নাটোরের গুরুদাসপুরে এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে একটি ঘরে অবস্থানকালে স্থানীয় লোকজনের হাতে অবরুদ্ধ হন যুবদলের এক নেতা। পরে মাদক সেবনের অভিযোগে তাঁকে ও ওই নারীকে আটক করে পুলিশ। যদিও ঘটনাস্থল থেকে কোনো মাদক উদ্ধার না হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কায় ১৫১ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হআটক রেজাউল করিম (৪২) উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব।
বুধবার রাতের এ ঘটনা ঘটে উপজেলার হামলাইকোল গ্রামে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রেজাউল করিম রাতের দিকে বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে হামলাইকোল গ্রামের একটি বাড়িতে যান। সেখানে এক নারীর সঙ্গে অবস্থানকালে তাঁদের মাদক সেবনের অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন বাড়িটি ঘিরে ফেলেন এবং দুজনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁদের থানায় নিয়ে আসে।
ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় দুই মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, নারীটি সিগারেটের মধ্যে গাঁজা ভরছেন এবং রেজাউল করিম কিছু টাকা গুনে তাঁর হাতে দিচ্ছেন। পরে স্থানীয় কয়েকজন ঘরে ঢুকে তাঁদের আটকে রস্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রেজাউল করিম মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত।
ওই নারীর বাড়িতে প্রায়ই মাদকের আসর বসত। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছপ্রত্যক্ষদর্শী মনিরুল ইসলাম ও আল আমিন বলেন, ঘরের ভেতরে মাদকের আলামত দেখা গেলেও পুলিশ তা জব্দ করেনি। শুধু দুজনকে আটক করে নিয়ে যায়।তবে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে দুজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কোনো মাদক উদ্ধার না হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে ১৫১ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটক নারীর পরিবারের দাবি, সোনার গয়না বন্ধক রাখা নিয়ে আর্থিক লেনদেনের বিরোধ থেকে তাঁদের ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছরেজাউল করিমের বড় ভাই ও নাজিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সামছুল আলম বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁর ভাইকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। বিষয়টি তাঁরা আইনগতভাবে মোকাবিলা করবেন।ে।