বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ঋণের ফাঁদে মানুষ বলি 

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ  বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শহর – শহরতলীর পাড়া-মহল্লায় ঋণের ফাঁদে বলি হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। নিয়ম অনুযায়ী, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিবন্ধিত সংগঠন ছাড়া ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা অবৈধ হলেও এ উপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়নে চলছে অবৈধ ক্লাব, সমিতি কিংবা ব্যক্তিকেন্দ্রিক চড়া সুদে ঋণ প্রদান কার্যক্রম। এভাবে ঋণ দিয়ে রাতারাতি টাকাওয়ালা বনে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা, কিন্তু […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ জুলাই ২০২৫, ২১:৪৮

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ 

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শহর – শহরতলীর পাড়া-মহল্লায় ঋণের ফাঁদে বলি হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

নিয়ম অনুযায়ী, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিবন্ধিত সংগঠন ছাড়া ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা অবৈধ হলেও এ উপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়নে চলছে অবৈধ ক্লাব, সমিতি কিংবা ব্যক্তিকেন্দ্রিক চড়া সুদে ঋণ প্রদান কার্যক্রম।

এভাবে ঋণ দিয়ে রাতারাতি টাকাওয়ালা বনে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা, কিন্তু নিঃস্ব হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন ঘুরে দৈনিক সকাল এর অনুসন্ধানে এমন তথ্য উঠে এসেছে। 

উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের নয়লাপাড়া গ্রামের অঞ্জলী রানী (৪৫)। শ্রমিকের কাজ করে এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে কোনো রকমে চলে তাদের সংসার। ছেলেমেয়ের পড়ালেখার খরচ চালাতে গিয়ে একই গ্রামের ভিম বর্মণের ছেলে ছিরেন বর্মণ, ছফেন বর্মণের ছেলে চঞ্চল, কালু বর্মণের ছেলে গৌতম বর্মণ, প্রভাত বর্মণের ছেলে অশোক বর্মণের পরিচালিত সমিতি থেকে দুই বছর আগে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন।

স্বামী-স্ত্রী মিলে মাঠে কাজ করে ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও তারা আরও ৫০ হাজার টাকার দাবি করে তাদের নানা রকম হুমকি দিতে থাকেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ জুন মাঠ থেকে অঞ্জলী রানীর সাত মাসের গর্ভবতী গাভী নিয়ে যান তারা। গাভীটি আনতে গেলে ৫০ হাজার টাকা ছাড়া গাভী দেবে না বলে জানানো হয়। পরে, বগুড়ার শেরপুর থানা পুলিশের সহায়তায় গাভীটি ফিরে পান অঞ্জলী।

উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের খাগা, চক খাগা, নায়ের খাগা, ভিমজানি, তালপুকুরিয়া, দড়িখাগা, চাঁদপুর, গোপালপুর। সুঘাট ইউনিয়নের বিনোদপুর, কল্যাণী, চকসাদি, জোড়গাছা, সূত্রাপুর, বেলগাছি, আওলাকান্দি, মধ্যভাগ। মির্জাপুর ইউনিয়নের মদনপুর, কৃষ্ণপুর, কাশিয়াবালা, রাজারদীঘি, দড়িমুকুন্দ, বিরইল, আড়ংশাইল, মাথাইল চাপড়, বীরগ্রাম।

শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের আন্দিকুমড়া, ঘোলাগাড়ি, রহমতপুর, ধরমোকাম, দহপাড়া।

 বিশালপুর ইউনিয়নের নয়লাপাড়া, সিরাজনগর, হাসাগাড়ীসহ অন্যান্য গ্রামেও দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে টাকা দিয়ে ভয় দেখিয়ে চড়া সুদে টাকা আদায় করার কথা জানান এলাকাবাসী। এ ছাড়া শেরপুর পৌর শহরের শিশু পার্ক এলাকার আশপাশে স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে গড়ে উঠেছে একটি সক্রিয় দাদন ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট।

উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন বলেন, ‘গ্রামাঞ্চলে এই সুদের ব্যবসা মহামারী আকার ধারণ করেছে। কেউ এক মাসের জন্য ১ হাজার টাকা নিলে মাস শেষে তাকে ১ হাজার ২০০ টাকা দিতে হয়। এ ছাড়া পাড়া-মহল্লায় যেসব অবৈধ ক্লাব বা সমিতি আছে তারা সাপ্তাহিক বা মাসিক কিস্তিতেও টাকা দিয়ে থাকে। এসব ঋণে শতকরা সুদের পরিমাণ ধরা হয় ২০ টাকা।’

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ওবাইদুল হক দৈনিক সকাল কে বলেন, ‘উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিস, উপজেলা পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন অফিস, উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিস গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে স্বল্প সুদে ঋণ দিয়ে থাকে।

মানুষ এসব সুবিধা গ্রহণ না করে সুদের ব্যবসায়ীদের দারস্থ হয়ে সর্বস্ব হারায়।’ কেউ আর্থিক অনটনে পড়লে সুদের ব্যবসায়ীদের কাছে না গিয়ে সরকারি সংস্থাগুলো থেকে ঋণ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

শেরপুর উপজেলা স্বার্থরক্ষা পরিষদের সভাপতি কে, এম মাহবুবার রহমান হারেজ দৈনিক সকাল কে বলেন, ‘কোনো এনজিও থেকে ঋণ নিতে গেলে নানা নিয়ম-কানুন আর শর্তের জটিলতায় অনেক সময় লাগে।

যার ফলে বিপদ-আপদ বা আর্থিক প্রয়োজনে মানুষ বাধ্য হয়ে সুদের ব্যবসায়ীদের দ্বারস্থ হয়। পাড়া-মহল্লায় সুদের ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙার পাশাপাশি গ্রাম-শহরে ক্লাব-সমিতির আড়ালে সুদের ব্যবসা বন্ধে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক খান দৈনিক সকাল কে বলেন, অবৈধ ক্লাব-সমিতি ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক সুদের ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট সম্পর্কে তিনি জেনেছেন। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। এ ব্যাপারে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।