ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট কমানোর উদ্দেশ্যে অনলাইনে নানা প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্বতন্ত্র সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী শামীম হোসেন। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শামীম হোসেন বলেন, “আমার স্টুডেন্ট অটোনমি ধারণাটা জনপ্রিয় হওয়ার পর বিরোধীরা আমাকে ছাত্রলীগ বানানোর চেষ্টা করেছে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খুবই সচেতন।
তারা কোনটা সঠিক আর কোনটা ভুল, তা ভালোভাবেই বোঝে।” তিনি আরও যোগ করেন, জয়-পরাজয় ব্যালট পেপারের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে, তাই মিথ্যা প্রচারণায় কোনো লাভ হবে না।
নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পরিস্থিতি ভালোই আছে। সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে আসছে। আমরা যারা প্রার্থী আছি, তাদের মধ্যেও সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। আশা করি, নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট হওয়ার মতো কিছু ঘটবে না।”
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে ডাকসু নির্বাচন। এবার মোট ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন, যার মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৮৭৩ এবং ছাত্রী ১৮ হাজার ৯০২ জন। ডাকসুর ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৭১ জন প্রার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি কেন্দ্রে স্থাপিত ৮১০টি বুথে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলছে। লাইনে দাঁড়ানো শিক্ষার্থীরা সময় পেরিয়ে গেলেও ভোট দিতে পারবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
শামীম হোসেনের এই অভিযোগ নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী মনে করছেন, অনলাইনে গুজব বা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য হুমকি হতে পারে। তবে তারা বিশ্বাস করেন, সচেতন ভোটাররা শেষ পর্যন্ত সঠিক প্রার্থীকে বেছে নেবেন।