বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেহেরপুরে নিম্নমানের চাল সংগ্রহের অভিযোগ

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ মেহেরপুরে বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্য গুদামে মিল মালিকদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত মিলমালিকের পরিবর্তে প্রভাবশালী মিল মালিক ও মধ্যস্বত্বভোগীরা অধিকাংশ চাল সরবরাহ করছেন। এই সুযোগে খাদ্য কর্মকর্তা ও মিল মালিকেরা মিলে ভাঙ্গা ও নিম্নমানের চাল ক্রয় করে সংগ্রহ অভিযান শেষ করে। অধিদপ্তর বলছে, খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ অক্টোবর ২০২৫, ১৮:১০

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ

মেহেরপুরে বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্য গুদামে মিল মালিকদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত মিলমালিকের পরিবর্তে প্রভাবশালী মিল মালিক ও মধ্যস্বত্বভোগীরা অধিকাংশ চাল সরবরাহ করছেন। এই সুযোগে খাদ্য কর্মকর্তা ও মিল মালিকেরা মিলে ভাঙ্গা ও নিম্নমানের চাল ক্রয় করে সংগ্রহ অভিযান শেষ করে।

অধিদপ্তর বলছে, খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ কর্মসূচি গত ১৫ আগস্ট শেষ হয়েছে। এবার ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪২ মেট্রিক টন ধান (১০৭.৬৯%), ১৪ লাখ ৬ হাজার ৫৩৩ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল (১০০.৪৬%) এবং ৫১ হাজার ৩০৭ মেট্রিক টন আতপ চাল (১০২.২১%) সংগৃহীত হয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

গত ৯ এপ্রিল খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বোরো মৌসুমে সাড়ে তিন লাখ টন ধান, ১৪ লাখ টন সিদ্ধ চাল ও ৩৫ হাজার টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে সংগ্রহ মূল্য ধান প্রতি কেজি ৩৬ টাকা, চাল প্রতি কেজি ৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। গত ১৪ এপ্রিল থেকে বোরো সংগ্রহ শুরু হয়।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্য মতে, গত বোরো মৌসুমে মেহেরপুরে ৪৯ টাকা দরে সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হয়। সদর উপজেলায় ৮জন মিল মালিকেরা কাছ থেকে ৬০৮ মেট্রিকটন, গাংনী উপজেলায় ৫জন মিল মালিকের কাছ থেকে ৩৮৮ মেট্রিকটন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সদর খাদ্য গুদামের সরবারহকৃত ৬০৮ মেট্রিকটন সিদ্ধ চালের বেশিরভাগ ভাঙ্গা, বাদামি রং এর চাল। স্থানীয়রা যে চালকে চালের খুদ বলে। হাসঁ মুরগিকে চালের খুদ খেতে দেওয়া হয়। ৫০ কেজির বেশিরভাগ পাটের বস্তায় নিম্নমানের চাল পাওয়া গেছে।

সদর উপজেলার বড় বাজার এলাকায় খাদ্য গুদামের অবস্থান। গত রোববার সকাল ৯টায় গুদামে গিয়ে দেখা যায় গুদামের প্রতিটি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসি ক্যামেরা) বন্ধ রয়েছে। চলতি মাসে খাদ্য পরিদর্শক হিসাবে যোগদান করেছে সোহেল রানা।

জানতে চাইলে তিনি বলেন, বোরো মৌসুমের চাল সংগ্রহের সময় এখানে দায়িত্বে ছিলেন দেবদুত রায়। ভাঙ্গা অথবা নিম্নমানের চাল সংগ্রহের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না।

মুঠোফোনে সদর উপজেলার সাবেক খাদ্য পরিদর্শক দেবদুত রায় বলেন, নিয়ম অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে ধান সংগ্রহ করে মিল মালিকেরা চাউল তৈরি করবেন। এবং সেই চাল পরিস্কার করে গোদামে সরবারহ করবেন।

তবে মেহেরপুরে হাসকিঙ্ক মিলগুলোর চাউলের মান ভালো না হওয়ার কারণে মিলমালিকেরা আশে পাশের জেলার অটোরাইচ মিল থেকে চাল নিয়ে খাদ্য গোদামে সরবারহ করেন। প্রতি বস্তা চাল তো আর দেখে নেওয়া যায়না।

