রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে বঞ্চিত আমতলী-তালতলীসহ উপকূলীয় জনপদ

নির্বাচন কমিশন বরগুনার জেলার মানুষের অধিকার বঞ্চিতের কথা বিবেচনায় এনে ৩টি সংসদীয় আসন ফিরিয়ে দিবেন কিন্তু তারাও আমাদের সঙ্গে বৈষম্যমুলক আচরণ করলেন। তিনি আরো বলেন, খসরা তালিকা প্রকাশ করলেও বরগুনা জেলায় তিনটি সংসদীয় আসন নির্বাচন কমিশন বিবেচনায় নিবেন

নিউজ ডেস্ক

০১ আগস্ট ২০২৫, ০০:১৫

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা

বরগুনা জেলার সংসদীয় তিনটি আসন পুর্নবহাল না করায় ক্ষুব্দ জেলার ১২ লাখ মানুষ। নির্বাচন কমিশনকে এ সংসদীয় আসন পুর্নবহালের দাবী জানিয়েছেন তারা।

জানাগেছে, বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপকুলীয় বরগুনা জেলা ছয়টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। আয়তন ১৮৩১.৩১ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা ১২ লক্ষ ১০ হাজার ৫৩০ জন। বরগুনা জেলার ছয়টি উপজেলাকে পায়রা (বুরিশ্বর) ও বিশখালী নদীতে বিভক্ত করে রেখেছে। পায়রা নদীর পুর্ব পাড়ে আমতলী ও তালতলী উপজেলা। পশ্চিম দিকে বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলা। বিশখালী নদীর পশ্চিম দিকে পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলা। স্বাধীনতার পর থেকে বরগুনা জেলায় তিনটি সংসদীয় আসন ছিল। তৎকালীন সরকার বাহাদুর পায়রা ও বিশখালী নদীর ওপর ভিত্তি করে অবহেলিত বরগুনা জেলাকে তিনটি সংসদীয় আসনে বিভক্ত করেছেন। বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন, পাথরঘাটা ও বামনা নিয়ে বরগুনা-২ আসন এবং আমতলী ও তালতলী নিয়ে বরগুনা-৩ আসন। সমবন্ঠনের মাধ্যমে চলছিল তিনটি সংসদীয় আসনের উন্নয়ন। কিন্তু ২০০৮ সালে সেনা শাসিত তত্বাবধায়ক সরকার সরেজমিনে পরিদর্শন না করেই একটি দলকে সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে বরগুনা জেলার তিনটি সংসদীয় আসনকে ভেঙ্গে দুইটি সংসদীয় আসনে বিন্যাস্ত করেন। বরগুনা সদর, আমতলী, তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং পাথরঘাটা, বেতাগী ও বামনা উপজেলা নিয়ে বরগুনা-২ আসন গঠন করা হয়। এতে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়ে পরে সর্ব দক্ষিণের উপকুলীয় অঞ্চল আমতলী-তালতলী উপজেলার চার লাখ মানুষ। বর্তমানে বরগুনা-১ আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাভ ৫৭ হাজার ৮৭৪ এবং বরগুনা-২ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাভ ৭০ হাজার ৫৩০ জন। এর মধ্যে আমতলী ও তালতলীতে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯২ হাজার ১৩৩ ভোট।

