সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

অর্ধেক ভোটার নারী, তবুও লালমনিরহাটে লিঙ্গ বৈষম্যের নির্বাচনী চিত্র

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি  আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্তঘেঁষা জেলা লালমনিরহাটে বইছে উৎসবের হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার—সর্বত্রই এখন আলোচনার কেন্দ্রে কে পাচ্ছেন জনরায়। তবে এই উৎসবের আবহে একটি রূঢ় বাস্তবতা আড়াল হয়ে যাচ্ছে লালমনিরহাটের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জেলার প্রায় অর্ধেক ভোটারের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা আজও চরম অবহেলার […]

অর্ধেক ভোটার নারী, তবুও লালমনিরহাটে লিঙ্গ বৈষম্যের নির্বাচনী চিত্র

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫:৩৩

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি 

আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্তঘেঁষা জেলা লালমনিরহাটে বইছে উৎসবের হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার—সর্বত্রই এখন আলোচনার কেন্দ্রে কে পাচ্ছেন জনরায়।

তবে এই উৎসবের আবহে একটি রূঢ় বাস্তবতা আড়াল হয়ে যাচ্ছে লালমনিরহাটের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জেলার প্রায় অর্ধেক ভোটারের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা আজও চরম অবহেলার শিকার।

সরকারি ভোটার তালিকার তথ্য অনুযায়ী, লালমনিরহাটের তিনটি আসনে মোট ভোটারের ৪৯.৮৪ শতাংশই নারী। অর্থাৎ, লালমনিরহাট-১, ২ ও ৩ আসনে জয়-পরাজয়ের মূল চাবিকাঠি নারীদের হাতেই। বিশেষ করে লালমনিরহাট-৩ আসনে নারী ও পুরুষ ভোটারের ব্যবধান মাত্র ০.০৬ শতাংশ।

কিন্তু পরিসংখ্যানের এই শক্ত অবস্থান রাজনীতির মাঠে প্রতিফলিত হচ্ছে না। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের কোনোটিতেই এবার মূলধারার কোনো রাজনৈতিক দল থেকে নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

লালমনিরহাট জেলার নির্বাচনী পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিনটি সংসদীয় আসনেই নারী ভোটারদের অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী। লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনে ৪,০৩,৫৬১ জন ভোটারের মধ্যে নারী ভোটার ২,০০,৮৫২ জন (৪৯.৭৭%)।

লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনে মোট ভোটার ৪,৩২,৯৬৪ জন, যার মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ২,১৫,৭৬১ জন (৪৯.৮৩%)। তবে সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডি অবস্থা লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে, যেখানে ৩,০৭,৯৭০ জন ভোটারের মধ্যে ১,৫৩,৮০১ জনই নারী; অর্থাৎ এখানে নারী ভোটারের হার প্রায় অর্ধেক বা ৪৯.৯৪%।

নির্বাচনী প্রচারণায় নারী কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়লেও তাদের জন্য কোনো অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা হয়নি। হাতীবান্ধাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রচারণা চলাকালে নারী কর্মীদের হয়রানি ও হেনস্তার বিচ্ছিন্ন খবর পাওয়া যাচ্ছে।

মাঠপর্যায়ে তল্লাশি বা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নারী পুলিশ বা নারী কর্মকর্তার তীব্র সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। অনেক ক্ষেত্রে পুরুষ সদস্যদের দ্বারা নারী কর্মীদের দেহ তল্লাশির মতো ঘটনা তাদের জন্য অবমাননাকর ও ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করছে।

এছাড়া, নারীদের জন্য আলাদা কোনো প্রচারণা কাঠামো বা সময়সীমা নির্ধারণ না করায় সামাজিক ও পারিবারিক সীমাবদ্ধতার মাঝে নারী কর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলগুলো নারী ভোট ব্যাংক ব্যবহার করতে মরিয়া হলেও নেতৃত্বে নারীদের তুলে আনতে চরম অনীহা দেখাচ্ছে।

লালমনিরহাটের সুশীল সমাজ ও নারী অধিকারকর্মী শান্তি বালার মতে, কেবল ভোটার হিসেবে নারীদের ব্যবহার করা গণতন্ত্রের পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয়। আমাদের দাবিগুলো হলো বিশেষ নিরাপত্তা স্কোয়াড নির্বাচনী মাঠে নারী কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ টিম গঠন।

নারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতি প্রতিটি ভোটকেন্দ্র এবং তল্লাশি চৌকিতে পর্যাপ্ত নারী পুলিশ ও পোলিং অফিসার নিয়োগ। আইনি বাধ্যবাধকতা রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কমিটিতে এবং প্রার্থী মনোনয়নে অন্তত ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের কঠোর অবস্থান।

গণতন্ত্রের উৎস হলো ভোট, আর লালমনিরহাটের অর্ধেক শক্তিই হলো নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে নেতৃত্বের বাইরে রেখে বা তাদের মর্যাদাকে তুচ্ছ করে একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়। হাতীবান্ধার সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে,

নারীবান্ধব নির্বাচনী পরিবেশ তৈরিতে আমরা কতটা পিছিয়ে। লালমনিরহাটের সচেতন ভোটাররা এখন তাকিয়ে আছেন নির্বাচন কমিশনের দিকে—তারা কি পারবেন একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ উপহার দিতে?

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।