শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে এক বছরের ব্যবধানে ডাকাতি–ছিনতাই হত্যা : নদীপথ থেকে মহাসড়ক পর্যন্ত আতঙ্ক

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি মুন্সিগঞ্জ—ঢাকার উপকণ্ঠের এ জনপদ একসময় শান্তিপূর্ণ এলাকাই ছিল। তবে গত এক বছরে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে সম্পূর্ণ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে চলতি ২৬ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি ও হত্যার একের পর এক ঘটনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘটতে থাকে। এতে সাধারণ মানুষের মনে ভয়, আতঙ্ক ও ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। গত বছরের ২৩ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ আগস্ট ২০২৫, ২৩:১৪

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জ—ঢাকার উপকণ্ঠের এ জনপদ একসময় শান্তিপূর্ণ এলাকাই ছিল। তবে গত এক বছরে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে সম্পূর্ণ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে চলতি ২৬ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি ও হত্যার একের পর এক ঘটনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘটতে থাকে। এতে সাধারণ মানুষের মনে ভয়, আতঙ্ক ও ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।

গত বছরের ২৩ অক্টোবর সিরাজদিখান উপজেলার মোরিচা এলাকায় ঢাকা–দোহার সড়কে এক যাত্রীবাহী বাসে পুলিশ পরিচয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল স্বর্ণ ব্যবসায়ী রামপ্রসাদ হালদারের কাছ থেকে সাত লাখ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে।

ঘটনাটি আলোড়ন তোলে পুরো জেলায়। পরে পুলিশের অভিযানে মাত্র ১২ দিনের মধ্যে ডাকাত দলের সাতজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং উদ্ধার হয় লুট হওয়া গয়না ও ব্যবহৃত মোটরসাইকেল।

মুন্সিগঞ্জের অপরাধ চক্রের সঙ্গে সবচেয়ে আলোচিত নাম ছিল বাবলা ওরফে উজ্জ্বল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদীপথে ডাকাতি এবং অবৈধ বালু ব্যবসার নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন।

গত বছরের ২২ অক্টোবর রাতে গজারিয়ার মল্লিকের চর এলাকায় এক বন্দুকযুদ্ধে বাবলা নিহত হন। প্রতিপক্ষ চক্রের গুলিতে তিনি মারা যান বলে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা। তার মৃত্যুতে এলাকায় স্বস্তি ফিরলেও পরবর্তী মাসগুলোতে নতুন নতুন চক্র মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইকারীরা সক্রিয় থেকে যাচ্ছে। সম্প্রতি পুলিশের অভিযানে ইজিবাইক ছিনতাইকারী একটি সংঘবদ্ধ দলের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে রাতের বেলায় ইজিবাইক চালকদের টার্গেট করে ছিনতাই চালাচ্ছিল।

তবে সবচেয়ে দুঃসাহসী ঘটনা ঘটেছে চলতি মাসে। ২৫ আগস্ট ২০২৫ রাতে গজারিয়ার জামালপুর এলাকায় নবগঠিত পুলিশ ক্যাম্পে অন্তত ৫০–৬০ জন ডাকাত ট্রলারযোগে হামলা চালায়।

আধাঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এ সংঘর্ষে ডাকাতরা ককটেল ও গুলি চালায়। পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়ে অন্তত ২৪ রাউন্ড শেল নিক্ষেপ করে। পরে ডাকাতরা চাঁদপুরমুখী নদীপথে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ডাকাতরা এত বড় দুঃসাহস দেখাতে পারছে কারণ তাদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও অস্ত্রের মজুদ রয়েছে। এ ধরনের হামলা পুলিশের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

একাধিক এলাকাবাসী জানান, সন্ধ্যার পর থেকে রাস্তায় চলাফেরা করতে ভয় পাচ্ছেন তাঁরা। বিশেষ করে নদীপথে ট্রলারযোগে যাতায়াতকারীরা সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে রয়েছেন। ব্যবসায়ীরাও ভোগান্তিতে—স্বর্ণ, নগদ অর্থ কিংবা পণ্য পরিবহন করতে হলে নিরাপত্তা নিয়ে দ্বিগুণ চিন্তায় পড়তে হচ্ছে।

মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, “অপরাধীদের দমনে আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। কয়েকটি বড় ডাকাত চক্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে নদীপথের অপরাধ মোকাবেলায় আরো সমন্বিত পদক্ষেপ দরকার।”

আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিয়মিত টহল, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত না করলে এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। বিশেষ করে নদীপথে নজরদারি বাড়াতে ড্রোন, আধুনিক ট্রলার ও রাডার ব্যবহারের ওপর জোর দিতে হবে।

গত এক বছরে মুন্সিগঞ্জে সংঘটিত একের পর এক ডাকাতি, ছিনতাই ও হত্যার ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। পুলিশ কয়েকটি বড় চক্র ধরতে সক্ষম হলেও অপরাধের মাত্রা কমেনি।

বরং নতুন নতুন কৌশলে সংঘবদ্ধ অপরাধীরা নিজেদের সক্রিয় রাখছে। ফলে স্থানীয় মানুষ বলছেন, “নিরাপত্তাহীনতার ভয় নিয়ে আমরা আর বাঁচতে চাই না—প্রশাসনকে আরও শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিতে হবে।”

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।