বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেহেরপুরে সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ

মজনুর রহমান, মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ সরকারি খাল বিল ও নদী নালা ইজারা দেয়া ও উম্মুক্ত জলাশয়ে পাট জাগ দিতে নিষেধ করায় কারণে যত্রতত্র সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ দিচ্ছেন মেহেরপুরের পাট চাষিরা। পুকুর ও ডোবার পানিতে কাদামাটি আর কলাগাছ চাপা দিয়ে পাট পচানোর কারণে দুর্গন্ধে পরিবেশ হচ্ছে কলুষিত। সেই সাথে জন্ম নিচ্ছে মশা মাছি। বাড়ছে রোগ বালাই। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৫, ১৯:২৬

মজনুর রহমান, মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ

সরকারি খাল বিল ও নদী নালা ইজারা দেয়া ও উম্মুক্ত জলাশয়ে পাট জাগ দিতে নিষেধ করায় কারণে যত্রতত্র সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ দিচ্ছেন মেহেরপুরের পাট চাষিরা। পুকুর ও ডোবার পানিতে কাদামাটি আর কলাগাছ চাপা দিয়ে পাট পচানোর কারণে দুর্গন্ধে পরিবেশ হচ্ছে কলুষিত।

সেই সাথে জন্ম নিচ্ছে মশা মাছি। বাড়ছে রোগ বালাই। কৃষকরা বলছে, তারা বাধ্য হয়েই যত্রতত্র পাট জাগ দিচ্ছেন। আর কৃষি অফিস বলছে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষিরা পাট পচানোয় অভ্যস্ত নয়।

গাংনীর মরা নদীসহ কয়েকটি বিল বাওড় সরকারিভাবে লীজ দেওয়া হয়েছে। সেখানে পাট পঁচানো নিষিদ্ধ। ফলে পাট চাষিরা বিভিন্ন পুকুর ও ডোবা লীজ নিয়ে পাট পচাচ্ছেন। পর্যাপ্ত পানি না থাকায় ব্যবহার করতে হচ্ছে স্যালো মেশিন।

এতে করে চাষিদের বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা। ফলে লোকসানের আশঙ্কা করছে পাট চাষিরা। তাছাড়া বাড়ির আশেপাশেও নীচু জায়গাতে পাট জাগ দেয়ায় দুর্গন্ধ চড়াচ্ছে। মশা মাছির প্রজনন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে পাট পচানোর জায়গা।

অপরদিকে কলাগাছ, লতাপাতা আর কাদা দিয়ে পাট জাগ দেয়ার কারণে পাটের রং কালো হওয়ায় গুণগত মানও হারাচ্ছে। ফলে কাঙ্খিত মূল্য পাচ্ছেন না চাষিরা।

বানিয়া পুকুরের পাট চাষি আব্বাছ জানান, তিনি এবছর ১২ জমিতে পাট চাষ করেছেন। বর্ষা মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি না পাওয়ায় বাড়ির পাশের পুকুর লীজ নিয়ে পাট জাগ দিয়েছেন। দূরের মাঠ থেকে পাট নিয়ে এসে পুকুর লীজ ও স্যালো মেশিন দিয়ে পানি দেয়াতে খরচ বেড়েছে দেড় থেকে দু হাজার টাকা।

মশা মাছি জন্ম নিচ্ছে আর দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এ কথা স্বীকার করে তিনি জানান, অর্থকারী ফসল পাট পচানোর বিকল্প পদ্ধতি তাদের জানা নেই তাই সনাতন পদ্ধতিতেই পাট পচাচ্ছেন তারা।

সিন্দুর কৌটা গ্রামের মোতালেব জানান, তিনি আট বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। মরা নদীতে পাট জাগ দেয়া নিষেধ তাই বাড়ির পাশে গর্ত করে পাট জাগ দিতে হয়েছে। মাঠ থেকে পাট এনে পাট পচাতে যে খরচ হচ্ছে তাতে বিঘা প্রতি খরচ বেড়ে দাড়াচ্ছে ১২ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকা। কিন্তু কাঙ্খিত মূল্য পাচ্ছেন তা চাষিরা।

ব্যবসায়িরা বলছেন, কাদা মাটি দিয়ে পাট জাগ দেয়ায় পাটের গুণগত মান কমে গেছে। কিন্তু কৃষি অফিসের পরামর্শে পাট পচাতে পলিথিন আর ইট বালি যোগাড় করতেও অনেক খরচ।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক এমকে রেজা জানান, পাট পচানোর কারণে দুর্গন্ধে পরিবেশ কলুষিত হবার পাশাপাশি মশা মাছি বংশ বৃদ্ধি করে। পানি বাহিত রোগের প্রাদূর্ভাব ঘটে। প্রবহমান জলাধারে পাট পচালে কোন প্রভাব পড়বে না প্রকৃতির উপর।

গাংনী উপজেলা কৃষি অফিসার ইমরান হোসেন জানান, জেলায় পাট চাষ হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে। চাষিদেরকে পলিথিন ও ইট চাপা দিয়ে পাট জাগ দিতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এতে করে পাটের মান গুণগত বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু চাষিরা অনেকটা অবহেলা করছে। তাছাড়া পানির অভাবেও অনেকে ছোটখাটো গর্তে পাটজাগ দিচ্ছে। কৃষি অফিস সব সময় তৎপর চাষিদের পরামর্শ দিতে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।