শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সুন্দরবনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ২০ বনদস্যু বাহিনী

শেখ সজীব,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণার ছয় বছর পর আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বনদস্যুরা। নতুন করে অন্তত ২০টি দস্যুবাহিনীর তৎপরতায় অশান্ত হয়ে উঠেছে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। পুরনো আত্মসমর্পণকারী দস্যু এবং নতুনভাবে সংগঠিত দল মিলেই এই বাহিনীগুলোর গঠন। জেলেদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ নানা অপরাধে আবারও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে এসব দস্যুবাহিনী। জেলে […]

সুন্দরবনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ২০ বনদস্যু বাহিনী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৯:৩৯

শেখ সজীব,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণার ছয় বছর পর আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বনদস্যুরা। নতুন করে অন্তত ২০টি দস্যুবাহিনীর তৎপরতায় অশান্ত হয়ে উঠেছে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন।

পুরনো আত্মসমর্পণকারী দস্যু এবং নতুনভাবে সংগঠিত দল মিলেই এই বাহিনীগুলোর গঠন। জেলেদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ নানা অপরাধে আবারও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে এসব দস্যুবাহিনী।

জেলে ও বনজীবীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগর উপকূলজুড়ে বিরাজ করছে থমথমে পরিস্থিতি। বিশেষ করে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জে দস্যুদের আধিপত্য সবচেয়ে বেশি।

২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ধাপে ধাপে ৩২টি দস্যুবাহিনীর ৩২৮ সদস্য বিপুল অস্ত্রসহ র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করে। ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করে। দীর্ঘ ছয় বছর শান্তিপূর্ণ থাকার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে পরিস্থিতি আবার বদলাতে শুরু করে। ফের সক্রিয় হয়ে ওঠে দস্যুরা।

আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের অভিযোগ, সরকার পরিবর্তনের পর তারা কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত হন। অনেকেই ব্যবসা শুরু করেও চাঁদাবাজির শিকার হন। ‘সাবেক দস্যু’ পরিচয়ের কারণে সামাজিকভাবে হেয় হন।

বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত অপরাধেও তাদের জড়ানো হয়। হতাশা ও ক্ষোভ থেকেই অনেকেই আবার অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছেন বলে দাবি করেন জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখ, দাদা ভাই বাহিনীর জয়নাল আবেদীন ও মানজুর বাহিনীর মানজুর সরদার।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সক্রিয় বাহিনীগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য,জাহাঙ্গীর বাহিনী, মানজুর বাহিনী, দাদা ভাই বাহিনী, করিম শরীফ বাহিনী, আসাবুর বাহিনী, দয়াল বাহিনী, রবি বাহিনী, দুলাই ভাই বাহিনী, রাঙা বাহিনী, সুমন বাহিনী, আনারুল বাহিনী, হান্নান বাহিনী, আলিফ বাহিনীসহ আরও ছোট–বড় মিলিয়ে ২০টির বেশি বাহিনী।

প্রতিটি বাহিনীতে ১৫–৪০ জন সদস্য রয়েছে এবং তাদের হাতে দেশি-বিদেশি বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র। বনের মরাভোলা, আলীবান্দা, ধনচেবাড়িয়া, দুধমুখী, শ্যালা, নারকেলবাড়িয়া, তেঁতুলবাড়িয়া, টিয়ারচর, পশুর, আন্দারমানিক, শিবসা–এসব এলাকায় রয়েছে তাদের আস্তানা।

গত এক বছরে তিন শতাধিক জেলে অপহরণের শিকার হয়েছেন। কেবল সেপ্টেম্বরের পর এক মাসে শতাধিক জেলে জিম্মি হন। নৌকা প্রতি ২০–৩০ হাজার টাকা এবং অপহৃত জেলেকে মুক্ত করতে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দিতে হচ্ছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, বনসংলগ্ন এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এখনো দস্যুদের গডফাদার হিসেবে সক্রিয়। জিম্মি জেলেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে মুক্তিপণের টাকা সংগ্রহ করেন তারা। দস্যুদের দেওয়া টোকেন নৌকায় রাখলে নিরাপদে মাছ ধরার সুযোগ দেওয়া হয়।

জেলে ও ব্যবসায়ীরা জানান, দস্যুদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলা নিরাপদ নয়। কারণ আড়ত ও জেলেপল্লীর আশপাশে দস্যুদের সোর্সরা সক্রিয় থাকে। তথ্য ফাঁস হলে বনে গেলে নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়ে। অনেকেই এখন আর বনে যেতে সাহস পান না।

সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং ‘সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’ সংগঠনের সমন্বয়কারী নূর আলম শেখ বলেন, সুন্দরবনের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দস্যুরা শুধু মানুষ নয়, বনজীববৈচিত্র্যের জন্যও বড় হুমকি। তারা বাঘ ও হরিণ শিকার করে তার মাংস, চামড়া, কঙ্কাল পাচার করছে। বন কাঠও কেটে পাচার হচ্ছে। দস্যু ও গডফাদারদের দমন ছাড়া সুন্দরবন রক্ষা সম্ভব নয়।

মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের স্টাফ অফিসার লে. কমান্ডার আবরার হাসান বলেন,

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে দস্যুদের তৎপরতা বেড়ে গেলেও কোস্টগার্ড নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।

গত এক বছরে ২৭টি সফল অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪৪ দস্যু। উদ্ধার করা হয়েছে ৪০টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৭০ রাউন্ড তাজা গুলি, শতাধিক দেশীয় অস্ত্রসহ নানা সরঞ্জাম।

এছাড়া জিম্মি থাকা ৪৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের ডিএফও রেজাউল করীম চৌধুরী জানান, বনরক্ষীদের টহল জোরদার করা হয়েছে। দস্যুদের অবস্থান শনাক্তে কাজ চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সম্মিলিত অভিযান শিগগিরই জোরদার হবে।

ভুক্তভোগীদের দাবি অবিলম্বে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত ও কঠোর অভিযান প্রয়োজন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।