বরগুনা- ১ আসনের (বরগুনা সদর- আমতলী-তালতলী) এ তিনটি উপজেলার মধ্যে প্রমত্তা পায়না নদী প্রবাহমান। যার দৈঘ্য ৯০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৪ কিলোমিটার। বরগুনা-২ আসনের ( পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) এ তিনটি উপজেলার মধ্যে প্রবাহমান বিষখালী নদী। নদীর কারণে নির্বাচনকালীন সময়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ ছয়টি জেলার দুইটি সংসদীয় আসনের ভোট গ্রহনে হিমসীম খেতে হয়। ফলে নির্বাচনের গ্রহন যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। বরগুনা জেলায় তিনটি সংসদীয় আসন পুর্নবহালের দাবীতে নির্বাচন কমিশনে পাঁচটি আবেদন করেছেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বরগুনা জেলার আসন পুর্নবহালের কোন দিকই আমলে না নিয়ে খসরা তফসিল প্রকাশ করেছেন। এতে বরগুনা জেলার সংসদীয় আসনে কোন পরিবর্তন আনেননি। এতে ক্ষুব্দ হয়েছেন বরগুনা জেলার ১২ লাখ মানুষ। তারা নির্বাচন কমিশনকে বরগুনা জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে উন্নীত করনের দাবী জানিয়েছেন।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার বাড্ডা ইউনিটে নেতৃত্ব দেয়া তালতলী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আমিনুল ইসলাম লিটন বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বরগুনা জেলায় তিনটি আসন ছিল। কিন্তু ২০০৮ সালে সেনাশাসিত তত্ত¡ারধায়ক সরকার আওয়ামীলীগকে সুবিধা দিতে বরগুনা জেলা থেকে বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসন বিলুপ্তি করে দুইটি আসনে করেন। এতে বরগুনার জেলার মানুষ চরমভাবে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছে। ভেবেছিলাম নির্বাচন কমিশন এ বছর আমাদের অধিকার ফিরিয়ে দিবেন কিন্তু তারাও আমাদের অধিকার নিয়ে খেলা করেছেন।

আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন সিকদার বলেন, আশা করেছিলাম নির্বাচন কমিশন বরগুনার জেলার মানুষের অধিকার বঞ্চিতের কথা বিবেচনায় এনে ৩টি সংসদীয় আসন ফিরিয়ে দিবেন কিন্তু তারাও আমাদের সঙ্গে বৈষম্যমুলক আচরণ করলেন। তিনি আরো বলেন, খসরা তালিকা প্রকাশ করলেও বরগুনা জেলায় তিনটি সংসদীয় আসন নির্বাচন কমিশন বিবেচনায় নিবেন।

বরগুনা প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি অ্যাড. মোস্তফা কাদের বলেন, বরগুনা জেলায় দরিদ্র জনগোষ্ঠির বসবাস। এ জনগোষ্ঠিকে উন্নয়নের মুল ধারায় আনতে হলে বরগুনা জেলার তিনটি সংসদীয় আসন বিন্যাসের প্রয়োজন ছিল। নির্বাচন কমিশনকে বরগুনা জেলায় তিনটি সংসদীয় আসন পুর্নবহালের দাবী জানান তিনি।

আমতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ তুহিন মৃধা বলেন, ২০০৮ সালে সেনা শাসিত তত্বাবধায়ক সরকার সরেজমিনে পরিদর্শন না করেই আওয়ামীলীগ দলকে সুবিধা দিতে বরগুনা-৩ আসনকে বিলুপ্ত করে বরগুনা-১ আসনের সঙ্গে মিলিয়ে দেয়। আর বর্তমান নির্বাচন কমিশনই একই কাজ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে বরগুনা-৩ আসন ফিরে পাওয়ার দাবী জানান তিনি।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট গাজী মোঃ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ভৌগলিক অবস্থান ও প্রশাসনিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন বরগুনা জেলার সংসদীয় তিনটি আসন পুর্নবহাল করবেন বলে আশা করেছিলাম কিন্তু তারাও আমাদের বঞ্চিত করলেন। নির্বাচন কমিশন খসরা তালিকা প্রকাশ করলেও বরগুনা জেলার তিনটি সংসদীয় আসন পুর্নবহাল করবেন বলে বিশ্বাস করি।

বিএনপির সাবেক মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের এপিএস আমতলী-তালতলী উপজেলার গণ মানুষের নেতা ওমর আব্দুল্লাহ শাহীন বলেন, বরগুনা জেলার সংসদীয় তিনটি আসন পুর্নবহাল না করে নির্বাচন কমিশন ১২ লাখ মানুষের অধিকার হরন করেছেন। উপকুলীয় মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়েও নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল বরগুনা জেলায় তিনটি সংসদীয় আসন পুর্নবহাল করা। তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সালের ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশের গ্রেজেটে উল্লেখ আছে ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রশাসনিক সুবিধার বিবেচনায় বরগুনা জেলার তিনটি সংসদীয় আসন থেকে বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসন বিলুপ্তির কোন যুক্তি নেই। কিন্তু তারা সেই গেজেটও আমলে নেয়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।