বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভোক্তার অভিযান চলে গেলেই বাড়ানো হচ্ছে শাকসবজির দাম

জনি আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা: শীতকালে চাহিদার তুলনায় যেমন সরবরাহও বেশি থাকে তেমনী কাঁচা সবজির দামও কম থাকে। কিন্তু বর্তমানে সেই শীতকালীন মৌসুম চলা স্বত্বেও বাজারে কমছে না যেকোনো সবজির দাম।বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গার বাজারে আমদানি রপ্তানি ব্যয় একই রকম থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দামে ২০-২৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে ভোক্তাদের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় হতাশ […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ নভেম্বর ২০২৪, ২১:৫৭

জনি আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা:

শীতকালে চাহিদার তুলনায় যেমন সরবরাহও বেশি থাকে তেমনী কাঁচা সবজির দামও কম থাকে। কিন্তু বর্তমানে সেই শীতকালীন মৌসুম চলা স্বত্বেও বাজারে কমছে না যেকোনো সবজির দাম।বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গার বাজারে আমদানি রপ্তানি ব্যয় একই রকম থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দামে ২০-২৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে ভোক্তাদের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অথচ বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেও কোনো লাভ হচ্ছে না টাস্কফোর্স কমিটি গঠনে।

চুয়াডাঙ্গার ডিসি-এসপিসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে অভিযান চলা স্বত্বেও বাজারে কমছে না কোনো জিনিসের দাম। টাস্কফোর্স কমিটির ব্যক্তিরা যখন অভিযানে আসছে ঠিক তখনই কিছুটা স্বাভাবিক থাকছে-তারা চলে গেলেই আবারও বেড়ে যাচ্ছে শাক সবজিসহ মাছ মাংসের দাম। সেইসাথে ছাড় পায়নি মসলাজাতীয় পণ্যের দাম। সেখানেও দামের ফাঁরাক ঘটেছে প্রচুর।

এদিকে গোপন সূত্রে জানা গেছে, রোজা আসলে ব্যবসায়ীরা ডাবল লাভ করে থাকে। আগামী ৪ মাস আছে রোজা। বিশেষ করে রোজাকে সামনে রেখে সরকার জিনিসের দাম না বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে থাকে। কিন্তু সরকারের সেই পরিকল্পনা বা নির্দেশনা মানতে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সেলক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গার ব্যবসায়ীরা এখন থেকেই শাক সবজি মসলাজাতীয়সহ নিত্যপণ্যের বেশিরভাগ জিনিসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। যাতে করে রোজার মাসে দাম আর বাড়ানো না লাগে। এতে যেমন ব্যবসায়ীরা দ্বিগুণ লাভে লাভবান হচ্ছে। তেমনী ভোক্তাগণ পেষাই হয়ে যাচ্ছে। রাতের ঘুম হারাম হয়েছে মানুষের আর বাজার করার সময় হলেই কপালে ভাঁজ পড়ে বুড়ো চিত্র দেখাচ্ছে তরুণ যুবকদের।

এদিকে, চুয়াডাঙ্গার বড় বাজারে সব ধরনের সবজির দাম ৬০ টাকার উপরে স্থির চিত্র রয়েছে।
গতকাল শহরের নিচের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে আগাম ও শীতকালীন হরেক রকমের সবজি আসতে দেখা যাচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৩০ টাকা বেড়েছে পেঁয়াজ। এক কেজি পেঁয়াজের দাম খুচরাপর্যায়ে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম স্বাভাবিক রয়েছে আদা ও রসুনের।

 

৪০ টাকা বেড়ে কাঁচা মরিচের দাম ১৪০ টাকা কেজি দরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমলেও সপ্তাহের ব্যবধানে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শীতকালিন ফুলকপি শুরুতেই বাজারে ৭০ টাকা কেজি। আর শিমের দাম এখনো ৮০ টাকা। কচু ও পটলের দাম ৬০ টাকা। সব ধরনের সবজি মানভেদে কেজিতে এখনো ২০ টাকা বাড়তি রয়েছে। কিন্তু অভিযান গেলে ঠিকই কমে যাচ্ছে দাম।

এদিকে দাম বেড়েছে মসলা জাতীয় পণ্যের। এলাচের কেজিতে ৫০০ টাকা বাড়তি হয়ে ১ কেজি এলাচ সাড়ে ৩ হাজার টাকা। আর অন্যান্য কিছু মসলার দাম কিছুটা স্বাভাবিক। ডিমের দাম কিছুটা কমলেও দাম কমেনি খোলা বাজারের সয়াবিনের তেলের। কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১৮২ টাকা। আর দাম আগের মতো ১৬৭ টাকা স্বাভাবিক রয়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের। আর অন্যান্য মুদি নিত্যপণ্যের দাম প্রতিনিয়ত কম বেশি করে ওঠানামা করছে।

এদিকে, আমিষের স্বস্তি কিছুটা ফিরেছে। গতকাল সোনালি ও ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমেছে। আগের মতোই ৭২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। খাসির মাংসের দাম ৯৮০ টাকা কেজি। মাছের বাজারে বড় সব প্রকার মাছের দাম কমলেও দাম বেশি সব ধরনের ছোট মাছের। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়তি।

বাজারে আসা এক ক্রেতা জাহিদ হাসান বলেন, বাজারে এখনো বেগুন ও শিমের দাম কমেনি। শীতকালিন সবজি বাজারে ঢুকেছে দাম কিন্তু এখনো কমেনি। বাজারে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি দেখে ইচ্ছে হয়না কোন জিনিস কিনতে।আরেক ক্রেতা সালেমান মিয়া বলেন, একটা সবজি কৃষক থেকে তিন হাত বদল হয়ে বাজারে আসে। মাঠে দাম ঠিক থাকে। বাজারে আসলে সবজির দাম পাল্টে যায়।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ বলেন, বাজার স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং অব্যহত আছে। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে এবং জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে টাস্কফোর্স ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।