সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

খাবারের মানোন্নয়ন ও ভর্তুকি বৃদ্ধির দাবিতে জাবি শিক্ষার্থীদের ৫ দফা স্মারকলিপি

জাবি প্রতিনিধি:   জাবিতে ক্যাফেটারিয়ার খাবারের মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি। আজ ( মঙ্গলবার) বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসের ক্যাফেটেরিয়া বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও যৌক্তিক ৫ দফা দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।  এসময় শিক্ষার্থীরা ক্যাফেটেরিয়ার মানোন্নয়ন, ভর্তুকি বৃদ্ধি, খাবারের বৈচিত্র্য ও শিক্ষার্থীবান্ধব মূল্য নির্ধারণ, সকাল […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ মে ২০২৫, ১৮:২৫

জাবি প্রতিনিধি:  

জাবিতে ক্যাফেটারিয়ার খাবারের মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি।

আজ ( মঙ্গলবার) বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসের ক্যাফেটেরিয়া বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও যৌক্তিক ৫ দফা দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। 

এসময় শিক্ষার্থীরা ক্যাফেটেরিয়ার মানোন্নয়ন, ভর্তুকি বৃদ্ধি, খাবারের বৈচিত্র্য ও শিক্ষার্থীবান্ধব মূল্য নির্ধারণ, সকাল ৮ টা হতে রাত ৮ টা অব্দি ক্যাফেটেরিয়া খোলা রাখা, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চার বার খাবার ( সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, বিকেল

ও সন্ধ্যার নাস্তা) ব্যবস্থা, রান্নাঘর এবং ক্যাফেটেরিয়ার সম্পূর্ণ পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। 

পাঁচ দফা দাবিসমূহ হলো: 

১. খাবারের মান উন্নয়ন ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা।

২. ভর্তুকির পরিমাণ বৃদ্ধি করে শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের মূল্য শিক্ষার্থীবান্ধব রাখা।

৩. ক্যাফেটারিয়ার কার্যক্রম সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু রাখা।

৪. প্রতিদিন চারবার (নাশতা, দুপুর, বিকাল, রাতের খাবার) নিয়মিত ও বৈচিত্র্যময় খাবার পরিবেশন করা।

৫. রান্নাঘর এবং ক্যাফেটারিয়ার সম্পূর্ণ পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদানের ব্যাপারে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫০ ব্যাচের শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন আয়ান বলেন ” বর্তমানে ক্যাফেটারিয়ায় পরিবেশিত খাবারের মান, পরিমাণ ও মূল্য শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন

ও আর্থিক সক্ষমতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এছাড়াও, রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় ঘাটতি রয়েছে। গতকাল ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে বিষাক্ত পোকা পাওয়া গিয়েছে। খাবারের দাম অনেক বেশি এবং আইটেমও অনেক কম।

ক্যাফেটেরিয়ার এই বেহাল দশা কাটাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রতিনিয়ত উদাসীনতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। এসব সমস্যা শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনে ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই অতিদ্রুত এই সমস্যা সমাধানে জাবি প্রশাসনকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।” 

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ৪৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাসিম আল তারিক বলেন “গতকাল ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারে যে বিষাক্ত পোকা পাওয়া গিয়েছে এটি নিত্যনতুন কোনো ঘটনা নয়, প্রতিনিয়ত এসব ঘটনা ঘটছে। 

এর আগেও ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারে বিষাক্ত পোকা পাওয়া এবং রান্নাঘরের অপরিচ্ছন্নতা পরিবেশ লক্ষ্য করা গিয়েছে। রান্নাঘরে রেফ্রিজারেটরে খাবার থেকে পঁচা গন্ধ বের হয়েছে।

আমরা চাই এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত করে অতিদ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করুক এবং ক্যাফেটেরিয়ার পরিবেশ ও খাবারের মান উন্নত করুক।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থী ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ৫৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহি বলেন “আমরা চাই এমন একটি ক্যাফেটেরিয়া, যেখানে খাবার শুধু সস্তা নয়, মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন করা হবে।

যেখানে সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু থেকে সারাদিনে ৪ বেলা বৈচিত্র্যময় খাবার সরবরাহ করতে হবে নিয়মিতভাবে এবং পরিচ্ছন্ন রান্নাঘর, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নিয়মিত তদারকিই পারে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আমাদের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করতে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।