রবিউল ইসলাম ,শিবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বগুড়া সদর উপজেলার নুনগোলা ইউনিয়নের হাজরাদিঘী গ্রামে চাঞ্চল্যকর বেকারি ব্যবসায়ী কপাল পোড়া হতভাগা জহুরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ।
শামীমা বেগম পরকীয়া সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য পরিকল্পিতভাবে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে নিহত জহুরুল ইসলামের স্ত্রী শামীমা বেগমের প্রেমিক বিপুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে খুনি প্রেমিক-প্রেমিকা দু’জনেই খুনের দায় স্বীকার করেছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য মোতাবেক, হত্যার দিন রাতে জহুরুল ইসলামের ডাইনি স্ত্রী শামীমা বেগম খাবারের সাথে মিশিয়ে স্বামীকে আনুমানিক ১৫টি ঘুমের ঔষধ সেবন করান। বিপুল পরিমাণ ঘুমের ঔষধ খাওয়ার ফলে স্বামী জহুরুল ইসলাম পুরোপুরি অচেতন হয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।
স্বামী জহুরুল সম্পূর্ণভাবে অচেতন হয়ে গেলে, গভীর রাতে শামীমার প্রেমিক বিপুল বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে বিপুল অচেতন জহুরুলকে কাঁধে করে বাড়ি থেকে গ্রামের ধানক্ষেতের মধ্য নিয়ে যান। ডাইনি স্ত্রী শামীমা ও প্রেমিক বিপুল দু’জন মিলে তাকে হত্যা নিশ্চিত করেছেন। খুন করার পর পর মৃতদেহ দ্রুত ধানক্ষেতে ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যায়।
শামীমা বেগম এমন জঘন্যতম অপরাধের কথা জানতে পেরে পুরো হাজরাদিঘী গ্রামের বাসিন্দারা চরম হতবাক ও স্তম্ভিত। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে।