বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টাঙ্গাইলের ৪টি আসনে ২২ প্রার্থীর নমিনেশন গৃহীত

আব্দুল্লাহ আল মামুন টাঙ্গাইলঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নমিনেশন যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে টাঙ্গাইলের ৪টি আসনের মোট ২২ প্রার্থীর নমিনেশন বৈধ হিসেবে গৃহীত হয়েছে। শনিবার(৩ জানুয়ারি) সকাল দশটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং অফিসারের কার্যালয়ে নমিনেশন ফরম যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরীফা হক ওই ঘোষণা করেন।  এ সময় […]

টাঙ্গাইলের ৪টি আসনে ২২ প্রার্থীর নমিনেশন গৃহীত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:৫১

আব্দুল্লাহ আল মামুন টাঙ্গাইলঃ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নমিনেশন যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে টাঙ্গাইলের ৪টি আসনের মোট ২২ প্রার্থীর নমিনেশন বৈধ হিসেবে গৃহীত হয়েছে। শনিবার(৩ জানুয়ারি) সকাল দশটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং অফিসারের কার্যালয়ে নমিনেশন ফরম যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরীফা হক ওই ঘোষণা করেন। 

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মাদ তাজুল ইসলাম সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ১১জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের নমিনেশন বৈধ হিসেবে গৃহীত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আহসান হাবীব, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) ফরহাদ ইকবাল ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোজাম্মেল হক সহ ৬ জনের নমিনেশন গৃহীত হয়েছে। 

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর ও দেলদুয়ার) আসনে মোট ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের নমিনেশন গৃহীত হয়েছে। তাদের মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রবিউল আউয়াল লাভলু, জামায়াতে ইসলামীর একেএম আব্দুল হামিদ, গণধিকার পরিষদের মোহাম্মদ কবির হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আখি নূর মিয়া ৭ জনের নমিনেশন গৃহীত হয়েছে। 

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের নমিনেশন গৃহীত হয়েছে। তারা হচ্ছেন- বিএনপি প্রার্থী আবুল কালাম সিদ্দিকী, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ ইবনে আবুল হোসেন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. তোফাজ্জল হোসেন। 

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের নমিনেশন গৃহীত হয়েছে। তাদের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, জামায়াতে ইসলামীর মো. শফিকুল ইসলাম খান সহ ৬ জন রয়েছেন।  

টাঙ্গাইলের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) শরীফা হক বলেন, শনিবার দ্বিতীয় ধাপে ৪টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের নমিনেশন যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। এতে নমিনেশনে তথ্যের গড়মিল ও নানা কারণে ১৯ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে ২৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

দৃষ্টি নিউজ:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ২৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শনিবার ও শুক্রবার দুই দিনের যাচাই-বাছাইয়ে এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের আটটি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মোট ৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ত্রুটি ও শর্ত পূরণ না করায় ২৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর মধ্যে শুক্রবার(২ জানুয়ারি) চারটি আসনের নয়জন এবং শনিবার(৩ জানুয়ারি) বাকি চারটি আসনের ১৯জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। 

শনিবার সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিভিন্ন কারণে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তারা হচ্ছেন- গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার, খেলাফতে মজলিসের হাসনাত আল আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির হাসরত খান ভাসানী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন। 

টাঙ্গাইল-৬(নাগরপুর-দেলমুয়ার) আসনে আসনে মোট ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হচ্ছেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী জুয়েল সরকার, রিপন মিয়া, শরিফুল ইসলাম, সাইফুর রহমান ও জাতীয় পার্টির মো. মামুনুর রহিম।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তারা হচ্ছেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটিএম রেজাউল করীম আল রাজি, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ হায়দার খান, খেলাফত মজলিসের মো. আবু তাহের। 

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে। তারা হচ্ছেন- বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির আওয়াল মাহমুদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল ফজল মাহমুদুল হক, এসএম হাবিবুর রহমান, হাবিবুর রহমান কামাল, আমজনতা দলের মো. আলমগীর হোসেন, খেলাফত মজলিসের মো. শহিদুল ইসলাম।  

এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) চারটি আসনের নয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। টাঙ্গাইল-১(মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোন্তাজ আলী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হারুন অর রশীদের মনোনয়ন বাতিল হয়। টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনোয়ার হোসেন সাগরের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার ও শাহজাহান মিয়ার এবং টাঙ্গাইল-৪(কালিহাতী) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম মিঞা ও ডা. শাহ আলম তালুকদারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, দুই দিনের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিলের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটি, আয়-ব্যয়ের সত্যায়িত কপি জমা না দেওয়া, সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন দাখিল না করা এবং অবসর পরবর্তী নির্ধারিত সময় পূর্ণ না হওয়া। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।