গাংনীর বামন্দী এলাকার কৃষক মফিজুল ইসলাম বলেন, “আমরা ধান বিক্রি করতে গেলে কেউ নেয় না। পরে দেখি ওই ধানই চাল হয়ে সরকারি গুদামে ঢুকছে মিল মালিকদের নামে।

” স্থানীয় কৃষকেরা বলেন, “সরকার কৃষকের স্বার্থে সংগ্রহ অভিযান চালালেও বাস্তবে কৃষক বঞ্চিত হচ্ছেন। অনিয়ম বন্ধ না হলে এর পুরো সুফল মিল মালিকদের হাতেই চলে যাবে।”

নিয়ম অনুযায়ী কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনে তা চুক্তিবদ্ধ মিলারদের মাধ্যমে চাল বানিয়ে সংগ্রহ করার কথা। কিন্তু অভিযোগ আছে, কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ধান না কিনেই সরাসরি নিম্নমানের চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে ধান ছাঁটাই, পরিবহন ব্যয়সহ ভালো চালের খরচ দেখিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।

গাংনী খাদ্য পরিদর্শক ওসি এলএসডি মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, গাংনী উপজেলায় মোট ৩৮৮ মেট্রিকটন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। ভাঙ্গা চাল হলেও এই চাল খাওয়া যাবে। টিআর, কাবিখা, ওএমএস কার্যক্রমে বোরো মৌসুমের চাল বিতরণ শুরু হয়েছে।

সূত্রমতে, এবার বোরো মৌসুমে গাংনী উপজেলায় খাদ্যগুদামে ৫ মিল মালিকের সঙ্গে চুক্তি হয়। মিলগুলো হলো, মেসার্স রাজ্জাক রাইচ মিল, দেলবার রাইচ মিল, সজিবুর রাইচ মিল, শহিদুল হক রাইচ মিল, খলিলুর রাইচ মিল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মিল মালিক জানান, “কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে চাল সরবরাহ করা হয়। তারা মান যাচাইয়ে চোখ বন্ধ রাখেন।” উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক কেজি প্রতি কখনো ১ টাকা আবার কথনো ২ টাকা করে নেন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে এসব মিলে ধান থেকে চাউল তৈরি করা হয়না। তিনজন মিল মালিক জানেই না যে তাদের লাইসেন্সে সরকারি গুদামে চাল সরবারহ করা হয়েছে। জানতে চাইলে খলিলুর রাইচ মিলের মালিক খলিলুর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন,

উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা মিলে প্রকৃত মিল মালিকদের নামে চাল সরবারহ করে। এসব চাউল আসে কুষ্টিয়া কুমারখালির খাজা নগরে অবস্থিত অটো রাইচ মিল থেকে। সেখানে ভালো চালের সঙ্গে ভাঙ্গা চাল মিশ্রণ করা হয়।

গাংনী উপজেলার মড়কা বাজারের মেসার্স সজিবুর রাইচমিলের চালকলে গিয়ে দেখা যায়, কোনো কাজকর্ম নেই। একজন কর্মচারী বসে আছেন। তিনি বললেন, এই মিলে আর তেমন কোন কাজ হয়না। গ্রামের কৃষকেরা নিজেদের বাড়ির জন্য ধান পিশায় করে চাল করিয়ে নেই। আর গম পিশায় করা হয়।

মালিক সজিবুর রহমান ছিলেন না। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আপনি সাংবাদিক আপনি জানেন না? কিভাবে রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতারা খাদ্য গুদামে চাল সরবারহ করে।

গত চার বছর থেকে আমার মিল থেকে ১ কেজি চালও দেওয়া সম্ভব হয়নি। আমি কোন চাল সরবারহ করিনি। তাহলে কি করে আমারা লাইসেন্সে চাল গোদামে গেলো?

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আসমা বেগম বলেন, অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাচঁ সদস্য বিষিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা গোদামে মজুদ চাউলের পরিক্ষা নিরিক্ষা করে প্রতিবেদন জমা দেবে। এর পর বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।