রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

অর্ধেক ভোটার নারী, তবুও লালমনিরহাটে লিঙ্গ বৈষম্যের নির্বাচনী চিত্র

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি  আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্তঘেঁষা জেলা লালমনিরহাটে বইছে উৎসবের হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার—সর্বত্রই এখন আলোচনার কেন্দ্রে কে পাচ্ছেন জনরায়। তবে এই উৎসবের আবহে একটি রূঢ় বাস্তবতা আড়াল হয়ে যাচ্ছে লালমনিরহাটের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জেলার প্রায় অর্ধেক ভোটারের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা আজও চরম অবহেলার […]

অর্ধেক ভোটার নারী, তবুও লালমনিরহাটে লিঙ্গ বৈষম্যের নির্বাচনী চিত্র

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫:৩৩

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি 

আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্তঘেঁষা জেলা লালমনিরহাটে বইছে উৎসবের হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার—সর্বত্রই এখন আলোচনার কেন্দ্রে কে পাচ্ছেন জনরায়।

তবে এই উৎসবের আবহে একটি রূঢ় বাস্তবতা আড়াল হয়ে যাচ্ছে লালমনিরহাটের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জেলার প্রায় অর্ধেক ভোটারের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা আজও চরম অবহেলার শিকার।

সরকারি ভোটার তালিকার তথ্য অনুযায়ী, লালমনিরহাটের তিনটি আসনে মোট ভোটারের ৪৯.৮৪ শতাংশই নারী। অর্থাৎ, লালমনিরহাট-১, ২ ও ৩ আসনে জয়-পরাজয়ের মূল চাবিকাঠি নারীদের হাতেই। বিশেষ করে লালমনিরহাট-৩ আসনে নারী ও পুরুষ ভোটারের ব্যবধান মাত্র ০.০৬ শতাংশ।

কিন্তু পরিসংখ্যানের এই শক্ত অবস্থান রাজনীতির মাঠে প্রতিফলিত হচ্ছে না। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের কোনোটিতেই এবার মূলধারার কোনো রাজনৈতিক দল থেকে নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

লালমনিরহাট জেলার নির্বাচনী পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিনটি সংসদীয় আসনেই নারী ভোটারদের অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী। লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনে ৪,০৩,৫৬১ জন ভোটারের মধ্যে নারী ভোটার ২,০০,৮৫২ জন (৪৯.৭৭%)।

লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনে মোট ভোটার ৪,৩২,৯৬৪ জন, যার মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ২,১৫,৭৬১ জন (৪৯.৮৩%)। তবে সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডি অবস্থা লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে, যেখানে ৩,০৭,৯৭০ জন ভোটারের মধ্যে ১,৫৩,৮০১ জনই নারী; অর্থাৎ এখানে নারী ভোটারের হার প্রায় অর্ধেক বা ৪৯.৯৪%।

নির্বাচনী প্রচারণায় নারী কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়লেও তাদের জন্য কোনো অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা হয়নি। হাতীবান্ধাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রচারণা চলাকালে নারী কর্মীদের হয়রানি ও হেনস্তার বিচ্ছিন্ন খবর পাওয়া যাচ্ছে।

মাঠপর্যায়ে তল্লাশি বা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নারী পুলিশ বা নারী কর্মকর্তার তীব্র সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। অনেক ক্ষেত্রে পুরুষ সদস্যদের দ্বারা নারী কর্মীদের দেহ তল্লাশির মতো ঘটনা তাদের জন্য অবমাননাকর ও ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করছে।

এছাড়া, নারীদের জন্য আলাদা কোনো প্রচারণা কাঠামো বা সময়সীমা নির্ধারণ না করায় সামাজিক ও পারিবারিক সীমাবদ্ধতার মাঝে নারী কর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলগুলো নারী ভোট ব্যাংক ব্যবহার করতে মরিয়া হলেও নেতৃত্বে নারীদের তুলে আনতে চরম অনীহা দেখাচ্ছে।

লালমনিরহাটের সুশীল সমাজ ও নারী অধিকারকর্মী শান্তি বালার মতে, কেবল ভোটার হিসেবে নারীদের ব্যবহার করা গণতন্ত্রের পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয়। আমাদের দাবিগুলো হলো বিশেষ নিরাপত্তা স্কোয়াড নির্বাচনী মাঠে নারী কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ টিম গঠন।

নারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতি প্রতিটি ভোটকেন্দ্র এবং তল্লাশি চৌকিতে পর্যাপ্ত নারী পুলিশ ও পোলিং অফিসার নিয়োগ। আইনি বাধ্যবাধকতা রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কমিটিতে এবং প্রার্থী মনোনয়নে অন্তত ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের কঠোর অবস্থান।

গণতন্ত্রের উৎস হলো ভোট, আর লালমনিরহাটের অর্ধেক শক্তিই হলো নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে নেতৃত্বের বাইরে রেখে বা তাদের মর্যাদাকে তুচ্ছ করে একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়। হাতীবান্ধার সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে,

নারীবান্ধব নির্বাচনী পরিবেশ তৈরিতে আমরা কতটা পিছিয়ে। লালমনিরহাটের সচেতন ভোটাররা এখন তাকিয়ে আছেন নির্বাচন কমিশনের দিকে—তারা কি পারবেন একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ উপহার দিতে?

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।