শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ডিআইইউ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এলামনাই এসোসিয়েশন কমিটি গঠন

ডিআইইউ প্রতিনিধি: ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ২০২৫-২৬ সালের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে এবং সবাই একটি বন্ধনে আবদ্ধ রাখতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।  ডিআইইউ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান এস এম সাজ্জাদ আহমেদ শোভন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে উক্ত কমিটি গঠন করা হয়। বৃহস্পতিবার গুগল […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৫, ১৬:৪৫

ডিআইইউ প্রতিনিধি:

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ২০২৫-২৬ সালের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে এবং সবাই একটি বন্ধনে আবদ্ধ রাখতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। 

ডিআইইউ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান এস এম সাজ্জাদ আহমেদ শোভন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে উক্ত কমিটি গঠন করা হয়। বৃহস্পতিবার গুগল মিটে একটি অনলাইন মিটিং এর মাধ্যমে সকলের সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী এ পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারী (শুক্রবার) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান এস এম সাজ্জাদ আহমেদ শোভন আনুষ্ঠানিক ভাবে এলামনাই এসোসিয়েশন এর আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন।

কমিটিতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১ম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোফাজ্জল হোসেন কে সভাপতি এবং ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসাইন খানকে সাধারণ সম্পাদক করে ৪২ সদস্য বিশিষ্ট ডিআইইউ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এলামনাই এসোসিয়েশন (সিইইএ-ডিআইইউ) এর চুড়ান্ত কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, 

সহসভাপতি ইয়াসিন শেখ ও রিয়াদ মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাগর চক্রবর্তী, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউছুফ আলী (সিরাজী), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম সেতু ও সাদিক মাহমুদ, কোষাধ্যক্ষ আতিকুর রহমান,

পাবলিক রিলেশন্স ও মিডিয়া সম্পাদক রনি চৌধুরী, মিডিয়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, দপ্তর সম্পাদক পল্লব চৌধুরী, সহ-দপ্তর সম্পাদক উজ্জ্বল আল আজিজ, সোস্যাল ওয়েলফেয়ার ও ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মামুন,

সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সম্পাদক বাপ্পারাজ দাস, সহ-সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সম্পাদক সাইমন হাসান ও সৌরভ হোসেন, একাডেমিক ও ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সৈকত, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বাহারুল ইসলাম,

সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক খালিদ হাসান (টিটু), ফরেন অ্যাফেয়ার্স সম্পাদক সাব্বিরুজ্জামান, রাশেদুল ইসলাম, ইলিয়াস আহমেদ নিরব, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সম্পাদক আমেনা, সহ-ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সম্পাদক কামরুল শেখ, সুমন দত্ত

ও মোঃ শাহ আলম, ওমেন অ্যাফেয়ার্স সম্পাদক ফারজানা আক্তার, মেম্বার কো-অর্ডিনেটর সম্পাদক রয়েল মন্ডল, ক্রীড়া সম্পাদক সবুজ কুমার দাম, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক গৌরব দাস ও অন্তর বর্মন, যোগাযোগ

ও চিঠিপত্র সম্পাদক মোঃ রাশেদ, সহ-যোগাযোগ ও চিঠিপত্র সম্পাদক কুদ্দুস মিয়া এবং কমিটির সদস্যরা হলেন হারুনুর রশীদ, শাহাদাত হোসেন, সোহাগ মিয়া, হামিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম সম্রাট ও জুয়েল রানা।

নবগঠিত এলামনাই কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান বলেন, আমাদের প্রধান কাজ হবে গ্র‍্যাজুয়েশন সম্পন্ন করা সবার মধ্যে সুন্দর যোগাযোগের সেতু বন্ধন তৈরি করা।

যেন সদ্য গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা তাদের সিনিয়র ভাই বোনদের থেকে পরামর্শ ও চাকরিসহ বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা নিতে পারে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।