি তাকে উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। ফ্যাসিবাদ শাসনে আমল থেকে হামলা-মামলাকে উপেক্ষা করে দলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে রাজনীতি করে মানুষের বিশেষ করে তরুণদের মনজয় করতে সক্ষম হয়েছেন। সাম্প্রতিক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২০:১৮

সাম্প্রতিক সময়ে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচিত নাম মো. আলী জিন্নাহ। বিগত বছরগুলোতে তাঁর নেতৃত্বগুন বিমোহিত করেছেন উপজেলার তরুণ ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে। তাঁর সাংগঠনিক গুণাবলি তাকে উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। ফ্যাসিবাদ শাসনে আমল থেকে হামলা-মামলাকে উপেক্ষা করে দলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে রাজনীতি করে মানুষের বিশেষ করে তরুণদের মনজয় করতে সক্ষম হয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে মো. বদরুল আলম তার ফেইসবুকে পোস্ট করেছেন, “মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ—নামটি আজ গলাচিপা উপজেলার তরুণ সমাজের জন্য এক অনুপ্রেরণার প্রতীক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা আহ্বায়ক হিসেবে তিনি শুধু দলের নেতা নন, বরং পুরো উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের কাছে একজন পরিচ্ছন্ন, নীতিবান ও আদর্শ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।

তার সহজ-সরল হাসিমাখা মুখ, প্রতিবাদী মনোভাব এবং লোভহীন চাওয়া-পাওয়াই তার রাজনীতির মূল শক্তি। ক্ষমতা বা স্বার্থ নয়, মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসাকে তিনি সবসময় অগ্রাধিকার দেন। দলকে সাংগঠনিকভাবে পরিচ্ছন্ন ও ঐক্যবদ্ধ রাখতে তিনি সর্বদা তৎপর, এবং যে কোনো বিভেদ বা অনিয়মের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে দ্বিধা করেন না।

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সবচেয়ে বড় গুণ হলো তার বাচনভঙ্গি ও আচরণ। তিনি এমনভাবে কথা বলেন, যা শোনার পর যে কেউ মুগ্ধ না হয়ে পারে না। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও দল, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে তিনি সদা প্রস্তুত থাকেন।

নিজের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, মানবিক গুণাবলি ও ত্যাগের মানসিকতা দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন—সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করলে রাজনীতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনের এক মহৎ পথ হতে পারে। গলাচিপা উপজেলা আজ গর্ব করে বলতে পারে, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মতো এক স্বচ্ছ ও প্রেরণাদায়ী নেতাকে তারা পেয়েছে।”

নাজমুল হোসাইন তার ফেইসবুক পোস্টে লিখেন, “Good Man, Good Leader

মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ ভাই

একজন ভালো মানুষ সর্বদা সত্যের পথে থাকে,

আর একজন ভালো নেতা সেই সত্যকে সামনে নিয়ে যায়।

যে নেতা মানুষের জন্য ভাবে,

যে নেতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়,

সেই নেতাই ইতিহাসে অমর হয়ে থাকে।

আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করি।”

মো. আল মামুন মোল্লা এক পোস্টে উল্লেখ করেন, “মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,

এ যেন এক সত্যের প্রতীক

সৎ ও আদর্শের লড়াকু সৈনিক

অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক আদর্শের মহান মশাল

নীতি ও নৈতিকতার এক মহান বীর,,”

মাতুব্বর শাহিন নামের একজন ফেইসবুক পোস্ট করেন, “আপনার কাজ থেকে রাজনীতি শেখা।

আপনার কাজ থেকেই মানুষকে ভালোবাসতে শেখা।

আপনাতেই আস্থা, আপনাতেই বিশ্বাস, আপনাতেই শুরু, আপনাতেই শেষ।

ভালোবাসার প্রান প্রিয় লিডার।”

শাহরিয়ার রাসেল এক পোস্টে উল্লেখ করেন, “Good Man, Good Leader মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ একজন ভালো মানুষ সর্বদা সত্যের পথে থাকে, আর একজন ভালো নেতা,সেই সত্যকে সামনে নিয়ে যায়।

যে নেতা মানুষের জন্য ভাবে, যে নেতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, সেই নেতাই ইতিহাসে অমর হয়ে থাকে।”

জাহিদুল ইসলাম অভি লিখেছেন, “Good Man, Good Leader মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ

একজন ভালো মানুষ সর্বদা সত্যের পথে থাকে,

আর একজন ভালো নেতা সেই সত্যকে সামনে নিয়ে যায়। যে নেতা মানুষের জন্য ভাবে, যে নেতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, সেই নেতাই ইতিহাসে অমর হয়ে থাকে। আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করি।”

এক রকম পোস্ট করে তাঁর ভক্ত ও অনুসারীরা অনেকেই মো. আলী জিন্নাহকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন।

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. আলী জিন্নাহ বলেন, “আমি গণ-মানুষের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে রাজপথে লড়াই সংগ্রাম করে যাচ্ছি।

মানুষের ভালোবাসাই আমার প্রেরণা। আমি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমার আদর্শ পটুয়াখালী-৩ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রিয়নেতা জননেতা হাসান মামুনের হাতকে শক্তিশালী করতে মানুষের কাছে তাঁর বার্তা পৌঁছে দিতে নিরালসভাবে কাজ করছি।”

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।