শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

অর্ধেক ভোটার নারী, তবুও লালমনিরহাটে লিঙ্গ বৈষম্যের নির্বাচনী চিত্র

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি  আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্তঘেঁষা জেলা লালমনিরহাটে বইছে উৎসবের হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার—সর্বত্রই এখন আলোচনার কেন্দ্রে কে পাচ্ছেন জনরায়। তবে এই উৎসবের আবহে একটি রূঢ় বাস্তবতা আড়াল হয়ে যাচ্ছে লালমনিরহাটের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জেলার প্রায় অর্ধেক ভোটারের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা আজও চরম অবহেলার […]

অর্ধেক ভোটার নারী, তবুও লালমনিরহাটে লিঙ্গ বৈষম্যের নির্বাচনী চিত্র

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫:৩৩

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি 

আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্তঘেঁষা জেলা লালমনিরহাটে বইছে উৎসবের হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার—সর্বত্রই এখন আলোচনার কেন্দ্রে কে পাচ্ছেন জনরায়।

তবে এই উৎসবের আবহে একটি রূঢ় বাস্তবতা আড়াল হয়ে যাচ্ছে লালমনিরহাটের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জেলার প্রায় অর্ধেক ভোটারের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা আজও চরম অবহেলার শিকার।

সরকারি ভোটার তালিকার তথ্য অনুযায়ী, লালমনিরহাটের তিনটি আসনে মোট ভোটারের ৪৯.৮৪ শতাংশই নারী। অর্থাৎ, লালমনিরহাট-১, ২ ও ৩ আসনে জয়-পরাজয়ের মূল চাবিকাঠি নারীদের হাতেই। বিশেষ করে লালমনিরহাট-৩ আসনে নারী ও পুরুষ ভোটারের ব্যবধান মাত্র ০.০৬ শতাংশ।

কিন্তু পরিসংখ্যানের এই শক্ত অবস্থান রাজনীতির মাঠে প্রতিফলিত হচ্ছে না। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের কোনোটিতেই এবার মূলধারার কোনো রাজনৈতিক দল থেকে নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

লালমনিরহাট জেলার নির্বাচনী পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিনটি সংসদীয় আসনেই নারী ভোটারদের অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী। লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনে ৪,০৩,৫৬১ জন ভোটারের মধ্যে নারী ভোটার ২,০০,৮৫২ জন (৪৯.৭৭%)।

লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনে মোট ভোটার ৪,৩২,৯৬৪ জন, যার মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ২,১৫,৭৬১ জন (৪৯.৮৩%)। তবে সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডি অবস্থা লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে, যেখানে ৩,০৭,৯৭০ জন ভোটারের মধ্যে ১,৫৩,৮০১ জনই নারী; অর্থাৎ এখানে নারী ভোটারের হার প্রায় অর্ধেক বা ৪৯.৯৪%।

নির্বাচনী প্রচারণায় নারী কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়লেও তাদের জন্য কোনো অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা হয়নি। হাতীবান্ধাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রচারণা চলাকালে নারী কর্মীদের হয়রানি ও হেনস্তার বিচ্ছিন্ন খবর পাওয়া যাচ্ছে।

মাঠপর্যায়ে তল্লাশি বা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নারী পুলিশ বা নারী কর্মকর্তার তীব্র সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। অনেক ক্ষেত্রে পুরুষ সদস্যদের দ্বারা নারী কর্মীদের দেহ তল্লাশির মতো ঘটনা তাদের জন্য অবমাননাকর ও ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করছে।

এছাড়া, নারীদের জন্য আলাদা কোনো প্রচারণা কাঠামো বা সময়সীমা নির্ধারণ না করায় সামাজিক ও পারিবারিক সীমাবদ্ধতার মাঝে নারী কর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলগুলো নারী ভোট ব্যাংক ব্যবহার করতে মরিয়া হলেও নেতৃত্বে নারীদের তুলে আনতে চরম অনীহা দেখাচ্ছে।

লালমনিরহাটের সুশীল সমাজ ও নারী অধিকারকর্মী শান্তি বালার মতে, কেবল ভোটার হিসেবে নারীদের ব্যবহার করা গণতন্ত্রের পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয়। আমাদের দাবিগুলো হলো বিশেষ নিরাপত্তা স্কোয়াড নির্বাচনী মাঠে নারী কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ টিম গঠন।

নারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতি প্রতিটি ভোটকেন্দ্র এবং তল্লাশি চৌকিতে পর্যাপ্ত নারী পুলিশ ও পোলিং অফিসার নিয়োগ। আইনি বাধ্যবাধকতা রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কমিটিতে এবং প্রার্থী মনোনয়নে অন্তত ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের কঠোর অবস্থান।

গণতন্ত্রের উৎস হলো ভোট, আর লালমনিরহাটের অর্ধেক শক্তিই হলো নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে নেতৃত্বের বাইরে রেখে বা তাদের মর্যাদাকে তুচ্ছ করে একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়। হাতীবান্ধার সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে,

নারীবান্ধব নির্বাচনী পরিবেশ তৈরিতে আমরা কতটা পিছিয়ে। লালমনিরহাটের সচেতন ভোটাররা এখন তাকিয়ে আছেন নির্বাচন কমিশনের দিকে—তারা কি পারবেন একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ উপহার দিতে?

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।